দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আবগারি শুল্ক বলে। রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ কমানোর উদ্দেশ্যেও আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়। বাংলাদেশে প্রধানত চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশলাই, মদ, গাঁজা, অফিম প্রভৃতি দ্রব্যের উপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।

সরকারি অর্থব্যবস্থা বলতে কী বোঝায়?

অর্থনীতির যে অংশ সরকার ও অন্যান্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহের আয়-ব্যয় সঞ্চয় ও বিনিয়োগ ইত্যাদি নীতি ও পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করে তাকে সরকারি অর্থব্যবস্থা বলে।
অধ্যাপক টেইলর এর মতে, “সরকারের অধীনে সংঘবদ্ধ জনগোষ্ঠী হিসেবে জনসাধারণের অর্থনৈতিক সমস্যা নিয়ে যে শাস্ত্র আলোচনা করে তাকে সরকারি অর্থব্যবস্থা বলে।”
ডালটনের মতে, “সরকারি অর্থব্যবস্থা সরকারের আয় ও ব্যয় এবং তাদের মধ্যে সমন্বয় সাধন সম্পর্কে আলোচনা করে।”
অর্থনীতিবিদ মাগ্রেভ এর মতে, “যে সমস্ত জটিল সমস্যা সরকারের আয়-ব্যয়কে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয় তাকে সরকারি অর্থব্যবস্থা বলে।”
রাষ্ট্রীয় আয়-ব্যয় দেশের জাতীয় আয়ের পরিমাণ ও মানুষের জীবনযাত্রার মানের উপর প্রভাব বিস্তার করে। রাষ্ট্রীয় আয় হ্রাস পেলে জনগণের আয় হ্রাস এবং রাষ্ট্রীয় আয় বৃদ্ধি পেলে জনগণের আয়ও বৃদ্ধি পায়।
সরকারি অর্থব্যবস্থায় অর্থনীতির এমনকিছু অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা করা হয়, যেখানে সরকার জড়িত থাকে। একটি দেশের জনগণের সর্বোচ্চ কল্যাণ সাধন এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে সরকার কোন খাতে, কিভাবে, কোন নীতি অনুসরণ করে ব্যয় করবে তা সরকারি অর্থব্যবস্থায় আলোচনা করা হয়।
সুতরাং দেশের আয় ও কর্মসংস্থানের স্তর নির্ধারণে সরকারি আয়-ব্যয়ের প্রভাব।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x