Class 7 - ডিজিটাল প্রযুক্তি

৭ম শ্রেণির ডিজিটাল প্রযুক্তি শিখন অভিজ্ঞতা ১ সেশন ৫ উত্তর (PDF)

1 min read

৭ম শ্রেণির ডিজিটাল প্রযুক্তি শিখন অভিজ্ঞতা ১ সেশন ৫ : আমরা মানবীয় ও জড় এই দুই উৎস থেকেই তথ্য সংগ্রহ করেছি। কিন্তু তথ্যগুলো আসলে বিচ্ছিন্ন বা কিছু সংখ্যা এবং বর্ণনা। একটি সিদ্ধান্তে পৌছানোর জন্য এই সংখ্যা বা বর্ণনা যথেষ্ট নয়। তাই আমরা তথ্যগুলোকে বিশ্লেষণ করে এর থেকে মুল তথ্যটি খুঁজে বের করব।

কমে গেছে’ এবং আমার প্রশ্নটি যদি হয় , ‘আপনি কি পাঠ্যবইয়ের বাইরে অন্য কোনো বই পড়েন- ক. হাঁ খ. না”। এখন আমাকে বিশ্লেষণ করে বের করতে হবে যে কত শতাংশ উত্তরদাতা হাঁঁ বলেছে আর কত শতাংশ উত্তরদাতা “না” বলেছে। বলেছে এবং কয়জন ‘না” বলেছে। এবার এই সংখ্যাকে শতাংশে রূপান্তরিত করব।

৭ম শ্রেণির ডিজিটাল প্রযুক্তি শিখন অভিজ্ঞতা ১ সেশন ৫

আমরা আজ ২০ জনের হিসাব করছি বলে খুব সহজে ট্যালির মাধ্যমে হাতে গুনে গুনে হিসাবটা বের করে ফেললাম। কিন্তু যদি আমাদের ১০০ বা ১০০০ জনের জরিপের ফলাফল বের করতে হয়? বড় জরিপের ফলাফল বিশ্লেষণ করার জন্য রয়েছে কম্পিউটার সফটওয়্যার বা স্প্রেজশিট ।

কম্পিউটার বা সফটওয়্যারকে আমাদের ভাষা বোঝাতে হয় কোড দিয়ে । ধরি, হ্যাঁ এর কোড হচ্ছে “ক”, না এর কোড হচ্ছে ‘খ”। আর ঠিকঠাক ফমুলা লিখতে পারলে মুহূর্তে বের হয়ে যাবে কঠিন কঠিন সব হিসাব। এটি কীভাবে কাজ করে তা নিচের টেবিলটি দেখে বোঝার চেষ্টা করি।


নীল রঙের Cell টার নাম C5 কেন হয়েছে?

উত্তর: স্প্রেডশিট সফটওয়্যারে বড় ধরনের হিসাব করার জন্য Row এবং Column এর এর সমন্বয়ে যে ছোট ঘরগুলো তৈরি হয়, তাকে Cell বলে। সূত্র প্রয়োগ এবং হিসাবের সুবিধার জন্য এই Cell গুলোকে আলাদা-আলাদা নামকরণ করা হয়ে থাকে। একটি Cell এর কী নাম হবে, তা নির্ভর করে Cell টি কোথায় অবস্থিত। চিত্রে দেখা যাচ্ছে, Cell টি বাঁয়ে থেকে ডানের C নামক জড়ি তে এবং উপর থেকে নিচে ৫ নম্বর Column এ অবস্থিত। তাই এই দুটি জড়ি এবং Column এর সমন্বিত নাম হয়েছে C5 ।


Column B তে আমার প্রথম প্রশ্ন থেকে আসা সব উত্তর নিচে নিচে Row তে টাইপ করব আবার Column C তে দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তরগুলো লিখব, এভাবে আমার যতগুলো প্রশ্ন থাকবে তার উত্তর পাশাপাশি কলামে লিখব। তারপর সর্বভানের কলাম থেকে আমরা ফর্মুলা লিখব। বিদ্যালয়ে বা হাতের এতে করে বড় হলে আমাদের কাজ করা সহজ হয়ে যাবে।

এভাবে আমরা আমাদের সবগুলো ‘বহুনির্বাচনী” ধরনের প্রশ্নের উত্তরের শতাংশ বের করে ফেলতে পারব।

বর্ণনামূলক যে প্রশ্ন ছিল, সেগুলোকেও আমরা সমন্বয় করব, কিন্তু সংখ্যায় রূপান্তর করতে পারবনা। তাহলে সেগুলোর সমন্বয় কীভাবে করা সম্ভব! আমরা প্র প্রশ্নগুলোর সবগুলোর উত্তরের মধ্যে কোনো মিল এবং অমিল খুঁজে পাই কি না, খুঁজে বের করব এবং সে অনুযায়ী একসঙ্গে লিখব। উদাহরণ,

“মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে কেন বই পড়ার অভ্যাস কমে গেছে বলে আপনার মনে হয়?” পছন্দের বই কিনতে পারছে না, তাই তাদের বই পড়ার অভ্যাস গড়ে উঠছে না, এইজন্য অনেক বেশি যার কারণে শিক্ষার্থীরা বই পড়ার সময় পায় না” তবে অন্য একজন কিছুটা ভিন্নমত পোষণ করেছেন। তিনি মনে করেছেন, ভিডিও গেমে আসক্তির কারণে পড়ার আগ্রহ কমে গেছে।

দলে কাজ করে আমাদের তথ্যগুলো শতাংশে এবং বর্ণনায় সমন্বয় করি এবং জড় মাধ্যম থেকে প্রাপ্ত তথ্যও একইভাবে যুক্ত করব।

আগামী সেশনের প্রস্তুতি

আমাদের নির্ধারিত বিষয়টির ওপর জরিপ নেওয়ার পরে প্রাপ্ত তথ্যের আলোকে একটি রিপোর্ট:

ভূমিকা: যৌতুক প্রথা সাম্প্রতিক সময়ে প্রকট আকার ধারণ করেছে। করোনাকালীন সময়ে সারাদেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই সমস্যাটি আরো ছড়িয়ে পড়ে। ফলে অসংখ্য মেয়েরা শিক্ষা থেকে ঝড়ে পড়ে এবং বাল্য বিয়ের শিকার হয়।

সমস্যাটি বাছাইয়ের কারণ: বাল্যবিয়ে নিয়ে মানুষকে সচেতন করে তোলা।

যেভাবে তথ্য সংগ্রহ করেছি: বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে সচেতন, অসচেতন অভিভাকদের সাথে কথা বলেছি। বাল্যবিয়ে সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্নের মাধ্যমে তাদের মধ্যে জড়িপ করেছি। গণমাধ্যম থেকে প্রকাশিত সংবাদ থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছি।

যে তথ্য পেয়েছি: করোনার সময়ে দেশজুড়েই উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে বাল্যবিয়ে। দেশে ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সি মেয়েদের বিয়ের হার ২০২১ সালে আগের বছরের তুলনায় ১০ শতাংশ বেড়েছে। কোভিড-১৯ এর প্রাদুর্ভাবে ওই দুই বছর এই বয়সি প্রায় ২৭ শতাংশ মেয়ের বিয়ে হয়েছে। পরিবারগুলোর জরিপে জানতে পেরেছি, সন্তানের ভরণ-পোষণে অক্ষম হওয়ায় তারা মেয়ের দ্রুত বিয়ে দিয়ে দায়মুক্ত হতে চায়। বলে তারা অল্প বয়সেই মেয়ের বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

আমরা যে সিন্ধান্তে উপনীত হয়েছি:
১. সমস্যার কারণ: অসচেতনতা, আর্থিক অসচ্ছলতা, সামাজিক কুসংস্কার।
২. সমস্যার সমাধান: সচেতনতা তৈরি, কঠোর আইন প্রয়োগ।

সমাধানটি আমরা যেভাবে কাজে লাগাব: আমরা আমাদের আশেপাশে সকল পিতামাতাকে বাল্যবিয়ের কুফল সম্পর্কে ধারণা দেব। তারা যাতে বাল্যবিয়ের মত সামাজিক অপরাধে লিপ্ত না হয়, তাই তাদের মাঝে সচেতনতা তৈরি করব।

ANSWER SHEET

Rate this post
Mithu Khan

I am a blogger and educator with a passion for sharing knowledge and insights with others. I am currently studying for my honors degree in mathematics at Govt. Edward College, Pabna.

Leave a Comment