এলইডির পুরো নাম Light Emitting Diode। যে ডায়োডের মধ্য দিয়ে কারেন্ট প্রবাহিত হলে আলো নির্গত হয়, তাকে এলইডি বলে। এলইডির আলোর তীব্রতা এর প্রবাহিত কারেন্টের উপর নির্ভর করে। এটি হতে প্রাপ্ত আলো সাধারণত লাল, হলুদ এবং সবুজ রঙের হয়।

এলইডি দুই টার্মিনাল, দুস্তরবিশিষ্ট একটি পিএন জাংশন ডায়োড। এর পি ও এন স্তর তৈরি করতে গ্যালিয়াম আর্সেনাইড (GaAs), গ্যালিয়াম ফসফাইড (GaP) অথবা গ্যালিয়াম আর্সেনাইড ফসফাইড (GaAsP) ব্যবহৃত হয়। একে ডায়োড হিসেবে ব্যবহার করা যায় না। কিন্তু ল্যাম্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

এলইডি ব্যবহার করে যে, ল্যাম্প তৈরি করা হয় তাকে এলইডি ল্যাম্প বলে।

সুবিধাসমূহ :
(ক) এলইডি আকারে ছোট। কাজেই ডিসপ্লের কাজে কম জায়গায় অধিকসংখ্যক এলইডি ব্যবহার করা যায়;
(খ) এটি অপারেট করার জন্য খুব কম পাওয়ারের প্রয়োজন হয়;
(গ) এলইডি থেকে বিভিন্ন রঙের (যেমন : লাল, হলুদ ও সবুজ) আলো পাওয়া যায়;
(ঘ) সুইচিং টাইম খুব কম হয়;
(ঙ) এলইডির আলোর তীব্রতা খুব সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

অসুবিধাসমূহ :
(ক) এটি শুধুমাত্র ফরোয়ার্ড বায়াসে কাজ করে;
(খ) এটি এসিতে ব্যবহার করা যায় না;
(গ) এর সর্বোচ্চ কারেন্ট ক্ষমতা 20mA হওয়ায় বেশি কারেন্টে ব্যবহার করা যায় না। এই অতিরিক্ত কারেন্ট এলইডির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হলে যাতে নষ্ট না হয়, তার জন্য এলইডি সার্কিটে কারেন্ট লিমিটিং রেজিস্টর ব্যবহার করা হয়।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x