পুরো বছরের মাঝে সর্বশ্রেষ্ঠ ও বরকতময় রাত হলো শবে কদর বা লাইলাতুল কদর। এ রাতে জীবন্ত মুজিজা মহাগ্রন্থ আল – কুরআন নাযিল হয়েছিল।

এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ তা’আলা সূরা কদরের ১-৫ নং আয়াতে বলেন – “নিশ্চয়ই আমি কুরআন নাজিল করেছি মাহাত্ম্যপূর্ণ রজনীতে। আপনি কি জানেন এ মহিমাময় রাত্রি কী? মহিমান্বিত নিশি সহস্র মাস অপেক্ষা উত্তম। সে রাত্রিতে ফেরেশতারা রুহুল কুদুস হজরত জিবরাইল (আ.) সমভিব্যাহারে অবতরণ করেন; তাদের প্রভু মহান আল্লাহর নির্দেশ ও অনুমতিক্রমে, সকল বিষয়ে শান্তির বার্তা নিয়ে। এই শান্তির ধারা চলতে থাকে উষা উদয় পর্যন্ত।” (সুরা কদর, আয়াত: ১-৫)

শবে কদর বা লাইলাতুল কদর কি?

লাইলাতুল কদর হলো আরবি শব্দ। আর লাইলাতুল কদরের ফারসি পরিভাষা হচ্ছে শবে কদর। কয়েকশো বছর মুঘল শাসন ও উপমহাদেশে ফারসি ছিল রাজকীয় ভাষা। আর এ কারণে ধর্ম, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও বিচার-আচারের অনেক ফারসি শব্দ আমাদের সংস্কৃতির সাথে মিশে গেছে।

উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় সালাতের পরিবর্তে নামাজ, সাওমের পরিবর্তে রোজা ইত্যাদি। তেমনি লাইলাতুল কদরের ফারসি পরিভাষা হলো শবে কদর। এগুলোই মানুষের কাছে বেশি পরিচিতি।

শব অর্থ হলো রাত আর লাইলাতুল শব্দের অর্থ হলো রাত / রজনী। কদর অর্থ হচ্ছে সম্মানিত রজনী বা মহিমান্বিত রজনী। অর্থাৎ লাইলাতুল কদরের অর্থ হলো সম্মানিত রজনী বা মহিমান্বিত রজনী।

তাছাড়া কদরের আরেক অর্থ হলো ভাগ্য, পরিমাণ, তাকদীর নির্ধারণ করা ইত্যাদি। এই রাতে পরবর্তী এক বছরের জন্য সব মানুষের বয়স, মৃত্যু, রিযিক ইত্যাদির পরিমাণ লাওহে মাহফুজ থেকে নির্দিষ্ট ফেরেশতাগণকে লিখে দেওয়া হয়। এ সম্পর্কে হজরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন, “এই কাজের জন্য চারজন ফেরেশতাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরা হলো –

  • হজরত ইসরাফিল (আ.)
  • হজরত মীকাঈল (আ.)
  • হজরত আজরাইল (আ.) ও
  • হজরত জিবরাইল (আ.)

রমজান মাস হলো পবিত্র আল-কুরআন নাযিলের মাস এবং কুরআন নাযিলের রাত হলো শবে কদর। এ রাতেই হেরা পর্বতের গুহায় মহান আল্লাহ তা’আলার পক্ষ থেকে হজরত জিবরাঈল (আঃ) এর মাধ্যমে বিশ্বনবী মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর প্রতি কুরআন অবতীর্ণের সূচনা হয়।

আল্লাহ তা’আলা বলেন, “রমজান মাস! যে মাসে কোরআন নাজিল হয়েছে মানবের দিশারি রূপে ও হিদায়াতের সুস্পষ্ট নিদর্শন হিসেবে।” (সুরা বাকারা, আয়াত- ১৮৫)

লাইলাতুল কদর / শবে কদরের রাত কবে এবং এ রাতের লক্ষণ

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “তোমরা রমজানের শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলোতে শবে কদর সন্ধান করো।”(মুসলিম)।

এ রাতগুলো হলো ২১, ২৩, ২৫, ২৭ ও ২৯। আরবিতে দিনের আগে রাত গণনা করা হয়। অর্থাৎ ২০, ২২, ২৪, ২৬ ও ২৮ রমজান দিবাগত রাত্রসমূহ।

যদিও ২৬ রমজান দিবাগত রাত অর্থাৎ ২৭ তারাবিহ রাতে লাইলাতুল কদর হয়ে থাকে বলে অনেকে এ রাতে ইবাদত বন্দেগিতে মশগুল থাকেন। আবার অনেকে ২১ রমজানের রাতকে কুরআন নাযিলের রাত মনে করে, সে রাতকেই লাইলাতুল কদর হিসেবে পালন করেন।

মোটকথা হলো রমজানের শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলোতে শবে কদর রয়েছে। এ রাতের বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য নিদর্শন রয়েছে। যে নির্দেশন / লক্ষণ দেখে সহজেই এ রাতকে চিহ্নিত করা যায়।

লাইলাতুল কদর রাতের লক্ষণ

  • এ রাতে পৃথিবীতে অধিক সংখ্যাক ফেরেশতারা আসা যাওয়া করে। তাদের আসা যাওয়ার কারণে সূর্য তাদের পাখার আড়ালে পড়ে যায়। এ কারণে কদরের রাতে সূর্যের তাপ কম থাকে।
  • রাতটি হয় আলোকোজ্জ্বল যা অন্য সব সাধারণ রাতে এত বেশি আলোকিত হয় না।
  • অন্ধকার জায়গা সহ প্রতিটি জায়গাকেই মনে হয় স্বর্গীয় আলোয় আলোকিত।
  • রমজানে যারা আল্লাহর নৈকট্য লাভে সামর্থ্য হয়েছে, তারা এ রাতে ফেরেশতাদের সালাম শুনতে পায়।
  • মহান আল্লাহ তা’আলা এ রাতে বান্দাদের সব দোয়া কবুল করেন।
  • পবিত্র এ রাতের শেষদিকে হালকা রহমতের বৃষ্টি বর্ষিত হয়।

আল্লামা ইবনে হাজার আসকালানি বলেন-

  •  এ রাতের একটি বিশেষ নিদর্শন হলো- সৃষ্টি জীবের প্রতিটি বস্তুকেই সেজদারত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়।

এ রাতের সুস্পষ্ট নির্দশন হলো- লাইলাতুল কদরের রাতের ইবাদতে মুমিন মুসলমান তাদের অন্তরে অন্যরমক একটা প্রশান্তি লাভ করে। বিশেষ করে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতে তারা খুব আনন্দ পায়।

লাইলাতুল কদর বা শবে কদরের নামাজের নিয়ম

রমজান মাসের শেষ দশ দিনের যেকোন বিজোড় রাত শবে-কদর। তবে সাধারণভাবে ২৭ রমজানের রাতকেই শবে-কদর বলে ধরা হয়। এই রাতের কোন এক সময় পৃথিবীর সকল অচেতন পদার্থ, বৃক্ষ-লতা ইত্যাদি আল্লাহ্‌র উদ্দেশ্যে সিজদাহ্‌ করে থাকে। এই রাতে ফেরেশতাগণ পৃথিবীতে এসে মানুষের ইবাদত পর্যবেক্ষণ করেন এবং তাদের শান্তি কামনা করেন। তাই এই রাতে জেগে থেকে কুরআন তিলাওয়াত, নফল নামাজ, দোয়া-দুরূদ, জিকির ইত্যাদি ইবাদত বেশি করে করা প্রত্যেক মুসলমানের একান্ত কর্তব্য।

এ রাতে নামাজ পড়ার বিশেষ কোন পদ্ধতি নেই। কদরের রাতে দুই রাকআত করে নামাজ যত ভালো ও মনোযোগ সহকারে পড়া যায় ততই ভালো। নির্দিষ্ট কোন রাকআত নেই। যত ইচ্ছে নফল নামাজ পড়া যায়। প্রত্যেক রাকআতে সূরা ফাতিহার পর একবার সূরা কদর ও তিনবার সূরা ইখ্‌লাস পড়তে হয়।

তাছাড়া লোকমুখে প্রচলিত আছে যে, বিশেষ কোন সূরা পড়তে হবে। এর কোন ভিত্তি নেই। এছাড়া এ রাতে বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত করবেন, বেশি বেশি দোয়া পড়বেন, ইস্তেগফার পড়বেন, তওবা করবেন।

শবে কদর কত রাকাত?

শবে কদরের নির্দিষ্ট কোন রাকআত নেই। নফল নামাজ নূন্যতম ১২ রাকাআত থেকে যত বেশি সম্ভব পড়া যেতে পারে। তাই যত বেশি পড়া সম্ভব পড়বেন এবং বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত করবেন। কারণ এ নামাজ সর্বশ্রেষ্ঠ নফল নামাজ। আর এ রাতের দোয়া কবুল হয়।

লাইলাতুল কদর / শবে কদরের নামাজের নিয়ত

নিয়তঃ নাওয়াইতু আন্‌ উছাল্লিয়া লিল্লাহি তা’য়ালা রাকআতাই সালাতিল লাইলাতিল কাদ্‌রি নফ্‌লে মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ শারীফাতি- আল্লাহু আকবর।

বাংলা অর্থ: আমি কিবলামুখী হয়ে আল্লাহ তা’আলার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য শবে কদরের দুই রাকআত নফল নামাজ পড়ার নিয়ত করলাম- আল্লাহু আকবর।

লাইলাতুল কদর নামাজের দোয়া

নামাজ শেষে নিচের দোয়াটি কমপক্ষে একশত বার পড়া উত্তম:

“সুব্‌হানাল্লাহি ওয়াল হাম্‌দু লিল্লাহি ওয়া লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবর, লা হা’ওলা কুয়্যাতা ইল্লাবিল্লাহিল্‌ আলীয়্যিল আযীম”।

তাছাড়া হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে জিজ্ঞেস করলেন, ‘ইয়া রাসুলাল্লাহ, শবে কদরের রাতে আমার কোন দোয়াটি পড়া উচিত?’ তিনি তাঁকে পড়ার জন্য নির্দেশ দিলেন-‘আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফাফু আন্নি।’

অর্থঃ অর্থাৎ ‘হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল এবং ক্ষমা করতে ভালোবাসেন। তাই আমাকে ক্ষমা করুন।’ (সুনানে ইবনে মাজা)।

শবে কদরের ফজিলত

কদর রাতে পবিত্র কুরআন নাযিল হয়। তাই এ রাতের ফজিলত অনেক।

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি ইমানের সঙ্গে সওয়াবের নিয়তে কদরের রাতে ইবাদত করবে; তার অতীতের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।’ (বুখারি শরিফ, ইমান অধ্যায়, পরিচ্ছেদ: ২৫, খণ্ড: ১, পৃষ্ঠা: ২৯-৩০, হাদিস: ৩৪; ই. ফা.)।

এই রাতে সূর্যাস্তের পর আল্লাহ তাআলা প্রথম আসমানে অবতরণ করে বান্দাদের ডেকে ডেকে বলেন, ‘কে আছ অসুস্থ আমার কাছে চাও আমি শেফা দান করব, কে আছ অভাবগ্রস্ত আমার কাছে চাও আমি প্রাচুর্য দান করব, কে আছ বিপদগ্রস্ত আমার কাছে চাও আমি বিপদমুক্ত করে দেব।’

লাইলাতুল কদর পাওয়ার জন্য নবীজি (সা.) শেষের ১০ দিন ইতিকাফ করতেন।

হজরত আয়িশা (রা.) বলেন, “ওফাতের আগ পর্যন্ত প্রত্যেক রমজানের শেষের ১০ দিন রাসুল (সা.) ইতিকাফ করতেন।” (বুখারি: ২৩২৬, মুসলিম: ১১৭২)

“কিন্তু তিনি যে বছর ওফাত পান, সে বছর ২০ দিন ইতিকাফ করেন।” (বুখারি: ৪৯৯৮)। ‘রাসুল (সা.)–এর ওফাতের পরও তাঁর স্ত্রীগণ ইতিকাফ করতেন।’ (বুখারি: ২০২৬, তিরমিজি: ৭৯০)

আল্লাহ তাআলা বলেন,

إِنَّآ أَنزَلۡنَٰهُ فِي لَيۡلَةِ ٱلۡقَدۡرِ

অর্থঃ “নিশ্চয় আমি এটি নাযিল করেছি ‘লাইলাতুল কদরে।” [ সূরা আল কদর]

আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,‘লায়লাতুল কদর হলো সাতাশ তারিখ অথবা ঊনত্রিশ তারিখের রাত, আর ফেরেশতাগণ এ রাতে পৃথিবীতে কঙ্করের সংখ্যা থেকেও বেশি থাকেন।’

মাসজিদ আল-হারামের ইমাম শাইখ মাহির রমজানের শেষ দশ দিনের জন্য চমৎকার এক আমলের ফর্মুলা দিয়েছেন। এগুলো হলো –

১. প্রতিদিন এক দিরহাম (এক টাকা) দান করুন, যদি দিনটি লাইলাতুল ক্বদরের মাঝে পড়ে, তবে আপনি ৮৪ বছর বা ১০০০ মাস পর্যন্ত প্রতিদিন এক টাকা দান করার সাওয়াব পাবেন।

২. প্রতিদিন দুই রাকা’আত নফল সালাত আদায় করুন, যদি দিনটি লাইলাতুল ক্বদরের মাঝে পড়ে, তবে আপনি ৮৪ বছর পর্যন্ত প্রতিদিন দুই রাকা’আত নফল সালাত আদায় করার সাওয়াব পাবেন।

৩. প্রতিদিন তিনবার সূরা ইখলাস পাঠ করুন, যদি দিনটি লাইলাতুল ক্বদরের মাঝে পড়ে, তবে আপনি ৮৪ বছর পর্যন্ত প্রতিদিন এক খতম ক্বুর’আন পাঠের সাওয়াব পাবেন।

তিনি আরো বলেন, এ কথাগুলো মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিন, যারা আপনার এ কথা শুনে আমল করবে, আপনিও তাদের আমলের সমপরিমাণ সাওয়াব পাবেন ইনশাআল্লাহ্। কারণ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “ভালো কাজের পথপ্রদর্শনকারী আমলকারীর সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে, কিন্তু আমলকারীর সাওয়াবে কোনো ঘাটতি হবে না।” (মুসলিম, ২৬৭৪)

সুতরাং এ থেকেই দেখা যাচ্ছে লাইলাতুল কদরের রাত কতটা ফজিলতপূর্ণ। আল্লাহ্ সবাইকে বেশি বেশি আমল করার তৌফিক দান করুন। আমিন।

শবে কদরের আমল

শবে কদরের আমল হলো:

১. নফল নামাজঃ

  • তাহিয়্যাতুল অজু
  • দুখুলিল মাসজিদ
  • আউওয়াবিন
  • তাহাজ্জুদ
  • সালাতুত তাসবিহ
  • তাওবার নামাজ
  • সালাতুল হাজাত
  • সালাতুশ শোকর ও অন্যান্য নফল ইত্যাদি পড়া।

২. নামাজে কিরাত ও রুকু-সেজদা দীর্ঘ করা

৩. কুরআন শরিফ তিলাওয়াত করাঃ

  • সুরা কদর
  • সুরা দুখান
  • সুরা মুয্যাম্মিল
  • সুরা মুদ্দাচ্ছির
  • ইয়া-সিন
  • সুরা ত্ব-হা
  • সুরা আর রহমান ও অন্যান্য ফজিলতের সুরাসমূহ তিলাওয়াত করা

৪. দরুদ শরিফ বেশি বেশি পড়া

৫. তাওবা-ইস্তিগফার অধিক পরিমাণে করা

৬. দোয়া-কালাম, তাসবিহ-তাহলিল, জিকির-আজকার ইত্যাদি করা

৭. কবর জিয়ারত করা

৮. নিজের জন্য, পিতা-মাতার জন্য, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব ও সব মোমিন মুসলমানের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনায় দোয়া করা ইত্যাদি।

সূরা কদর

সূরা কদর পবিত্র কুরআনের ৯৭ নং সূরা। এটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়। এ সূরার আয়াত সংখ্যা হলো ৫ টি। নিম্নে সূরাটি দেওয়া হলো

بِسمِ اللَّهِ الرَّحمٰنِ الرَّحيمِ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু

[1] إِنّا أَنزَلنٰهُ فى لَيلَةِ القَدرِ
[1] ইন্না আনযালনাহু ফী লাইলাতিল কাদরি
[1] আমি একে নাযিল করেছি শবে-কদরে।

[2] وَما أَدرىٰكَ ما لَيلَةُ القَدرِ
[2] ওয়ামা আদরাকা মা লাইলাতুল কাদরি
[2] শবে-কদর সমন্ধে আপনি কি জানেন?

[3] لَيلَةُ القَدرِ خَيرٌ مِن أَلفِ شَهرٍ
[3] লাইলাতুল কাদরি খাইরুম মিন আলফি শাহর
[3] শবে-কদর হল এক হাজার মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।

[4] تَنَزَّلُ المَلٰئِكَةُ وَالرّوحُ فيها بِإِذنِ رَبِّهِم مِن كُلِّ أَمرٍ
[4] তানাযযালুল মালাইকাতু ওয়াররূহ, ফিহা বিইযনি রাব্বিহিম মিন কুল্লি আমরিন
[4] এতে প্রত্যেক কাজের জন্যে ফেরেশতাগণ ও রূহ অবতীর্ণ হয় তাদের পালনকর্তার নির্দেশক্রমে।

[5] سَلٰمٌ هِىَ حَتّىٰ مَطلَعِ الفَجرِ
[5] সালামুন হিয়া হাত্তা মাতলাইল ফাজর
[5] এটা নিরাপত্তা, যা ফজরের উদয় পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x