প্রশ্ন-১. মরিচার সংকেত কি?

উত্তর : মরিচার সংকেত হচ্ছে Fe2O3.nH₂O।প্রশ্ন-২. নিঃশ্বাসে গৃহীত বায়ুতে প্রধান উপাদান কী?

উত্তর : নিঃশ্বাসে গৃহীত বায়ুতে প্রধান উপাদান অক্সিজেন।

প্রশ্ন-৩. মরিচা কাকে বলে?

উত্তর : পানিযুক্ত ফেরিক অক্সাইডকে মরিচা বলে।

প্রশ্ন-৪. পদার্থ কী?

উত্তর : যার জড়তা আছে তাই পদার্থ।

প্রশ্ন-৫. ট্রিফয়েল কী?

উত্তর : ১৯৪৬ সালে আমেরিকায় সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক রশ্মি চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। এই চিহ্নটিকে ট্রিফয়েল বলে।

প্রশ্ন-৬. জানালার গ্রিলে পড়া বাদামি আস্তরণের নাম কী?
উত্তর : জানালার গ্রিলে পড়া বাদামি আস্তরণের নাম মরিচা।

প্রশ্ন-৭. রসায়ন শাস্ত্রের প্রধান উপজীব্য বিষয় কি?
উত্তর : পদার্থ ও শক্তি হলো রসায়ন শাস্ত্রের প্রধান উপজীব্য বিষয়।

প্রশ্ন-৮. ভৌত পরিবর্তনে কী ঘটে?
উত্তর : ভৌত পরিবর্তনে শুধুমাত্র বাহ্যিক পরিবর্তন হয়।

প্রশ্ন-৯. কত বছর পূর্বে ভারতবর্ষে কাপড়কে আকর্ষণীয় করার জন্য রংয়ের ব্যবহার শুরু হয়?
উত্তর : প্রায় ৫০০ বছর পূর্বে ভারতবর্ষে কাপড়কে আকর্ষণীয় করার জন্য রংয়ের ব্যবহার শুরু হয়।

প্রশ্ন-১০. কোন প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ শর্করা তৈরি করে?

উত্তর : উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় শর্করা তৈরি করে।

প্রশ্ন-১১. পেট্রোলিয়াম দহন কী ধরনের পরিবর্তন?

উত্তর : পেট্রোলিয়ামের দহন রাসায়নিক পরিবর্তন।

প্রশ্ন-১২. গবেষণা কী?
উত্তর : পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে কোনো কিছু জানার চেষ্টাই হচ্ছে গবেষণা।

প্রশ্ন-১৩. জীবচক্র কাকে বলে?

উত্তর : জীবস্তরের মধ্যে রাসায়নিক দ্রব্যসমূহের চক্রাকার আবর্তনকে জীবচক্র বলে।

প্রশ্ন-১৪. কেন সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়?
উত্তর : রাসায়নিক দ্রব্যের ঝুঁকি ও ঝুঁকির মাত্রা বুঝার জন্য সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। আর এই সাংকেতিক চিহ্ন দেখে বিভিন্ন বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়া যায় এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি ও পরিবেশ সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান লাভ করা যায়।

প্রশ্ন-১৫. আল-কেমি কী?
উত্তর : প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় রসায়ন চর্চা আল-কেমি নামে পরিচিত।

প্রশ্ন-১৬. পোকামাকড়কে শস্যহানি থেকে রক্ষায় কী ব্যবহার করা হয়?
উত্তর : পোকামাকড়কে শস্যহানি থেকে রক্ষায় কীটনাশক ব্যবহার করা হয়।

প্রশ্ন-১৭. সংকর ধাতু কাকে বলে?
উত্তর : গলিত অবস্থায় একাধিক ধাতুকে মিশ্রিত করে যে ধাতু তৈরি করা হয়, তাকে সংকর ধাতু বলে।

প্রশ্ন-১৮. রসায়নের আলোচ্য বিষয় কি কি?

উত্তর : রসায়ন প্রাচীন ও প্রধান বিজ্ঞানগুলোর মধ্যে অন্যতম। রসায়নে নানা ধরনের পরিবর্তন যেমন- সৃষ্টি, ধ্বংস, বৃদ্ধি, রূপান্তর, উৎপাদন ইত্যাদি আলোচনা করা হয়।

প্রশ্ন-১৯. প্রাকৃতিক বিজ্ঞান বলতে কি বুঝ?

উত্তরঃ বিজ্ঞানের একটি শাখা হলো প্রাকৃতিক বিজ্ঞান (Natural Science)। যুক্তি দিয়ে, পর্যবেক্ষণ করে অথবা পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে প্রাকৃতিক কোনো বিষয় সম্বন্ধে বোঝা বা তার ব্যাখ্যা দেওয়া বা সে সম্বন্ধে ভবিষ্যদ্বাণী করাই হলো প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের কাজ।

রসায়ন প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের একটি প্রধান শাখা যেখানে পদার্থের গঠন, পদার্থের ধর্ম এবং পদার্থের পরিবর্তনর্ত নিয়ে আলোচনা করা হয়।

প্রশ্ন-২০. প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের শাখাগুলোর নাম লিখ।

উত্তরঃ প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের শাখাগুলোর নাম নিম্নরূপঃ

  • পদার্থবিজ্ঞান (Physics)
  • রসায়ন (Chemistry)
  • উদ্ভিদবিদ্যা (Botany)
  • প্রাণিবিদ্যা (Zoology)
  • অণুজীববিজ্ঞান (Microbiology)
  • জ্যোতির্বিজ্ঞান (Astronomy)
  • মৃত্তিকাবিজ্ঞান (Soil Science) ইত্যাদি।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x