ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (Wide Area Network)-কে সংক্ষেপে ওয়ান (WAN) বলা হয়। ওয়ান বা ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক হচ্ছে কতগুলো কম্পিউটার বা ল্যানের নেটওয়ার্ক যারা বিভিন্ন দূরত্বে অবস্থিত নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা। এর একটি উদাহরণ হলো ইন্টারনেট। কারণ ISP ব্যবহার করে এটি ছোট ছোট স্থানীয় নেটওয়ার্ক বা মেট্রো এলাকা নেটওয়ার্কের সংযোগ স্থাপন করে।

এটি এমন একটি নেটওয়ার্ক যা বিস্তৃত ভৌগোলিক এলাকা যেমন– শহর, রাজ্য বা দেশ জুড়ে অবস্থিত। এটি ব্যবসার অংশগুলো যুক্ত করতে ব্যক্তিগত হতে পারে বা ছোট নেটওয়ার্কগুলো একসাথে যুক্ত করতে আরও বেশি জনসাধারণ হতে পারে।

এ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ই-মেইল আদান-প্রদান করা, বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করা, ফাইল ডাউনলোড, অনলাইন শপিং ইত্যাদি করা যায়। এর আওতায় কম্পিউটারগুলো কেবল একটি শহরে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে অথবা এগুলো বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়েও ছিটিয়ে থাকতে পারে। তবে ওয়ানের পুরো বিষয়টি নির্ভর করছে ফিজিক্যাল লাইন, ফাইবার অপটিক ক্যাবল, স্যাটেলাইট ট্রান্সমিশন এবং মাইক্রোওয়েভ ট্রান্সমিশনের উপর।

ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্য/সুবিধা (Characteristics/Advantages of Wide Area Network)

ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কের সুবিধা হলো–

  • পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে ইমেইল প্রেরণ করা যায়।
  • অনলাইন শপিং করা যায়।
  • ক্লাউড কম্পিউটিং সুবিধা পাওয়া যায়।
  • বিভিন্ন তথ্য, পত্র-পত্রিক, বই, চলচ্চিত্র প্রভৃতি সংগ্রহ ও ব্যবহার করা যায়।
  • ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগতভাবে বুলেটিন বোর্ড গঠন করা যায।
  • অল্প খরচে পৃথিবীর যে কোনো স্থানে ভয়েজ ও ভিডিও যোগাযোগ করা যায়।
  • সমগ্র নেটওয়ার্ক বিশ্বকে টেবিলে বসে প্রত্যক্ষ করা যায় ইত্যাদি।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x