মৌলিক ধাতু কিংবা কোনো কোনো নাম শব্দের সঙ্গে ‘আ’ প্রত্যয়যোগে যে ধাতু গঠিত হয়, তাকে সাধিত ধাতু বলে। যেমন– √ দেখ্ + আ = দেখা, √ পড়্ + আ = পড়া, √ বল্ + আ = বলা। সাধিত ধাতুর সঙ্গে কাল ও পুরুষসূচক বিভক্তি যুক্ত করে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়। যেমন– মা শিশুকে চাঁদ দেখায়। (এখানে দেখ্ + আ + বর্তমান কালের সাধারণ নাম পুরুষের ক্রিয়া বিভক্তি ‘য়’ = দেখায়)। এরূপ– শোনায়, বসায় ইত্যাদি।

গঠনরীতি ও অর্থের দিক থেকে সাধিত ধাতুকে চার শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়। যথা– (ক) নাম ধাতু, (খ) প্রযোজক ধাতু (ণিজন্ত) ধাতু, (গ) ধ্বন্যাত্মক ধাতু, (ঘ) কর্মবাচ্যের ধাতু।

ক. নাম ধাতু : বিশেষ্য, বিশেষণ এবং অনুকার অব্যয়ের উত্তর ‘আ’ প্রত্যয় যোগ করে যে নতুন ধাতুটি গঠিত হয়, তা-ই নাম ধাতু। যেমন- সে ঘুমাচ্ছে। ‘ঘুম’ থেকে নাম ধাতু ‘ঘুমা’।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x