পড়াশোনা
1 min read

পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর (পর্ব-৩০)

প্রশ্ন-১। তড়িৎ চৌম্বক বল কাকে বলে?

উত্তরঃ দুটি আহিত কণা তাদের আধানের কারণে একে অপরের ওপর যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল প্রয়োগ করে তাকে তড়িৎ চৌম্বক বল বলে।

প্রশ্ন-২। পরিবাহীর বিভব কাকে বলে?

উত্তরঃ একটি একক ধনাত্মক চার্জকে অসীম দূরত্ব থেকে কোন পরিবাহীর খুব কাছে নিয়ে আসতে যে পরিমাণ কাজ হয় তাকে ঐ পরিবাহীর বিভব বলে।

প্রশ্ন-৩। বাতাস একটি পদার্থ কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তরঃ বাতাস একটি পদার্থ। কারণ, বাতাসের অস্তিত্ব আমরা সহজেই অনুভব করতে পারি। এছাড়াও বাতাসের ভর আছে, ওজন আছে এবং জায়গা দখল করে এজন্য বাতাসকে পদার্থ বলা হয়। তবে বাতাস একটি মিশ্র পদার্থ। বাতাসে বিভিন্ন উপাদান আছে। যেমনঃ অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, জলীয় বাষ্প, ধূলিকণা, কার্বন ডাই-অক্সাইড, বিভিন্ন নিষ্ক্রিয় গ্যাস ইত্যাদি।

প্রশ্ন-৪। উত্তল ও অবতল লেন্সের ক্ষমতা কীরূপ হয়?

উত্তরঃ উত্তল লেন্সের ক্ষমতা ধনাত্মক এবং অবতল লেন্সের ক্ষমতা ঋণাত্মক হয়।

প্রশ্ন-৫। রোধের SI একক কি?

উত্তরঃ রোধের SI একক হলো ‘ওহম’ [ohm]। একে বড় হরফের ওমেগা (Ω) দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

প্রশ্ন-৬। পর্যাবৃত্ত গতি কাকে বলে?

উত্তরঃ কোনো গতিশীল বস্তু যদি একই পথ বারবার অতিক্রম করে তাহলে সে গতিকে পর্যাবৃত্ত গতি বলে। ঘড়ির কাঁটার গতি, পাকদৌড়ের গতি, বৈদ্যুতিক পাখার গতি হলো পর্যাবৃত্ত গতির উদাহরণ।

প্রশ্ন-৭। নিবৃত্তি বিভব কাকে বলে?

উত্তরঃ যে নির্দিষ্ট বিভবের জন্যে ফটো ইলেকট্রন নিঃসরণ বন্ধ হয়ে যায়, অর্থাৎ বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায় তাকে ঐ ধাতুর নিবৃত্তি বিভব বলে।

প্রশ্ন-৮। মহাকর্ষীয় বিভব কাকে বলে?

উত্তরঃ কোনো মহাকর্ষ ক্ষেত্রের কোনো বিন্দুতে অসীম দূরত্ব থেকে একটি একক ভরের বস্তুকে আনতে যে পরিমাণ কাজ করতে হয় তাকে ওই বিন্দুর মহাকর্ষীয় বিভব বলে।

প্রশ্ন-৯। ব্রিজ রেকটিফিকেশন কী?

উত্তরঃ ব্রিজ রেকটিফায়ার ব্যবহার করে পূর্ণতরঙ্গ একমুখী করার প্রক্রিয়াই হলো ব্রিজ রেকটিফিকেশন।

প্রশ্ন-১০। পরিবহন ব্যান্ড কাকে বলে?

উত্তরঃ পরমাণুর মুক্ত ইলেকট্রনের জন্য যে ব্যান্ড বা পাল্লা তৈরি হয় তাকে পরিবহন ব্যান্ড বলে।

প্রশ্ন-১১। ব্যান্ড তত্ত্ব কী?

উত্তরঃ যে তত্ত্বের সাহায্যে পদার্থের বিদ্যুৎ পরিবাহী ধর্ম বর্ণনা করা হয় তাই ব্যান্ড তত্ত্ব।

প্রশ্ন-১২। স্থির মানের রোধক কাকে বলে?

উত্তরঃ যে সকল রোধকের রোধের মান নির্দিষ্ট তাদেরকে স্থির মানের রোধক বলে।

প্রশ্ন-১৩। বর্তনীতে ব্যবহৃত রোধক কয় প্রকার কী কী?

উত্তরঃ বর্তনীতে ব্যবহৃত রোধক দুই প্রকার। যথা- ১. স্থির মানের রোধক এবং ২. পরিবর্তী রোধক।

প্রশ্ন-১৪। রোধক ব্যবহারের প্রাথমিক উদ্দেশ্য কী?

উত্তরঃ রোধক ব্যবহারের প্রাথমিক উদ্দেশ্য হলো বর্তনীতে প্রবাহিত তড়িতের মান নিয়ন্ত্রণ করা।

প্রশ্ন-১৫। বর্ণালিবীক্ষণ যন্ত্র কাকে বলে?

উত্তরঃ যে যন্ত্র ব্যবহার করে বিভিন্ন উৎস হতে নিঃসৃত বর্ণালি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয় তাকে বর্ণালিবীক্ষণ যন্ত্র (Spectrometer) বা বর্ণালিমাপক যন্ত্র বলে। বর্ণালিবীক্ষণ যন্ত্র তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। অংশগুলো হলো– ক. কলিমেটর (Collimator); খ. দূরবীক্ষণ (Telescope); গ. প্রিজম টেবিল (Prism table)।

প্রশ্ন-১৬। রোধ কিভাবে পরিমাপ করা হয়?

উত্তরঃ নিদিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো পরিবাহী দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য এবং তড়িৎপ্রবাহের অনুপাত দ্বারা ঐ তাপমাত্রায় ঐ পরিবাহীর রোধ পরিমাপ করা হয়।

প্রশ্ন-১৭। বৈদ্যুতিক কাজের যন্ত্রপাতিতে প্লাসটিকের মোড়কযুক্ত হাতল ব্যবহৃত হয় কেন?

উত্তরঃ অপরিবাহী পদার্থের মধ্যে মুক্ত ইলেকট্রন থাকে না। প্লাষ্টিক জাতীয় পদার্থের মধ্য দিয়ে সহজে ইলেকট্রন প্রবাহিত হতে পারে না। যার ফলে প্লাষ্টিক হলো বিদ্যুতের জন্য অপরিবাহী পদার্থ। এ কারণেই বৈদ্যুতিক মিস্ত্রিগণ যে সকল স্ক্রু ড্রাইভার এবং প্লায়ার ব্যবহার করেন তাদের হাতল প্লাষ্টিক জাতীয় পদার্থ দ্বারা মোড়ানো থাকে। এ ছাড়া আমাদের দৈনন্দিন প্রয়োজনে যে সকল তামার বৈদ্যুতিক তার ব্যবহার করি সেগুলো প্লাষ্টিক দ্বারা আবৃত থাকে।

প্রশ্ন-১৮। 10N বল বলতে কী বোঝায়?

উত্তরঃ 1kg ভরের কোনো বস্তুর ওপর যে পরিমাণ বল ক্রিয়া করে 10 ms-2 ত্বরণ সৃষ্টি করে তাকে 10N বল বলে।

প্রশ্ন-১৯। 1A বা এক অ্যাম্পিয়ার কাকে বলে?

উত্তরঃ শূন্য মাধ্যমে কোনো পরিবাহীর যে কোনো প্রস্থচ্ছেদের মধ্য দিয়ে 1s-এ 1C আধান প্রবাহিত হলে যে পরিমাণ তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি হয় তাকে 1A বলে।

প্রশ্ন-২০। জেনার ভোল্টেজ বা ব্রেক ডাউন ভোল্টেজ কাকে বলে?

উত্তরঃ বিমুখী ঝোঁকের ক্ষেত্রে যে ভোল্টেজ প্রয়োগ করলে ডায়োডের বিপরীত তড়িৎ প্রবাহ হঠাৎ বিপুল পরিমাণ বৃদ্ধি পায় সে ভোল্টেজকে জেনার ভোল্টেজ বা ব্রেক ডাউন ভোল্টেজ বলে।

Rate this post