পড়াশোনা
0 min read

কেন গরমে বরফ ঠাণ্ডা পানি খাওয়া উচিত নয়?

বাইরে থেকে গরমে ঘেমে বিধস্ত হয়ে বাড়ি ফিরেই ফ্রিজ খুলে ফেলা; আর তারপরই ফ্রিজ থেকে ঠাণ্ডা পানি বের করে খাওয়া। অনেকেই বাড়ি ফিরে এমনটাই করেন। কিন্তু এতে আপনার যে কত বড় ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে তা জানলে আপনি আতকে উঠবেন।
জেনে নিন কেন গরমে বরফ ঠাণ্ডা পানি খাওয়া উচিত নয়।
হার্ট এর সমস্যা:
ঠাণ্ডা পানি পানের কারণে সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয় হার্টের। গরম থেকে এসেই ঠান্ডা পানি পান করলে শরীরের শিরা উপশিরা সঙ্কুচিত হয়ে যায়। ফলে স্বাভাবিক রক্ত সঞ্চালন করতে হার্টের উপর বাড়তি চাপ পড়ে। এই বাড়তি চাপ হার্টের জন্য একেবারেই ভালো না। সাথে সাথেই কোনো সমস্যা দেখা না দিলেও, দীর্ঘমেয়াদে জটিল হৃদরোগ দেখা দিতে পারে।
শরীরের শক্তি ক্ষয় করে:
আমাদের শরীরের তাপমাত্রা যেহেতু স্বাভাবিক মাত্রায় ৯৮.৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট। তাই ঠাণ্ডা পানি যখন পাকস্থলীতে জমা হয় তখন পাকস্থলী তা শরীরের তাপমাত্রায় নিয়ে আসে।ফলে শরীরের অহেতুক শক্তি খরচ হয়।
হজমে বাধা:
বরফ ঠাণ্ডা পানি বা ঠাণ্ডা পানীয় রক্তনালীকে সঙ্কুচিত করে দেয়। হজমে বাধা দেয় ও হজমের সময় প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণ শোষণেও বাধা দেয়। সেই সঙ্গেই পানির তাপমাত্রার সঙ্গে সাম্য বজায় রাখতে গিয়ে ডিহাইড্রেশন হয়ে যেতে পারে।
গলা ব্যথা:
গরম কালে বরফ ঠাণ্ডা পানি পান করলে ঠান্ডা লেগে গলা ব্যথা, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। ঠান্ডা পানি শ্বাসনালীতে মিউকাস জমতে সাহায্য করে। ফলে শ্বাসনালীতে প্রদাহ হয়।
পুষ্টি উপাদান নষ্ট হয়ে যায়:
আমাদের শরীরের তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড। যখন আপনি খুব কম তাপের পানীয় পান করেন তখন আপনার শরীরকে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য অনেক বেশি শক্তি ব্যয় করতে হয়। এই ক্ষয়িত শক্তি হজমের কাজে ব্যবহার হতে পারতো । এবং শরীরে পুষ্টি শোষিত হতে পারতো। এ কারণেই ঠান্ডা পানি নিয়মিত পান করলে শরীর কম পুষ্টি পায়।
Rate this post