প্রশ্ন-১। শ্রেণীবিন্যাস কি?
উত্তরঃ শ্রেণীবিন্যাস হল বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে উদ্ভিদজগতকে বিভিন্ন দলে ভাগ করা।

প্রশ্ন-২। হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয় কেন?
উত্তরঃ হাইড্রার দেহ দুটি ভ্রুণীয় কোষস্তর দ্বারা গঠিত। দেহের বাইরের দিকের স্তরটি অ্যাক্টোডার্ম ও ভেতরের স্তরটি অ্যান্ডোডার্ম। এ জন্য হাইড্রাকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলা হয়।

প্রশ্ন-৩। তারা মাছকে অরীয় প্রতিসম প্রাণী বলা হয় কেন?
উত্তরঃ তারা মাছের দেহের কেন্দ্রীয় অক্ষ বরাবর একাধিকবার সমান দুই অংশে ভাগ করা যায়। এ জন্য তারা মাছকে অরীয় প্রতিসম প্রাণী বলা হয়।

প্রশ্ন-৪। গোলকৃমি কেন নেমাটোডা পর্বের প্রাণী?
উত্তরঃ গোলকৃমি নলাকার ও পুরু ত্বক দ্বারা আবৃত। এদের শ্বসনতন্ত্র ও সংবহনতন্ত্র নেই। এরা এক লিঙ্গ। এদের দেহগহ্বর অনাবৃত ও প্রকৃত সিলোম নেই। এ জন্য গোলকৃমি নেমাটোডা পর্বের প্রাণী।

প্রশ্ন-৫। মানবদেহে নটোকর্ডের অবস্থান- ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃ মানুষ কর্ডাটা পর্বের ভার্টিব্রাটা উপপর্বের ম্যামালিয়া শ্রেণির প্রাণী। মানুষের দেহে নটোকর্ড আছে। নটোকর্ড হলো একটি নরম, নমনীয়, দণ্ডাকার, অখণ্ডায়িত অঙ্গ।
মানবদেহে নটোকর্ড শুধু ভ্রুণীয় অবস্থায় পৃষ্ঠীয় রেখা বরাবর অবস্থান করে। পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় এটি মেরুদণ্ডে পরিণত হয়।

প্রশ্ন-৬। দ্বিপদ নামকরণ বা বৈজ্ঞানিক নাম বলতে কী বোঝায়?
উত্তরঃ একটি জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দুই অংশ বা পদবিশিষ্ট হয়। এই নামকরণকে দ্বিপদ নামকরণ বা বৈজ্ঞানিক নামকরণ বলে। বৈজ্ঞানিক নাম ল্যাটিন বা ইংরেজি ভাষায় লিখতে হয়। যেমন মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম Homo sapiens।

প্রশ্ন-৭। পরিফেরা স্পঞ্জ নামে পরিচিত কেন?
উত্তরঃ বহুকোষী প্রাণীদের মধ্যে পরিফেরা পর্বের প্রাণীরা সরলতম প্রকৃতির। এদের দেহপ্রাচীর অসংখ্য ছিদ্রযুক্ত। এই ছিদ্রপথে পানির সঙ্গে অক্সিজেন ও খাদ্যবস্তু প্রবেশ করে। এদের কোনো পৃথক সুগঠিত কলা, অঙ্গ ও তন্ত্র থাকে না। এ জন্য পরিফেরা স্পঞ্জ নামে পরিচিত।

প্রশ্ন-৮। ইমাস্কুলেশন বলতে কি বুঝ- ব্যাখ্যা কর।
উত্তরঃ স্বপরাগায়ন রোধ করার উদ্দেশ্য উভলিঙ্গ পুষ্পের পরাগায়নের পূর্বেই পুংকেশর সরিয়ে নেয়ার পদ্ধিকে ইমাস্কুলেশন বলে। মূলত সংকরায়নের মাধ্যমে উন্নত জাত তৈরীর জন্যই এ প্রক্রিয়া।

প্রশ্ন-৯। বিপাক কী?
উত্তরঃ যে প্রক্রিয়ায় খাদ্যদ্রব্যের পরিপাক ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তাই বিপাক।

প্রশ্ন-১০। কোষ পর্যবেক্ষণ করতে কোনটির প্রয়োজন?
উত্তরঃ কোষ পর্যবেক্ষণ করতে অনুবীক্ষণ যন্ত্রের প্রয়োজন।

প্রশ্ন-১১। অ্যামাইটোসিস প্রক্রিয়া কোনটিতে ঘটে?
উত্তরঃ অ্যামাইটোসিস প্রক্রিয়া এককোষী জীবের ক্ষেত্রে ঘটে।

প্রশ্ন-১২। মাইটোসিস কোষ বিভাজন কয় পর্যায়ে ঘটে?
উত্তরঃ মাইটোসিস কোষ বিভাজন ৫ পর্যায়ে ঘটে।

প্রশ্ন-১৩। প্রোফেজ পর্যায়ে কী ঘটে?
উত্তরঃ প্রোফেজ পর্যায়ে পানির হ্রাস ঘটে।

প্রশ্ন-১৪। একটি পরিণত নিউরনের কতটি অংশ?
উত্তরঃ একটি পরিণত নিউরনের তিনটি অংশ।

প্রশ্ন-১৫। মেলানিন খুব বেশি পরিমাণ থাকলে গায়ের রং কেমন হয়?
উত্তরঃ মেলানিন খুব বেশি পরিমাণ থাকলে গায়ের রং কালো হয়।

প্রশ্ন-১৬। কেভলিয়ার স্মিথ জীবজগতকে মোট কয়টি রাজ্যে ভাগ করেছেন?
উত্তরঃ কেভলিয়ার স্মিথ জীবজগতকে মোট ৬ টি রাজ্যে ভাগ করেছেন।

প্রশ্ন-১৭। কোন রাজ্যের জীবকোষে নিউক্লিওলাস নেই?
উত্তরঃ মনেরা রাজ্যের জীবকোষে নিউক্লিওলাস নেই।

প্রশ্ন-১৮। কোনটির দ্বি-বিভাজন পদ্ধতিতে কোষ বিভাজন হয়?
উত্তরঃ ব্যাকটেরিয়া দ্বি-বিভাজন পদ্ধতিতে কোষ বিভাজন হয়।

প্রশ্ন-১৯। মনেরা রাজ্যের জীবে কোন অঙ্গাণু উপস্থিত থাকে?
উত্তরঃ মনেরা রাজ্যের জীবে উপস্থিত থাকে রাইবোজোম।

প্রশ্ন-২০। কোন রাজ্যের জীবকোষে নিউক্লিয়ার পর্দা নেই?
উত্তরঃ মনেরা রাজ্যের জীবকোষে নিউক্লিয়ার পর্দা নেই

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x