b

প্রশ্ন-১। Hydra কী?

উত্তরঃ Hydra একটি Cnidaria পর্বের প্রাণী।

প্রশ্ন-২। দ্বিস্তর বিশিষ্ট প্রাণী কাকে বলে?

উত্তরঃ যেসব প্রাণীর ভ্রূণের দেহ দুটি স্তরে বিন্যস্ত তাদের দ্বিস্তর বিশিষ্ট প্রাণী বলে। যেমন- Hydra.

প্রশ্ন-৩। নিডোসাইটের অংশগুলো কি কি?

উত্তরঃ নিডোসাইটের অংশগুলো হলো- আবরণ, নেমাটোসিস্ট, নিডোসিল, পেশি ও অপারকুলাম।

প্রশ্ন-৪। নেমাটোসিস্ট কাকে বলে?

উত্তরঃ নিডোসাইটের অভ্যন্তরে অবস্থিত হিপ্নোটক্সিন নামক বিষাক্ত তরলে পূর্ণ এবং একটি লম্বা, সরু, ফাঁপা ও প্যাঁচানো সুতাযুক্ত স্থূল প্রাচীরের ক্যাপসুলকে নেমাটোসিস্ট বলে।

প্রশ্ন-৫। মেসোগ্লিয়া কী?

উত্তরঃ Cnidaria জাতীয় প্রাণিদের এপিডার্মিস ও গ্যাস্ট্রোডার্মিসের মাঝখানে অবস্থিত ০.১৩–৫mu ব্যাসবিশিষ্ট, জেলীর মতো আঠালো, স্থিতিস্থাপক, পাতলা, বর্ণহীন এবং উভয় কোষস্তর-নিঃসৃত অকোষীয় স্তরটির নাম মেসোগ্লিয়া। এতে স্নায়ুতন্ত্র আড়াআড়িভাবে অবস্থান করে।

প্রশ্ন-৬। মিথোজীবিতা বলতে কী বুঝ?

উত্তরঃ যখন দুটি ভিন্ন প্রজাতিভুক্ত জীব ঘনিষ্ঠভাবে সহাবস্থানের ফলে পরস্পরের কাছে থেকে উপকৃত হয়, তখন এ ধরনের সাহচর্যকে মিথোজীবিতা বলে। এ অবস্থায় জীবদুটিকে মিথোজীবী বলা হয়। Chlorohydra viridissima নামক সবুজ হাইড্রা ও Zoochlorella নামক শৈবাল এর মধ্যে এ সম্পর্ক সুস্পষ্ট প্রতিফলিত হতে দেখা যায়।

প্রশ্ন-৭। রূপান্তর বলতে কী বুঝ?

উত্তরঃ একটি ভ্রূণের পূর্ণাঙ্গ দশা প্রাপ্তি কয়েকটি পর্যায়ক্রমিক পরিবর্তনীয় ধাপের মাধ্যমে ঘটে তখন এ ধরনের ভ্রূণোত্তর পরিস্ফুটনকে রূপান্তর বলে। রূপান্তর প্রধানত নিচে বর্ণিত দুধরনের–

 

  • অসম্পূর্ণ রূপান্তর (Incomplete metamorphosis) : আকার, বর্ণ, ডানা ও জনন অঙ্গ ছাড়া যে রূপান্তরে অপরিণত অবস্থায় কোন প্রাণী পূর্ণাঙ্গ প্রাণীর মত দেখায় এবং বয়োবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে কেবল অঙ্গ প্রত্যঙ্গ সুগঠিত হয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রাণীতে রূপ নেয়, এ ধরনের রূপান্তরকে অসম্পূর্ণ রূপান্তর বলে। অসম্পূর্ণ রূপান্তরে শিশু অবস্থায় প্রাণীকে নিম্ফ (nymph) বলা হয়। উদাহরণ- তেলাপোকা ও ঘাসফড়িং এর রূপান্তর।
  • সম্পূর্ণ রূপান্তর (Complete metamorphosis) : যে রূপান্তরে শিশু অবস্থায় প্রাণী ও পূর্ণাঙ্গ প্রাণীর মধ্যে কোনো আঙ্গিক মিল থাকে না এবং ব্যাপক পরিবর্তনের মাধ্যমে শিশু প্রাণী পূর্ণাঙ্গ অবস্থাপ্রাপ্ত হয়, সেধরনের রূপান্তরকে সম্পূর্ণ রূপান্তর বলে। সম্পূর্ণ রূপান্তরে শিশু অবস্থায় প্রাণীকে লার্ভা বলে। উদাহরণঃ মৌমাছি, প্রজাপতি প্রভৃতি পতঙ্গের রূপান্তর।

 

প্রশ্ন-৮। হাইড্রার শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য কী কী?

উত্তরঃ হাইড্রার শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য নিম্নে তুলে ধরা হলোঃ

 

  • দেহ নলাকার; একপ্রান্ত খোলা ও অন্যপ্রান্ত বদ্ধ।
  • মুক্তপ্রান্তে অবস্থিত মোচাকার হাইপোস্টোমের চূড়ায় মুখছিদ্র অবস্থিত।
  • হাইপোস্টোমকে ঘিরে কয়েকটি সুতাকৃতি কর্ষিকা রয়েছে।
  • দেহের বদ্ধ (নিম্ন) প্রান্তে গোলাকার পাদচাকৃতি অবস্থিত।
  • দেহে এক বা একাধিক শিশু Hydra বা মুকুল থাকে।

প্রশ্ন-৯। হাইড্রা ও ওবেলিয়ার মধ্যে পার্থক্য কি?

উত্তরঃ হাইড্রা ও ওবেলিয়ার মধ্যে পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো–
i. হাইড্রা আকারে ছোট। অপরদিকে, ওবেলিয়া আকারে বড়।
ii. হাইড্রা মিঠা পানিতে বাস করে। পক্ষান্তরে ওবেলিয়া মিঠা ও লোনা পানিতে বাস করে।
iii. হাইড্রার জীবনচক্রে পলিপ ও মেডুসা থাকে না। কিন্তু ওবেলিয়ার জীবনচক্রে পলিপ ও মেডুসা থাকে।
iv. হাইড্রার জীবনচক্র সহজতম। অপরদিকে ওবেলিয়ার জীবনচক্র অপেক্ষাকৃত জটিল।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x