b
সারকোলেমা
উত্তরঃ পেশিতন্তুর আবরণই হলো সারকোলেমা।
চলন কাকে বলে?
উত্তরঃ যে প্রক্রিয়ায় জীবদেহ জৈবিক প্রয়োজনে নিজ প্রচেষ্টায় স্থানান্তরিত হয় তাকে চলন বলে।
লিগামেন্ট কী দিয়ে তৈরি?
উত্তরঃ লিগামেন্ট শ্বেততন্তু ও পীততন্তু দিয়ে তৈরি।
টেনডন কী?
উত্তরঃ মাংসপেশির যে প্রান্তভাগ রজ্জর মতো শক্ত হয়ে অস্থিগাত্রের সাথে সংযুক্ত হয় সে শক্ত প্রান্তই হলো টেনডন।
অস্টিওপোরোসিস বলতে কি বুঝায়?
উত্তরঃ অস্টিওপোরোসিস হলো অস্থি সম্পর্কিত একটি রোগ। সাধারণত বয়স্ক পুরুষ ও মহিলাদের এ রোগটি হয়। বহুদিন যাবত স্টেরয়েডযুক্ত ঔষধ সেবন, মহিলাদের মেনোপস হওয়ার পর, অলস জীবন-যাপন ও অনেক দিন যাবত আর্থ্রাইটিস রোগে ভুগলে এ রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
অস্থি বলতে কি বুঝায়?
উত্তরঃ অস্থি যোজক কলার রূপান্তরিত রূপ। এটি দেহের সর্বাপেক্ষা দৃঢ় কলা। অস্থির মাতৃকা এক প্রকার জৈব পদার্থ দ্বারা গঠিত। অস্থি মূলত ফসফরাস, সোডিয়াম, পটাশিয়াম ও ক্যালসিয়ামের বিভিন্ন যৌগ দিয়ে তৈরি। এছাড়া অস্থিতে প্রায় ৪০–৫০ ভাগ পানি থাকে।
সাইনোভিয়াল অস্থিসন্ধির বৈশিষ্ট্য কী কী?
উত্তরঃ সাইনোভিয়াল অস্থিসন্ধির বৈশিষ্ট্য হলোঃ
অস্থিসন্ধিকে দৃঢ়ভাবে আটকে রাখার জন্য অস্থিবন্ধনী বা লিগামেন্ট বেষ্টিত একটি মজবুত আবরণী বা ক্যাপসুল থাকে। অস্থিসন্ধিতে সাইনোভিয়াল রস ও তরুণাস্থি থাকাতে অস্থিতে অস্থিতে ঘর্ষণ ও তদজ্জনীত ক্ষয় হ্রাস পায় ও অস্থিসন্ধির নড়াচড়া করাতে কম শক্তি ব্যয় হয়।
কঙ্কালের চারটি কাজ উল্লেখ করো।
উত্তরঃ কঙ্কাল মানবদেহকে একটি নির্দিষ্ট আকার ও কাঠামো দান করে। পেশিসমূহ কঙ্কালের সাথে আটকে থাকে এবং দেহের ভারবহনে সম্পৃক্ত। হাত, পা, স্কন্ধচক্র ও শ্রোণিচক্র নড়াচড়ায় সাহায্য করে। অস্থিমজ্জা থেকে লোহিত রক্তকণিকা উৎপন্ন হয়া
অস্থি ও তরুণাস্থির মধ্যে পার্থক্য লিখ।
উত্তরঃ অস্থি ও তরুণাস্থির মধ্যে বেশ কিছু পার্থক্য লক্ষ করা যায়। নিচে এ পার্থক্যগুলো উল্লেখ করা হলোঃ
অস্থি
  • অস্থি দেহের সর্বাপেক্ষা দৃঢ় কলা।
  • অস্থি যোজক কলার রূপান্তরিত রূপ।
  • অস্থিকোষগুলো মাতৃকার মধ্যে ছড়ানো থাকে।
  • অস্থিকোষকে বলা হয় অস্টিওব্লাস্ট।
  • অস্থির কোষগুলো শাখা-প্রশাখাযুক্ত এবং দেখতে অনেকটা মাকড়সার মতো।
তরুণাস্থি
  • তরুণাস্থি অপেক্ষাকৃত নরম ও স্থিতিস্থাপক কলা।
  • তরুণাস্থি যোজক কলার ভিন্নরূপ।
  • তরুণাস্থির কোষগুলো মাতৃকার মধ্যে একক বা জোড়ায় জোড়ায় ঘনভাবে মাতৃকাতে বিস্তৃত থাকে।
  • তরুণাস্থির কোষকে বলা হয় কন্ড্রিওব্লাস্ট।
  • তরুণাস্থির কোষগুলো সাধারণত গোলাকার।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x