Blog
1 min read

ইন্টারনেট কি? ইন্টারনেট কীভাবে কাজ করে?

ইন্টারনেট এ কারো সাথে যখন চ্যাট করা হয়, মেইল সেন্ড করা হয় তখন কি ভেবে দেখেছেন এ কাজগুলো শেষ হতে কতগুলো ভিন্ন কম্পিউটার একসাথে কাজ করে যাচ্ছে? আপনি ল্যাপটপ বা কম্পিউটার নিয়ে বসে আছেন অন্যপ্রান্তে আপনার বন্ধু বা আত্মীয়-স্বজন বা পরিবার পরিজন কম্পিউটার বা ল্যাপটপ নিয়ে আপনার সাথে যোগাযোগ করার জন্য বসে আছে।

তবে আপনি আর আপনার বন্ধু বা আত্মীয়-স্বজন বা পরিবার পরিজনের কম্পিউটারের শূন্য স্থানের মধ্যে আরো অনেক কম্পিউটার হয়েছে যা আপনার আর আপনার বন্ধু বা পরিবার পরিজন বা আত্মীয়-স্বজনের কম্পিউটারের মধ্যে শূন্যস্থান পূরণ করেছে। আর এভাবেই পুরো বিশ্বজুড়ে একটি কম্পিউটারের সাথে আরেকটি কম্পিউটার সংযুক্ত রয়েছে। এটাই হলো ইন্টারনেট। কিন্তু কখনো ভেবে দেখেছেন কি এ কম্পিউটারগুলো নিজেদের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে কিভাবে? তাহলে চলুন এই বিষয়গুলো জেনে নেই। জেনে নেই ইন্টারনেট কি এবং ইন্টারনেট কীভাবে কাজ করে?

ইন্টারনেট কি?

ইন্টারনেট হলো বিশ্ব জুড়ে বিস্তৃত অসংখ্য নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত একটি বৃহৎ নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা। ইন্টারনেটকে নেটওয়ার্কের নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেটওয়ার্কও বলা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অনেকগুলো নেটওয়ার্কের সমন্বিত ব্যবস্থায় হল ইন্টারনেট। ইন্টারনেটকে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ নেটওয়ার্ক হিসেবে অভিহিত করা হয়। কারণ, বর্তমানে ইন্টারনেট সারা বিশ্বেকে গ্লোবাল নেটওয়ার্কের আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছে। ইন্টারনেটে সংযুক্ত কোন কম্পিউটার বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য সার্ভার ও কম্পিউটার থেকে ডাটা এক্সেস করতে পারে।

ইন্টারনেটকে মাছ ধরার জালের সাথে তুলনা করতে পারেন। ধরে নিন, ওই জালের ভেতর সমস্ত মাছ হচ্ছে কম্পিউটার আর যে জাল দিয়ে মাছগুলোকে প্যাঁচিয়ে ধরে রেখেছে সেটা হলো ইন্টারনেট। এটা এমন একটা অদৃশ্য জাদুর জাল যার ভিতরে বিশ্বের সমস্ত কম্পিউটার রয়েছে।

এই জাদুর জালের মাধ্যমেই আপনি এক বিস্ময়কর যোগাযোগ ব্যবস্থায় অংশগ্রহণ করতে পারেন যার সাহায্যে আপনি ইচ্ছে করলেই বিশ্বের অন্য প্রান্তে থাকা কম্পিউটারের সাথে আপনার কম্পিউটারকে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই সংযুক্ত করতে পারেন। আর এটাই হচ্ছে ইন্টারনেট।

বৈশ্বিক যোগাযোগব্যবস্থা এখন অনেক উন্নত হয়েছে ইন্টারনেটের কারনে। পৃথিবীর দরিদ্রতম দেশগুলো যুক্ত হয়ে পড়েছে এই জালে।

অনেকে মনে করে ইন্টারনেট মানে অনলাইনে চলে যাওয়া । কিন্তু আসলে এটি একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ছাড়া আর কিছুই নয়। ধরুন একটি রাস্তা যা পুরো বিশ্বজুড়েই পেঁচিয়ে রয়েছে। যেমন রাস্তা দিয়ে ট্র্যাফিক বয়ে তার গন্তব্যস্থলে পৌঁছে ঠিক তেমনি ভাবে বিভিন্ন কম্পিউটারের মাধ্যমে ডাটা বয়ে গিয়ে তার গন্তব্যে পৌঁছে। এটাই হলো ইন্টারনেটের মূল ভিত্তি।

প্রতিটি কম্পিউটার প্রতিটি কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত থাকে বিভিন্ন মাধ্যমে। কোন কম্পিউটার যুক্ত থাকে কপার কেবল ধরা আবার কতগুলো ফাইবার অপটিক ক্যাবল দ্বারা আবার কতগুলো বেতার কানেকশনে যুক্ত থাকে এবং কোন কোন কম্পিউটার স্যাটেলাইট এর সাথে সংযুক্ত থাকে। এভাবেই আমরা উপভোগ করতে ইনস্ট্যান্ট মেসেজ সুবিধা ইমেইল সেবা ডাউনলোড করা ভিডিও দেখা ইত্যাদি।

ইন্টারনেটের ইতিহাস

ইন্টারনেট কি তা আমরা সবাই নিশ্চয় বুঝে গেছি এতক্ষনে। ইন্টারনেট আবিষ্কার করা কিন্তু কোন সহজ বিষয় ছিল না আর একজনের পক্ষে এই টেকনোলজি খুঁজে বের করা সম্ভব ছিল না। এটি আবিস্কারের জন্য অনেক প্রোগ্রামার, সাইনটিস্ট , ইঞ্জিনিয়ারদের প্রয়োজন হয়েছিল।

১৯৬০ সালে ARPA (Advanced Research Projects Agency) পরীক্ষামূলকভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় এবং গবেষণাগারের মাঝে যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলে। প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতিতে এ নেটওয়ার্ক ARPANET নামে পরিচিত ছিল। এ ARPANET ১৯৬৯ সালে স্থাপিত হয়। এর কাজ ছিল একটি কম্পিউটারের সাথে আরেকটি কম্পিউটারকে কানেক্ট করা।

১৯৮০ সালের পর এ টেকনোলজির নাম হয় ইন্টারনেট। ১৯৮৩ সালের ১ তারিখে ইন্টারনেটের যাত্রা শুরু হয়। তখন একে বলা হতো Network of Network. তবে বর্তমান এ মর্ডান সোসাইটিতে এর নাম ইন্টারনেট। IPS দ্বারা ১৯৮৯ সালে ইন্টারনেট সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

১৯৯০ সালের মাঝামাঝি দিক থেকে এর পরবর্তী সময়ে বিশ্বে ইন্টারনেট ব্যাপক আকারে বিস্তৃত হতে থাকে। তবে ১৯৯০ এর পর টিম বার্নার্স লির WWW (World Wide Web) আবিস্কারের পর থেকে, লোকদের জন্য অনেক কাজের এবং মজার হয়ে দাঁড়ালো।

আপনার মোবাইল অথবা ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের স্পিড কেমন তা জানতে চাইলে এই আর্টিকেলটি অবশ্যই

ইন্টারনেট কিভাবে কাজ করে?

সকলের মনে প্রশ্ন জাগে ইন্টারনেট কি ভাবে কাজ করে? বা আমরা কীভাবে ইন্টারনেটের সাথে কানেক্ট হতে পারি? অর্থাৎ, ইন্টারনেট এর কাজ করার কৌশল কি? তাহলে চলুন আর দেরি না এসব নিয়ে জেনে নেই।

ইন্টারনেট হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্ক। যা বিশ্বের প্রতিটি কম্পিউটারের সাথে সংযোগ হয়ে আছে। ইন্টারনেট ঠিকভাবে কাজ করার জন্য তাকে গ্লোবাল নেটওয়ার্কের সাথে তার বা বেতার যেকোনো একটি মাধ্যমে কানেক্ট থাকতে হয়। পরে গ্লোবাল নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত থাকা বিভিন্ন কম্পিউটারের সাথে আমাদের কম্পিউটার রাউটার এবং সার্ভারের মাধ্যমে কানেক্ট হয়ে বিভিন্ন ডাটা এবং ইনফরমেশন সংগ্রহ করে। এভাবেই ইন্টারনেট কাজ করে।

ইন্টারনেট কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় জিনিস

ইন্টারনেট কাজ করার জন্য ৩ টি জিনিস প্রয়োজন। এগুলো হলো –

  • একটি ডিভাইস (যেখান থেকে ইন্টারনেট চালু করা যাবে)
  • ISP থেকে ইন্টারনেট সার্ভিস গ্রহণ
  • একটি ওয়েব ব্রাউজার বা অ্যাপ

একটি ডিভাইস (যেখান থেকে ইন্টারনেট চালু করা যাবে)

ইন্টারনেট কাজ করার জন্য একটি ডিভাইস (যেমন – কম্পিউটার, ল্যাপটপ, স্মার্টফোন,স্মার্ট টিভি, ট্যাবলেট) এর প্রয়োজন। বর্তমানে স্মার্টটিভি বের হয়েছে যেটাতে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়। এরপর প্রয়োজন ইন্টারনেট কানেকশনের।

ISP থেকে ইন্টারনেট সার্ভিস গ্রহণ

ইন্টারনেট কানেকশন নেওয়ার পর আপনাদের ডিভাইসকে ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত করে গ্লোবাল নেটওয়ার্কের বিশাল জালের সাথে কানেক্ট করতে পারেন।

ISP এর পূর্ণ রূপ হলো – Internet Service Provider. ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার থেকে খুব সহজেই ইন্টারনেট সেবা নিতে পারবেন। বর্তমানে কিছু কোম্পানি আছে যেগুলো টেলিকমিউনিকেশন সার্ভিস এর পাশাপাশি ইন্টারনেট সার্ভিসও দিয়ে থাকেন এগুলো হলো-

  • Airtel
  • Vodafone
  • Idea
  • BSNL

তাই গুলোকে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বলা হয়। ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার থেকে ইন্টারনেট সার্ভিস কিনে তার বা বেতার যেকোন মাধ্যমে নিজেদের কম্পিউটারে বা ডিভাইসে ইন্টারনেট সার্ভিস কানেক্ট করে নিতে পারেন। ইন্টারনেট কানেক্টর পরের অবস্থাকে বলা হয় অনলাইন।

একটি ওয়েব ব্রাউজার বা অ্যাপ

যেকোন ডিভাইস বা কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করে কাজ করার জন্য একটি ওয়েব ব্রাউজার বা অ্যাপ প্রয়োজন। ওয়েব ব্রাউজার এমন একটা সফটওয়্যার বা অ্যাপ যা আপনার ব্যবহার করা ডিভাইস থেকে ইন্টারনেটের সেই নেটওয়ার্কের জালের সাথে যুক্ত করে। যাকে গ্লোবাল নেটওয়ার্ক বলা হয়।

এরপর ডোমেইন, আইপি অ্যাড্রেস এবং ওয়েবসাইটের মাধ্যমে গ্লোবাল নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত অন্য ডিভাইস থেকে তথ্য, ফাইল, ইমেজ, ডকুমেন্ট ইত্যাদি দেখতে পারি।

ইন্টারনেটের ফলে আমরা অনলাইনে অডিও কল, ভিডিও কল, চ্যাটিং,ইমেজ, ফাইল বা ডকুমেন্টস, অডিও, ভিডিও শেয়ারিং ইত্যাদি করা যায়। আর ইন্টারনেটের এ ভিন্ন ভিন্ন অনলাইন সার্ভিস ভোগ করার জন্য কিছু ভিন্ন ভিন্ন সফটওয়্যার বা অ্যাপ প্রয়োজন।কারণ কেবল ওয়েব ব্রাউজার দিয়ে সব করা সম্ভব না।

ইন্টারনেট এর মূল কাজ কি?

ইন্টারনেটের মূল কাজ হচ্ছে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ডাটা আদান-প্রদান করা। যেসব মেশিন একসাথে কানেক্ট হয়ে ইন্টারনেট তৈরি করেছে তাদের প্রধান কাজ হচ্ছে ডাটা আদান-প্রদান করা। ইন্টারনেটকে পোস্টাল সার্ভিসের সাথে তুলনা করা যায়।

এক স্থান থেকে আরেক স্থানে চিঠি আদান – প্রদান করা হয় পোস্টাল সার্ভিসে।চিঠি কার কাছে আসল বা কি লিখা আছে এগুলো কোন বিষয় না। আবার একেবারে ফাঁকা চিঠি থাকলেও পোস্টাল সার্ভিসের কিছু যায় আসে না। তার কাজ হচ্ছে শুধু চিঠি ঠিকমতো পৌঁছানো। ইন্টারনেটও ঠিক এভাবে কাজ করে।

পোস্টাল সার্ভিসের মতো ইন্টারনেটও ডাটা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পৌঁছে দেয়। অর্থাৎ, যেসব কাজে ডাটা আদান-প্রদান করার বিষয় আছে সেটি ইন্টারনেট শেষ করতে সাহায্য করবে।

পোস্টাল সার্ভিসের মতো ইন্টারনেটও বিভিন্ন ডাটা ধারণ করে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ডাটা পৌঁছে দেয়। এর অর্থ হলো যদি কোন তথ্য আদান-প্রদান করা হয় তাহলে ইন্টারনেট সেটি সম্পূর্ণ করে দেবে। এবার আপনি কাউকে মেইল পাঠালেন না কাউকে টেক্সট করলেন এটার সাথে ইন্টারনেটের কোন কানেকশন নেই। তবে যে কাজে ডাটা আদান-প্রদান করার বিষয় থাকে সেটিই ইন্টারনেট শেষ করতে সাহায্য করে।

এর উপর ভিত্তি করে আরও নতুন নতুন ব্যবহার খুঁজে বের করা হয়েছে।দুজন ইউরোপীয়ান স্কাইপ তেরি করে তখন তারা টেলিফোনের কথা বলাকেও নেটে নিয়ে আসে। তারা এমন একটি প্রোগ্রাম তৈরি করল যেখানে আমাদের কথা ডাটাতে ট্রান্সফার হতে পারে এবং আদান-প্রদানের মাধ্যমে কথা চলতে থাকে। তবে সরাসরি কথা আদান-প্রদান করিয়ে স্কাইপের জন্য ভিন্ন ইন্টারনেট তৈরি করা অসম্ভব ছিল।

ইন্টারনেটের ডেটাগুলো আদান-প্রদান করা হয় কীভাবে?

ইন্টারনেট কি করে কাজ করে তা কি আমরা জানি? মূলত টেলিফোন নেটওয়ার্কের মতোই ইন্টারনেট কাজ করে। তবে টেলিফোন লাইনে কল করা আর ইন্টারনেটের ডাটা আদান-প্রদান করা সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়। যখন আপনি আপনার কোন বন্ধুকে কল করেন তখন টেলিভিশনে আপনি আর আপনার বন্ধুর মাঝে সরাসরি কানেকশন ওপেন হয়ে যায়।যতক্ষণ আপনি টেলিফোন লাইনে কানেক্ট থাকবেন ততক্ষণ সার্কিটটি ওপেন থাকে। একটি টেলিফোনের সাথে অন্য কোন টেলিফোনকে কানেক্ট করার পদ্ধতিকে বলা হয় “সার্কিট সুইচিং”। ইলেকট্রনিক টেলিফোন একচেঞ্জ সিস্টেম

ইন্টারনেট মূলত টেলিফোন নেটওয়ার্ক এর মতো কাজ করে পদ্ধতিকে সার্কিট সুইচিং বলা হয়। কখন কার কথা শোনা যাবে আর কার কথা পাঠানো হবে তা নিয়ন্ত্রন করে ইলেক্ট্রনিক টেলিফোন এক্সচেঞ্জ সিস্টেম।

একটু ভাবলেই বুঝতে পারবেন, কোন নেটওয়ার্ক স্থাপনের জন্য সার্কিট সুইচিং একটি অদক্ষ পদ্ধতি। কারণ আপনি যখন ফোনে কার সাথে যুক্ত থাকবেন তখন সেই লাইনে আর কেউ কানেক্ট করতে পারবে না।

মনে করুন, আপনি অনেক সময় নিয়ে ফোনে কথা বলছেন বা কথা বলার সময় ফোন রেখে কফির মগ আনতে গেলেন, আপনি কিন্তু তখন কোন কথা বলছেন না তবুও কিন্তু যার সাথে কথা বলছেন তার সাথে কানেক্ট হয়ে রয়েছে। প্রতিটা সেকেন্ডের জন্য বিল হয় আপনি কথা বলুন আর নাই বলুন। আর ফোনে কানেক্ট থাকা মানে অন্য কেউ সে লাইনে তখন ফোন করতে পারবে না। তাই সার্কিট সুইচিং একটি আদর্শ নেটওয়ার্ক হতে পারে না। তাহলে এবার আপনার মনে হতে পারে,ইন্টারনেট কি ধরণের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ডাটা আদান-প্রদান করে?

ইন্টারনেট ডাটা আদান-প্রদান করার জন্য কখনো কখনো সার্কিট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। তাহলে চলুন এবার জেনে নেই, প্যাকেট সুইচিং কী?

প্যাকেট সুইচিং কী?

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ইন্টারনেট ডাটা আদান-প্রদান করার জন্য নতুন পদ্ধতি ব্যবহার করে এর নাম হলো প্যাকেট সুইচিং। ধরুন আপনি কোন আমেরিকান ফ্রেন্ডকে ই-মেইল পাঠাতে চাচ্ছেন।পুরো মেইলটি একসাথে পাওয়ার জন্য আপনার এবং আপনার ফ্রেন্ডের সরাসরি কানেক্ট থাকার প্রয়োজন নেই। প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতিতে আপনার ই-মেইল পাঠানোর পরে তা অনেকগুলো খন্ডে বিভক্ত হয়ে যায়। প্রতিটি খণ্ডকে বলা হয় প্যাকেটস।

আর প্রতিটি প্যাকেটের গায়ে ট্যাগ করা থাকে তাদের কোথায় যেতে হবে এবং তারা ভিন্ন ভিন্ন পথে ভ্রমণ করতে পারে। তারা যখন তাদের গন্তব্যস্থলে পৌঁছে যায়, তখন সেগুলো আবার একত্রিত হয়ে যায় যাতে ই -মেইল রূপে প্রদর্শিত হতে পারে।

সার্কিট সুইচিং পদ্ধতি থেকে প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি অনেক বেশি দক্ষ। কারো সাথে একেবারে কানেক্ট হয়ে থাকার প্রয়োজন আপনার হবে না। এজন্য আপনি কারো লাইন একেবারে বন্ধ রাখছেন না তখন অন্য কেউ সেই সময়ে একই লাইন ব্যবহার করতে পারে এবং নির্দিষ্ট প্যাকেটগুলো ঠিকঠাক আপনার গন্তব্যে পৌঁছে যাবে।প্যাকেটগুলো যেহেতু ভিন্ন ভিন্ন পথে ভ্রমণ করে গন্তব্যস্থলে পৌঁছায় তাই কোন বাধার সৃষ্টি হয় না।ফলে অনেক ফাস্ট স্পিড দেখা যায়।

প্যাকেট সুইচিং কাজ করে কীভাবে?

প্যাকেট সুইচিং কিভাবে কাজ করে এটা জানার আগে জানা দরকার সার্কিট সুইচিং কিভাবে কাজ করে। ধরুন আপনি লন্ডনে থাকেন হঠাৎ আপনি বাংলাদেশ আসার প্ল্যান করলেন।আসার সময় আপনি মালপত্রের সাথে পুরো বিল্ডিং তুলে আনার কথা ভাবছেন। তাহলে আপনার কি করতে হবে?

আপনাকে এমন রাস্তা দেখতে হবে যা দিয়ে সহজে আসতে পারবেন। এরপর দরকার হবে ট্রাকের এবং সমুদ্র পার হওয়ার জন্য প্রয়োজন হবে জাহাজের। ভেবে দেখুন পুরোটা কতটা কঠিন। এতসব একসাথে আনার জন্য আপনার আসা পিছিয়ে যাবে। আপনার গন্তব্য অনেক স্লো হয়ে যাবে। আবার সেই একই রাস্তা দিয়ে যদি অন্য কেউ আসতে চায় তবে সেও সমস্যার মুখে পড়বে। সার্কিট সুইচিং পদ্ধতি এভাবেই কাজ করে আর এভাবেই টেলিফোন কল হয়ে থাকে।

আপনি সেদিন বিকল্প অবস্থা বিবেচনা করেন অর্থাৎ আপনি আপনার বিল্ডিংটি খুলে ফেললেন এবং প্রতিটা ইট নাম্বারিং করলেন। প্রতিটা ইটকে একটি খামে ভরে বিভিন্ন রাস্তায় আপনার গন্তব্যের উদ্দেশ্যে পাঠিয়ে দিলেন। কোনোটা হয়তো জাহাজে আবার কোনোটা আকাশপথে গেল। এরপর যখন সবগুলোই ইট তার গন্তব্যে পৌঁছে গেল, তখন ইটের নাম্বারগুলো মিলিয়ে আগের বিল্ডিং তৈরি করা যাবে। আলাদা রাস্তায় ভ্রমণ করার জন্য রাস্তায় কোন জ্যামের সৃষ্টি করবে না অন্যান্যরাও একই সময়ে রাস্তা ব্যবহার করতে পারবে।

এভাবেই প্যাকেট সুইচিং কাজ করে। যখন আপনি কোন ব্রাউজার দিয়ে কোন সাইট ব্রাউজ করেন বা ই-মেইল করেন তখন সব ডাটা অনেকগুলো প্যাকেটে ভাগ হয়ে যায় এবং ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে।

কম্পিউটারগুলো কিভাবে ইন্টারনেটে বিভিন্ন কাজ করে?

ইন্টারনেটজুড়ে হাজার হাজার মিলিয়ন কম্পিউটার রয়েছে। এরা কিন্তু একই কাজ করে না। কিছু কম্পিউটার শুধু তথ্য সংগ্রহ করে এবং কোন তথ্য চাওয়া হলে সেখানে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এই মেশিনগুলোকে বলা হয় সার্ভার। আবার কিছু মেশিন আছে যেগুলো ডকুমেন্ট স্টোর করে রাখে। এগুলোকে বলা হয় ফাইল সার্ভার। আবার কতগুলো সার্ভার মেইল নির্ধারণ করে, সেগুলোকে বলা হয় মেইল সার্ভার। কিছু আছে ওয়েবপেইজ ধারণ করে তাদেরকে বলা হয় ওয়েব সার্ভার। এরকম হাজার হাজার মিলন সার্ভার রয়েছে।

যেসব কম্পিউটার সার্ভার থেকে ডেটা সংগ্রহ করে তাদেরকে ক্লায়েন্ট কম্পিউটার বলা হয়। যখন আপনি মেইল চেক করার ইন্টারনেটে ঢোকেন তখন আপনার কম্পিউটারটি হলো ক্লায়েন্ট, আর আপনার ISP (Internet Service Provider) হলো সার্ভার। আর মেইলটি আসে মেইল সার্ভার থেকে। ইন্টারনেটে সার্ভার এর তুলনায় ক্লায়েন্টের সংখ্যা প্রায় বিলিয়ন খানিক বেশি।

দুটি কম্পিউটার যখন একে অন্যের সাথে ডাটা আদান-প্রদান করতে থাকে তখন তাকে পিরস (Peers) বলে। আপনার বন্ধুর সাথে যদি ইন্সট্যান্ট মেসেজিং ইমেজ আদান প্রদান করেন তখন সেটি হল peer-to-peer (P2P) কমিউনিকেশন।

Peer-to-peer তে আপনার কম্পিউটার মাঝে মাঝে ক্লায়েন্ট হিসেবে আচরণ করে আবার কখনো সার্ভার হিসেবে আচরণ করে। যেমন ধরুন, আপনার ফ্রেন্ডকে কোন ইমেজ সেন্ড করলেন তখন আপনার কম্পিউটারটি সার্ভার হিসেবে কাজ করলো ( ফটো সেন্ড করলো) এবং আপনার বন্ধুর কম্পিউটার একটি ক্লায়েন্ট হিসেবে কাজ করবে। (ফটো এক্সেস করবে) আবার আপনার বন্ধু ইমেজ সেন্ড করলে তার কম্পিউটার সার্ভার হিসেবে কাজ করবে আর আপনার কম্পিউটার ক্লায়েন্ট হিসেবে কাজ করবে।

সার্ভার এবং ক্লাইন্ট ছাড়াও আরেকটি মধ্যম কম্পিউটার রয়েছে যেটি ইন্টারনেট আরেকটি অংশ।এটি হলো রাউটার। এটি আলাদা সিস্টেমের মধ্যে কানেক্ট করতে সাহায্য করে। বাড়িতে বা স্কুলে বা অফিস একাধিক কম্পিউটার থাকলে রাউটার এর সাহায্যে সকলকে একত্রিত করে ইন্টারনেট কানেক্ট করা যায়।

টিসিপি (TCP) / আইপি (IP) / ডিএনএস (DNS)

ডাটা আদান-প্রদান করার ব্যাপারটি ঘরের ইট খামে করে বয়ে নিয়ে যাওয়ার মতো সহজ নয়। ইন্টারনেটের ডাটাগুলো আমাদের দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।প্রতিদিন নেটে অগণিত ডাটা আদান প্রদান করা হয়ে থাকে। বিশ্বের 250 মিলিয়ন ওয়েবসাইট জুড়ে প্রায় তিন বিলিয়ন ই-মেইল প্রচুর পরিমাণে ট্র্যাফিক বিভিন্ন ডাটা ডাউনলোড এবং আপলোড করছে। এবার প্রশ্ন হচ্ছে, যদি সব ডাটাকে প্যাকেটে পরিণত করে পাঠানো হয়ে থাকে এবং সেখানে কারো যদি কোন কন্ট্রোল না থাকে তবে প্যাকেটগুলো না হারিয়ে কিভাবে প্রত্যেকে আসল গন্তব্যে পৌঁছে যায়?

এর উওর হচ্ছে TCP /IP সিস্টেম সকল প্যাকেটগুলোকে গন্তব্যস্থলে পৌঁছাতে সাহায্য করে। এটিকে বলা হয় টু-ইন-ওয়ান সিস্টেম। TCP এর পূর্ণ রূপ হচ্ছে – Transmission Control Protocol. আর IP এর পূর্ণ রূপ হচ্ছে- Internet Protocol.

বর্তমান কম্পিউটারের যুগে Protocol হল একটি স্ট্যান্ডার্ড যা সবাই বিশ্বাস করে এবং সবকিছু সঠিকভাবে পৌঁছে গেল কিনা তা নিশ্চিত করে। তাহলে এবার প্রশ্ন হল টিসিপি / আইপি কিভাবে কাজ করে?

ইন্টারনেট প্রটোকল বা আইপি (IP) কি?

আইপি (IP) এর পূর্ণরূপ হল Internet Protocol. ইন্টারনেট প্রটোকল বা আইপি হল একটি অ্যাড্রেসিং সিস্টেম। ইন্টারনেট অবস্থিত সকল মেশিনেরই একটি আলাদা আলাদা আইপি থাকে। প্রতিটি মেশিনেরই আলাদা আলাদা আইপি থাকার কারণে প্রতিটি মেশিনকে সহজেই চেনা যায় এবং সে অনুসারে প্যাকেট পাঠানো সম্ভব হয়। আইপি অ্যাড্রেস মূলত কয়েকটি সংখ্যার সন্নিবেশ হয়ে থাকে। সংখ্যাগুলো কমা, কোলন ব্যবহার করে আলাদা করা হয়।

তবে ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা একটু আলাদা। ওয়েবসাইটে মনে রাখার সুবিধার্থে আইপির বাদলে নাম ব্যবহার করা হয়। যেমনঃ noproblembd.com. এর নাম হলো ডিএনএস (DNS) বা ডোমেইন নেইম সার্ভার। ডোমেইন নেইম ব্রাউজার এ প্রবেশ করার সাথে সাথে কম্পিউটার এর আইপি অ্যাড্রেস খুঁজতে শুরু করে এবং আইপি খুঁজে পাওয়ার সাথে সাথে ওই ওয়েব সার্ভার টি ওপেন হয়ে যায়।

আইপি 2 ধরনের হয়ে থাকে। যথাঃ

  • IPv4
  • IPv6

IPv4

IPv4 ৪ খন্ডের ডিজিট থাকে। যেমন – 14.42.65.98 বা 125.555.112.11। তবে ইন্টারনেটের অগ্রগতির ফলে আজ আর এ আইপি অ্যাড্রেস অবশিষ্ট নেই।নতুন সিস্টেম তৈরি করা হয়েছে। এটি হলো IPv6.

IPv6

IPv6 নতুন উদ্ভাবন করা হয়েছে। এটি IPv4 এর তুলনায় অনেক বড়। যেমন – 225a:c135:9192:0ab4:456k:0123:0ggh:2da4

টিসিপি (TCP)

টিসিপি (TCP) এর পূর্ণ রূপ হলো – ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রটোকল। একটি আইপি আরেকটি আইপিতে কীভাবে প্যাকেট পাঠায় সেটি নির্ধারণ করে। রিসিভ হওয়া প্যাকেটগুলো এটি একত্রিত করে। প্যাকেট পাঠানোর সময় কোন প্যাকেট হারিয়ে গেলে পুনরায় রি-সেন্ড করে।

ডিএনএস (DNS)

DNS এর পূর্ণ রূপ হলো – Domain Name System. আইপি অ্যাড্রেস নাম্বার দ্বারা লেখা হয়। কিন্তু আইপি অ্যাড্রেসের সংখ্যা মনে রাখা কষ্টকর। তাই আইপি এড্রেসকে সহজে ব্যবহারযোগ্য করার জন্য ইংরেজি অক্ষরের কোন নাম ব্যবহার করা হয়। ক্যারেক্টার ফর্মের দেওয়া কম্পিউটারের এরূপ নামকে ডোমেইন নেম বলা হয়। যেমন – ২০৩.৮০.১২০.৫ এর পরিবর্তে noproblembd.com ডোমেইন নেইম ব্যবহার করা যায়।

ডোমেইন নেইমকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয় যাতে করে একই নাম অন্য কেউ ব্যবহার করতে না পারে। যে পদ্ধতিতে ডোমেইন নেম কে নিয়ন্ত্রণ করা হয় তাকে ডিএনএস (DNS) বলে।

ইন্টারনেটের সুবিধা

  • ইন্টারনেট হল বিশাল তথ্যের ভাণ্ডার। এমন কোন ডাটা নেই যা ইন্টারনেটে পাওয়া যায় না। ইন্টারনেটে যুক্ত হয়ে কোন তথ্যের নাম লিখে সার্চ করলেই বিশ্বের অসংখ্য সার্ভারে থাকা তথ্যগুলো প্রদর্শিত হয়।
  • এর মাধ্যমে স্ক্যাক্স সুবিধা পাওয়া যায়।
  • এর মাধ্যমে মুহূর্তের মধ্যে কোন সময় বিশ্বের যেকোন প্রান্তে ই-মেইল করে তথ্য আদান প্রদান করা যায়। তাছাড়া ই-মেইলের সাথে এটাচ করে বড় ডকুমেন্ট বা ফাইল বা ইমেজ সংযুক্ত করে পাঠানো যায়।
  • বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার, ফ্রিওয়্যার, বিনোদনের উপকরণ ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করে রাখা যায়।
  • ইন্টারনেট টিভি ও ইন্টারনেট রেডিও চালু হওয়ার ফলে ঘরে বসেই কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের টেলিভিশন ও রেডিও চ্যানেলের অনুষ্ঠান দেখা যায়।
  • VOIP মাধ্যমে প্রচলিত ফোনের চাইতে খুব কম খরচে বিশ্বের যেকোনো জায়গায় কথা বলা যায়।
  • ইন্টারনেট ব্যবহার করেই ই-কমার্স এর সাহায্যে ঘরে বসেই পণ্য কেনা যায়।
  • সংবাদপত্র,পত্রপত্রিকার ইন্টারনেট সংস্করণ প্রকাশিত হবার ফলে ঘরে বসেই এখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পত্রপত্রিকা পড়া যায়।
  • মেসেঞ্জার, ইয়াহু, গুগল টক, স্কাইপি, হোয়াটসঅ্যাপ ইত্যাদি ইনস্ট্যান্ট ম্যাসেঞ্জারের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে বিশ্বের যেকোনো জায়গায় থাকা যে কোন ব্যক্তির সাথে টেক্সট, ভিডিও, অডিও ইত্যাদি শেয়ার করা যায়।
  • ঘরে বসেই বিশ্বের নামকরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষা গ্রহণ করা যায়।
  • ইন্টারনেটের মাধ্যমে অনলাইনে চিকিৎসা সেবা নেওয়া যায়।
  • গুগল ম্যাপস এর মাধ্যমে বিশ্বের যে কোন স্থানে স্যাটেলাইট মানচিত্র দেখে ওই স্থান সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায় এবং ওইসব স্থানের ছবি জুম করে বড় করে খুব কাছে থেকেও দেখা যায়।
  • ইন্টারনেট ব্যবহার করে পৃথিবীর যে কোন দেশে হোটেল, বিমান, ট্রেন, বাস ইত্যাদিতে সিট রিজার্ভেশন করা যায়।
  • এর মাধ্যমে ইলেকট্রনিক উপায়ে দ্রুত অর্থ স্থানান্তর করা যায়।
  • ঘরে বসেই অফিসের কাজ কিংবা গবেষণার কাজ করা যায়।
  • বিভিন্ন দেশ এবং তাদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানা যায়।
  • ক্লিক করে মুহূর্তেই যেকোন দেশের তথ্য জানা যায়।
  • ঘরে বসেই ইন্টারনেটের মাধ্যমে আউটসোর্সিং করে উপার্জন করা যায় ইত্যাদি।

ইন্টারনেটের অসুবিধা

ইন্টারনেটের যেমন সুবিধা রয়েছে তেমনই কিছু অসুবিধা রয়েছে। এগুলো হলো-

  • ইন্টারনেট হ্যাকিং কিনে তথ্য চুরি হওয়া।
  • মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করার মাধ্যমে বিশৃংখলা সৃষ্টি করতে পারে।
  • জনগণ কোনকিছু পড়ে এর সত্যতা যাচাই না করেই সত্য বলে গ্রহণ করতে পারে।
  • নেটে বেশি সময় দেওয়ার কারনে সত্যিকারের বন্ধুর চেয়ে ভার্চুয়াল বন্ধুর সংখ্যা বাড়তে পারে। এতে করে মানুষের মধ্যে বিচ্ছিন্নতা বৃদ্ধি পেতে পারে।
  • ব্যাংক ও বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের তথ্য চুরি করা। ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতি।
  • পর্নোগ্রাফির মাধ্যমে সামাজিক অবক্ষয়ের সৃষ্টি হয়।
  • সহজে সাংস্কৃতিক বিনিময়ের ফলে কোন দেশের নিজস্ব সংস্কৃতির বিলুপ্তি ঘটে।
  • প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা সৃষ্টি হয় ইত্যাদি।
Rate this post