কব্জা যেমন দরজার পাল্লাকে কাঠামোর সাথে আটকে রাখে, সেরূপ কব্জার মতো সন্ধিকে কব্জা সন্ধি বলে।

যেমন– হাতের কনুই, জানু এবং আঙুলগুলোতে এ ধরনের সন্ধি দেখা যায়। এসব সন্ধি কেবল মাত্র একদিকে নাড়ানো যায়।

হাঁটুর অস্থিসন্ধি বলতে কী বোঝায়?
দুই বা ততোধিক অস্থির সংযোগস্থলকে বলা হয় অস্থিসন্ধি। প্রতিটি অস্থিসন্ধির অস্থিসমূহ এক রকম স্থিতিস্থাপক রজ্জুর মতো বন্ধনী দিয়ে দৃঢ়ভাবে আটকানো থাকে। হাঁটুর অস্থিসন্ধিটিকে প্রকৃতপক্ষে বলা হয় সাইনোভিয়াল অস্থিসন্ধি। এটি অস্থিসন্ধি ক্যাপসুল বা অস্থিসন্ধি আবরণী দ্বারা আবৃত থাকে।

ক্যাপসুলের ভেতর থাকে সাইনোভিয়াল গহ্বর। সাইনোভিয়াল গহ্বরের ভেতরে এক ধরনের তৈলাক্ত পদার্থ থাকে, যাকে বলা হয় সাইনোভিয়াল রস। এ অস্থিসন্ধির অস্থি দু’টির সংযোগস্থলের প্রান্তভাগ তরুণাস্থি দ্বারা আবৃত। সাইনোভিয়াল রস এবং তরুণাস্থি, অস্থিতে অস্থিতে ঘর্ষণজনিত ক্ষয়রোধ করে থাকে।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x