b

SAARC একটি  আঞ্চলিক সংস্থা।  SAARC শব্দটির পূর্ণরূপ হলো South Asian Association for Regional Co-operation।

সার্ক গঠনের উদ্দেশ্য
সার্ক গঠনের উদ্দেশ্যগুলো নিম্নরূপঃ

পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার উন্নয়নশীল দেশগুলোর দারিদ্র্য, নিরক্ষরতা, অপুষ্টি, জনসংখ্যার আধিক্য, প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রভৃতি সমস্যা দূরীকরণ ও পারস্পরিক উন্নয়নের লক্ষ্যকে এগিয়ে নিতে সার্ক গঠিত হয়। এছাড়াও সার্ক গঠনের আরও কতগুলো সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য রয়েছে। এগুলো নিচে তুলে ধরা হলো–
১. জনগণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন: সার্কভুক্ত দেশগুলোর অধিকাংশ মানুষ দরিদ্র। দরিদ্র মানুষের জীবনের মানও কম। তাই দারিদ্র্য দূরীকরণের মাধ্যমে এসব দেশের জনগণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন করা।
২. যৌথ কার্যক্রমের সূচনা: সদস্য আটটি দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, প্রযুক্তিগত এবং বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির জন্যে যৌথভাবে কার্যক্রম স্থির ও রূপায়ণ করা।
৩. জাতীয়ভাবে আত্মনির্ভরশীল করা: দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে জাতীয়ভাবে আত্মনির্ভরশীল করে তোলার জন্যে সমন্বিত উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ এবং তা বাস্তবায়ন করা।
৪. পারস্পরিক সহযোগিতা: সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সুসম্পর্ক স্থাপন করে সহযোগিতার ক্ষেত্রকে প্রসারিত করা।
৫. আস্থা ও সমঝোতা বৃদ্ধি: আটটি দেশের মধ্যে বিদ্যমান সমস্যা ও ভুল বোঝাবুঝি দূর করার লক্ষ্যে পারস্পরিক আস্থা গড়ে তোলা এবং সকলের সমস্যা উপলব্ধির মাধ্যমে সমঝোতা বৃদ্ধি করা।
৬. আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা: বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার (যেমন- জাতিসংঘ, কমনওয়েলথ) সাথে সহযোগিতার সম্পর্ক স্থাপন করা।
৭. অন্যান্য আঞ্চলিক সংস্থার সাথে সহযোগিতা: অন্যান্য আঞ্চলিক সংস্থার সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন করে সার্কের লক্ষ্য বাস্তবায়নে উদ্যোগী হওয়া।
৮. সার্বভৌমত্ব ও সংহতি বিধান: সার্ক সনদে উল্লেখ করা হয় যে, সার্কভুক্ত দেশগুলো পারস্পরিক সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা এবং রাজনৈতিক স্বাধীনতা মেনে চলবে।
৯. অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা: সার্কভুক্ত দেশগুলোর একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x