রেচন প্রক্রিয়ায় দেহ থেকে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশিত হয়ে দেহে পানির সমতা রক্ষিত হয়। দেহাভ্যন্তরে কোষকলায় বিদ্যমান পানি ও বিভিন্ন লবণের ভারসাম্য রক্ষা করার বিশেষ পদ্ধতিকে অসমোরেগুলেশন বা পানির সমতা নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি বলে।

প্রস্বেদন একটি অতি প্রয়োজনীয় অমঙ্গল- ব্যাখ্যা করো।
প্রস্বেদনের মাধ্যমে উদ্ভিদ তার দেহের অতিরিক্ত পানি বাম্পাকারে বের করে দেয়। অতিরিক্ত পানি উদ্ভিদদেহে নানা ক্ষতিসাধন করতে পারে। আবার প্রস্বেদনের কারণেই উদ্ভিদ সহজে মাটি থেকে পানি ও খনিজ লবণ শোষণ করতে পারে। শোষিত পানির সাহায্যে উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ ঘটায়।

এর পাশাপাশি প্রস্বেদনের কিছু অপকারি ভূমিকা রয়েছে। যেমন- শোষণের চেয়ে প্রস্বেদন বেশি ঘটলে উদ্ভিদের দেহে পানির ঘাটতি দেখা দেয়, ফলে উদ্ভিদ নেতিয়ে পড়ে, এমনকি উদ্ভিদের মৃত্যুও ঘটতে পারে। এ বিপরীতমুখী বৈশিষ্ট্যের কারণে প্রস্বেদনকে “অতিপ্রয়োজনীয় অমঙ্গল” বলা হয়।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x