কমিউনিকেশন সিস্টেম ৪ প্রকার যথাঃ
ক) বায়োলজিক্যাল কমিউনিকেশন (Biological communication)।
খ) গ্রাফিক্যাল কমিউনিকেশন (Graphical communication)।
গ) ওয়েভ কমিউনিকেশন (Wave Communication)।
ঘ) টেলিকমিউনিকেশন (Telecommunication)।

বায়োলজিক্যাল কমিউনিকেশন (Biological communication) : সকল ধরনের কমিউনিকেশন যেখানে শরীরের বিভিন্ন অংশ দ্বারা করা হয় তাকে বায়োলজিক্যাল কমিউনিকেশন বলে। যেমনঃ মস্তিস্ক, স্বরযন্ত্র, কান, বাহু, এবং হাত ইত্যাদি।

গ্রাফিক্যাল কমিউনিকেশন (Graphical communication) : সকল ধরনের কমিউনিকেশন যেখানে ছবি ও চিহ্নের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয় তাকে গ্রাফিক্যাল কমিউনিকেশন বলে। যেমনঃ ছবি এনিমেশন ভিডিও ইত্যাদি।

ওয়েভ কমিউনিকেশন (Wave Communication) : সকল ধরনের কমিউনিকেশন যা মেসেজকে একটি শক্তির উৎস দ্বারা বহন করে প্রকাশ করাকে ওয়েভ কমিউনিকেশন বলে। যেমনঃ বায়ু, পানি, মহাশূন্য ইত্যাদি।

টেলিকমিউনিকেশন (Telecommunication) : দূরবর্তী স্থানে যোগাযোগের পদ্ধতিকে টেলিকমিউনিকেশন বলে। যেমনঃ টেলিফোন, মোবাইল ফোন, টেলিভিশন, রেডিও ইত্যাদি।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x