রাউটার (Router) একটি বুদ্ধিমান ইন্টারনেটওয়ার্ক ডিভাইস, যা লজিক্যাল এবং ফিজিক্যাল এড্রেস ব্যবহার করে দুই বা ততোধিক নেটওয়ার্ক সেগমেন্টের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানের ব্যবস্থা করে। রাউটার উৎস কম্পিউটার থেকে গন্তব্য কম্পিউটারে ডেটা প্যাকেট (ডেটার সমষ্টি) পৌঁছে দেয়। রাউটার বিভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন, ইথারনেট, টোকেন, রিং ইত্যাদিকে সংযুক্ত করতে পারে।

রাউটারের প্রকারভেদ (Types of Router)
জনপ্রিয় ও প্রচলিত রাউটারের কয়েকটি প্রকার হলো –

  • Broadband Routers (Wires router)
  • Wireless Router ( Wi-Fi routers)
  • Core Routers
  • Edge Routers
  • Inter provider broder routers

রাউটারের ব্যবহার (Use of Router)
রাউটার ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়। ছোট ছোট নেটওয়ার্ক রাউটারের মাধ্যমে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়। রাউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে একাধিক পথ সৃষ্টি করে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন ইথারনেট, টোকেন, রিং কে সংযুক্ত করতে পারে। রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

রাউটারের সুবিধা (Advantages of Router)
১। ডেটা ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে বাধার সম্ভাবনা কমায়।
২। ডেটা ফিল্টারিং সম্ভব হয়।
৩। বিভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন ইথারনেট, টোকেন, রিং ইত্যাদিকে সংযুক্ত করতে পারে।

রাউটারের অসুবিধা (Disadvantages of Router)
১। রাউটারের দাম বেশি।
২। রাউটার একই প্রোটকল নেটওয়ার্ক ছাড়া সংযুক্ত হতে পারে না।
৩। কনফিগারেশন তুলনামূলক জটিল।
৪। ধীরগতিসম্পন্ন।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x