কারবারি বাট্টা (Trade Discount)
পণ্য ক্রয় বা বিক্রয়ের সময় যে বাট্টার কথা বলা হয় বা দেয়া থাকে তাকে কারবারি বাট্টা বলে। কারবারি বাট্টা হিসাবভূক্ত হয় না।

পণ্যের তালিকা মূল্য থেকে যে পরিমাণ টাকা ছাড় দিয়ে বিক্রেতা বিক্রয় মূল্য নির্ধারণ করেন তাকে কারবারি বাট্টা বলে।

নগদ বাট্টা (Cash Discount)
বাকীতে পণ্য দ্রব্য বিক্রয়ের ফলে বিবিধ দেনাদার বা প্রাপ্য হিসাবে উদ্ভব হয়। দীর্ঘদিন বাকী টাকা আদায় না হলে ব্যবসায়ের ক্ষতির পরিমাণ বেড়ে যায়। কাজেই দেনাদারদের নিকট হতে দ্রুত টাকা আদায়ের জন্য কিছু টাকা ছাড় দেওয়া হয়। একেই নগদ বাট্টা বলে। নগদ বাট্টা হিসাবের বইতে লিপিবদ্ধ হয়।

প্রাপ্ত বাট্টা (Discount Received)
ধারে মাল ক্রয় করলে পাওনাদার বা প্রদেয় হিসাবের উদ্ভব হয়। পাওনাদারের টাকা নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে পরিশোধ করলে বাট্টা পাওয়া যায় তাকে প্রাপ্ত বাট্টা বলে।

প্রদত্ত বাট্টা (Discount Allowed)
ধারে মাল বিক্রয় করলে দেনাদারের উদ্ভব হয়। পাওনা টাকা দ্রুত আদায়ের জন্য যে বাট্টা ছাড় দেওয়া হয় তাকে প্রদত্ত বাট্টা বলে।

পরিমাণ বাট্টা (Quantity Discount)
বিক্রেতা ক্রেতাকে অধিক পণ্য ক্রয়ের জন্য এই প্রকার বাট্টা প্রদান করেন। যেমন: এক প্যাকেট (১ কেজি) গুড়ো সাবান কিনলে ১ টা মগ ফ্রি। এই ১ টা মগকে পরিমাণ বাট্টা বলে।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x