b

সাধারণ অর্থে গ্রাফিক্স বলতে বিভিন্ন ধরনের ছবি, আর্ট, তথ্যের ডিজাইন উপস্থাপনা, অ্যানিমেশন ইত্যাদি বোঝায়। কম্পিউটারের ভাষায় কম্পিউটার ব্যবহার করে তৈরি চিত্র, নমুনা ইত্যাদিকে গ্রাফিক্স বলে।
ব্যাপক অর্থে, গ্রাফিক্স হলাে দৃশ্যমান (Visual) ইমেজ বা ছবি অথবা কোন surface এর উপর ডিজাইন বা অংকন যেমন: wall, ক্যানভাস, কাগজ (Paper) ইত্যাদি।

আপনি যদি হাতে কলমে কোন কাগজ বা surface এর উপর যেমন ক্যানভাস বা কোন আর্ট পেপারের উপর কোন কিছু অংকন করেন তা দেখতে যেমন হবে তাকেও গ্রাফিক্স বলা যায়। তবে বর্তমানে এইসব আঁকা-আঁকির কাজ করা হয় কম্পিউটারের মাধ্যমে। কম্পিউটার একটা ছবিকে কত সুন্দর করে দৃশ্যমান করতে পারে তাকেও গ্রাফিক্স বলা যায় তবে সেটাকে বলা হয় কম্পিউটার গ্রাফিক্স। কম্পিউটারের মাধ্যমে বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করে ছবি বা ইমেজকে দৃশ্যমান করে তােলা হয় এবং তা প্রয়ােজনে মডিফাই বা পরিবর্তন, পরিবর্ধনও করা যায়।

অন্য কথায়, কম্পিউটার গ্রাফিক্স বলতে “কোন ডাটাকে ছবির মাধ্যমে উপস্থাপন করা”- কে বুঝায়, তাকে আবার কম্পিউটার এইডেড ডিজাইনও (Computer Aided disign) বলা হয়। যখন কতগুলাে ইমেজ কম্পিউটারের মাধ্যমে তৈরি করা হয় তখন তাকে কম্পিউটার গ্রাফিক্স বলে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়- ফটোগ্রাফ, অংকন (Drawing), লাইন, গ্রাফ, ডায়াগ্রাম ইত্যাদি। গ্রাফিক্স আবার টেক্সট (Text), ইলাস্ট্রেশন (Illustration) এবং রংয়ের (Color) এর সমষ্টি (Combination)।

গ্রাফিক্সের প্রকারভেদ
কম্পিউটার গ্রাফিক্সকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. দ্বিমাত্রিক গ্রাফিক্স (2D Graphics)
২. ত্রিমাত্রিক গ্রাফিক্স (3D Graphics)
দ্বিমাত্রিক অপেক্ষা ত্রিমাত্রিক গ্রাফিক্স ছবি অনেকটাই বেশি সুস্পষ্ট।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x