প্রশ্ন-১. ডেটা বা উপাত্ত কী?

উত্তর : তথ্যের ক্ষুদ্রতম একককে বলা হয় ডেটা বা উপাত্ত।

প্রশ্ন-২. তথ্য কী?

উত্তর : তথ্য হল কোন প্রেক্ষিতে সুশৃঙ্খলভাবে সাজানো ডেটা যা অর্থবহ এবং ব্যবহারযোগ্য।

প্রশ্ন-৩. ডিবিএমএস (DBMS) বলতে কী বোঝায়?

উত্তর : ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা DBMS হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা ডেটাবেজ তৈরি, পরিবর্তন, সংরক্ষণ, নিয়ন্ত্রণ এবং পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণঃ MySQL, SQL, MSAccess, Oracle  ইত্যাদি।

প্রশ্ন-৪. কুয়েরি কী?

উত্তর : ডেটাবেজে সংরক্ষিত অসংখ্য তথ্য থেকে নির্দিষ্ট কোনো শর্ত সাপেক্ষে তথ্য খুঁজে বের করাকে বলা হয় কুয়েরি। কুয়েরির সাহায্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের ডেটা, নির্দিষ্ট গ্রুপের ডেটা নির্দিষ্ট শর্ত অনুসারে প্রদর্শন করা যায়।

প্রশ্ন-৫. ডেটাবেজ কি?

উত্তর : Data শব্দের অর্থ হচ্ছে উপাত্ত এবং Base শব্দের অর্থ হচ্ছে সমাবেশ। শাব্দিক অর্থে ডেটাবেজ হচ্ছে কোনো বিষয়ের ওপর সম্পর্কিত ব্যাপক উপাত্তের সমাবেশ। অন্যভাবে বলা যায়, পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ফাইল বা টেবিল নিয়ে গঠিত হয় ডেটাবেজ।

প্রশ্ন-৬. DML কী?

উত্তর : DML এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Data Manipulation Language (DML)। এর সাহায্যে ডেটাবেজ টেবিলে ডেটা ইনসার্ট, আপডেট ও ডিলিট করা যায়।

প্রশ্ন-৭. অ্যাট্রিবিউট/ফিল্ড/কলাম কী?

উত্তর : কোনো একটি এনটিটি সেটের যে প্রোপার্টিজগুলো ঐ এনটিটির বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে এবং যার ওপর ভিত্তি করে উপাত্ত গ্রহণ, প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণ করা হয় তাকে অ্যাট্রিবিউট বলে। যেমন- Student একটি এনটিটি যার অ্যাট্রিবিউট হলো Id, Name ইত্যাদি। অ্যাট্রিবিউটকে ভিজুয়্যাল ডেটাবেজ প্রোগ্রামে সাধারণত ডেটা ফিল্ড বলে।

প্রশ্ন-৮. এনটিটি/রেকর্ড/টাপল/সারি কী?

উত্তর : পরস্পর সম্পর্কযুক্ত  একাধিক ফিল্ড নিয়ে গঠিত হয় এক একটি রেকর্ড।

প্রশ্ন-৯. এনটিটিসেট/টেবিল কী?

উত্তর : এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে টেবিল তৈরি হয়।

প্রশ্ন-১০. ডেটাবেজ এডমিনিস্ট্রেটর কী?

উত্তর : যে ব্যক্তি বা ব্যাক্তিবর্গের উপর ডেটাবেজের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অর্পিত থাকে সেই ব্যাক্তি বা ব্যক্তি বর্গকে ডেটাবেজ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর বলে। সংক্ষেপে বলা যায়, ডেটাবেজের সার্বিক দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যাক্তিকে ডেটাবেজ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর বলে। অ্যাডমিনিস্ট্রেটর ডেটাবেস তৈরি, পরিবর্তন, পরিবর্ধন এবং নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।

প্রশ্ন-১১. কুয়েরি ভাষা কী?

উত্তর : যে ভাষার সাহায্যে কুয়েরি করা হয় তাকে কুয়েরি ভাষা বলে। ডেটা ম্যানিপুলেশনের উপর ভিত্তি করে তিন ধরণের কুয়েরি ভাষা আছে।

প্রশ্ন-১২. SQL কী?

উত্তর : SQL এর পূর্ণ রূপ হলো Structured Query Language। SQLএকটি non-procedural বা Functional Language। কারণ SQL এ যে তথ্যাবলি দরকার কেবল তা বলে দিলেই হয়, কীভাবে কুয়েরি করা যাবে তা বলার দরকার হয় না।

প্রশ্ন-১৩. DDl কী?

উত্তর : DDl এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Data Definition Language (DDL)। এর সাহায্যে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডেটাবেজ ফাইল তৈরি, ডেটাবেজ ফাইল পরিবর্তন, ডেটাবেজ ফাইল ডিলিট, ডেটাবেজ অবজেক্ট (টেবিল, ভিউ, ইনডেক্স ইত্যাদি) তৈরি, পরিবর্তন এবং ডিলিট করা হয়।

প্রশ্ন-১৪. প্রাইমারি কি কাকে বলে?

উত্তর : কোনো ডেটাবেজ টেবিলের যে ফিল্ডের প্রতিটি ডেটা অদ্বিতীয় এবং যার মাধ্যমে এক বা একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে সম্পর্কযুক্ত ডেটাবেজ তৈরি করা যায় তাকে প্রাইমারি কী বলা হয়। টেবিল তৈরি করার সময়ই প্রাইমারি কী নির্ধারণ করতে হয়।

প্রশ্ন-১৫. ডেটা সর্টিং কী?

উত্তর : এক বা একাধিক ফিল্ড এর মানের উপর ভিত্তি করে ডেটাবেজের রেকর্ডগুলোকে উর্ধ্বক্রম বা নিম্নক্রমে সাজানোর প্রক্রিয়া হচ্ছে সর্টিং।

প্রশ্ন-১৬. ইনডেক্সিং কী?

উত্তর : ইনডেক্সিং হচ্ছে সুসজ্জিতভাবে বা সুবিন্যস্তভাবে তথ্যাবলির সূচি প্রণয়ন করা। ডেটাবেজ থেকে ব্যবহারকারি কোনো ডেটা যাতে তাড়াতাড়ি খুঁজে বের করতে পারে সেজন্য ডেটাকে একটি বিশেষ অর্ডারে সাজিয়ে ডেটাগুলোর একটা সূচি প্রণয়ন করা হয়। ডেটাবেজ টেবিলের রেকর্ড সমূহকে এরূপ কোনো লজিক্যাল অর্ডারে সাজিয়ে রাখাকেই ইনডেক্স বলে।

প্রশ্ন-১৭. RDBMS কী?

উত্তর : RDBMS এর পূর্ণনাম Relational Database Management System। RDBMS সাধারণত ডেটাবেজ ও ডেটাবেজ ব্যবহারীর মধ্যে সমন্বয়কারী সফটওয়্যার হিসেবে কাজ করে। এটি রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। যেমন- Oracle, MySQL (Free software), Microsoft SQL Server, PostgreSQL (Free software), IBM DB2, Microsoft Access ইত্যাদি।

প্রশ্ন-১৮. কী ফিল্ড?

উত্তর : ডেটাবেজ টেবিলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান এবং ডেটাবেজের একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের জন্য যে ফিল্ড ব্যবহার করা হয় তাকে বলা হয় কী ফিল্ড। কী ফিল্ডের ডেটাগুলো হবে অভিন্ন ও অদ্বিতীয়।

প্রশ্ন-১৯. ক্যান্ডিডেট কী কাকে বলে?

উত্তর : যে ফিল্ডগুলোর সাহায্যে একটি ডেটাবেজ টেবিলের রেকর্ডগুলো অদ্বিতীয়ভাবে সনাক্ত করা যায় তাকে ক্যান্ডিডেট কী বলে। একটি টেবিলে একাধিক ক্যান্ডিডেট কী থাকতে পারে।

প্রশ্ন-২০. কম্পোজিট প্রাইমারি কী কাকে বলে?

উত্তর : একাধিক ফিল্ডের সমন্বয়ে যে প্রাইমারি কী গঠন করা হয় তাকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলা হয়।

প্রশ্ন-২১. কর্পোরেট ডেটাবেজ কী?

উত্তর : কর্পোরেট ডেটাবেজ হলো প্রতিষ্ঠানিক পর্যায়ের সেই ডেটাবেজ যা কোনো প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ব্যবহৃত হয়।

প্রশ্ন-২২. ফরেন কী কাকে বলে?

উত্তর : রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলে কোনো একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী কে প্রথম টেবিলের সাপেক্ষে দ্বিতীয় টেবিলের ফরেন কী বলে।

প্রশ্ন-২৩. ডেটাবেজ রিলেশনশীপ কী?

উত্তর : একটি ডেটাবেজে এক বা একাধিক টেবিল থাকে। এই টেবিলগুলোর মধ্যকার সম্পর্ককে ডেটাবেজ রিলেশনশিপ বলা হয়।

প্রশ্ন-২৪. ডেটাবেজ রিলেশন কী?

উত্তর : ডেটাবেজের একটি টেবিলের রেকর্ডের সাথে অন্য এক বা একাধিক টেবিলের রেকর্ডের সম্পর্ককে ডেটাবেজ রিলেশন বলে। অর্থাৎ ডেটাবেজ রিলেশন হলো বিভিন্ন ডেটা টেবিলের মধ্যকার লজিক্যাল সম্পর্ক।

প্রশ্ন-২৫. ডেটা সিকিউরিটি কী?

উত্তর : অনির্দিষ্ট ব্যক্তির হাত থেকে ডেটার গোপনীয়তা রক্ষা করার জন্য গৃহীত ব্যবস্থাকে বলা হয় ডেটা সিকিউরিটি।

প্রশ্ন-২৬. ডেটা এনক্রিপশন কী?

উত্তর : যে প্রক্রিয়ায় প্লেইনটেক্সটকে পরিবর্তন করে সাইফার টেক্সট তৈরি করা হয় তাকে এনক্রিপশন বলে।

প্রশ্ন-২৭. ডেটা ডিক্রিপশন কী?

উত্তর : যে প্রক্রিয়ায় সাইফার টেক্সটকে পরিবর্তন করে পুনরায় প্লেইন টেক্সট তৈরি করা হয় তাকে ডিক্রিপ্টশন বলে।

ডেটাবেজে One to One রিলেশন বলতে কী বোঝায়?

উত্তর : যদি কোনো ডেটাবেজের কোনো একটি টেবিলের একটি রেকর্ড অপর একটি ডেটা টেবিলের একটি মাত্র রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন তৈরি হয়, তাকে বলা হয় one to one রিলেশন। যেমন- primary key এর সাথে primary key সম্পর্ক তৈরি হলে one to one relation তৈরি হবে।

এনক্রিপশন কীভাবে ডেটার নিরাপত্তা বিধান করে?

উত্তর : ডেটার নিরাপত্তার জন্য সাধারনত ডেটা এনক্রিপশন করা হয়। এই পদ্ধতিতে ডেটা এনক্রিপ্ট করা হয়, ফলে তা এক ধরনের কোডে পরিনত হয়, যাকে পুনরায় ডিক্রিপ্ট করলে অরজিনাল ডেটা এনক্রিপ্টেড পূর্ববর্তী ডেটা পাওয়া যায়। উৎস বা প্রেরক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করলে, প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডেটাকে ব্যবহারের আগে ডিক্রিপ্ট করে নেয়। তবে প্রেরককে এনক্রিপ্ট এবং প্রাপককে ডিক্রিপ্ট করার নিয়ম জানতে হয়। এনক্রিপ্টেড ডেটাকে একই পদ্ধতি বা অ্যালগরিদম ব্যবহার করে ডিক্রিপ্ট করতে হয়।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x