কোন ফর্মুলা গঠন করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিশেষ কোন কাজ করা বা পরিগণনা করাকে ফাংশন বলে। ফর্মুলার সংক্ষিপ্ত রূপকে বলা হয় ফাংশন। ধরা যাক, D1, D2, D3, D4, D5 এর যোগফল বের করতে হবে। এখন D1 + D2 + D3 + D4 + D5 লিখে এন্টার করার চেয়ে = Sum (D1:D5) লিখে এন্টার করলে সময় বাচেঁ এবং ভুল হবার সম্ভাবনাও কম। এখানে Sum = (D1:D5) হলো ফাংশন।

বিভিন্ন ধরনের ফাংশন

  • ডেটাবেস ফাংশন (Database Functions)
  • টেক্সট ফাংশন (Text Functions)
  • অর্থনৈতিক ফাংশন (Financial Functions)
  • লজিক্যাল ফাংশন (Loogical Functions)
  • গণিত সংক্রান্ত ফাংশন (Mathematical Functions)
  • ইনফরমেশন ফাংশন (Information Functions)
  • পরিসংখ্যান ফাংশন (Statistical Functions)
  • তারিখ এবং সময় ফাংশন (Date & Time Functions)
  • লুকআপ এবং রেফারেন্স ফাংশন (Lookup and Reference Functions)

পরিসংখ্যান ফাংশন (Statistical Functions)

ওয়ার্কশীটে বিভিন্ন সেলে লিখিত সংখ্যা সমূহের যোগফল, গড়, মোট সংখ্যার সংখ্যা, সর্ববৃহৎ ও সর্বনিম্ন সংখ্যা প্রভৃতি নির্ণয় করার জন্য কয়েকটি ফাংশন রয়েছে।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x