b

প্রশ্ন-১। চলন কাকে বলে?

উত্তরঃ যে প্রক্রিয়ায় কোন প্রাণী স্বেচ্ছায় স্থানান্তর ঘটায় তাকেই চলন বলে।

প্রশ্ন-২। কঙ্কালতন্ত্র কী?

উত্তরঃ অস্থি ও তরুণাস্থির সমন্বয়ে গঠিত যে অঙ্গতন্ত্র দেহের কাঠামো তৈরি করে, নরম অঙ্গগুলোকে রক্ষা করে, দেহের ভার বহন করে এবং পেশি সংযোজনের জন্য উপযুক্ত স্থান সৃষ্টি করে তার নাম কঙ্কালতন্ত্র।

প্রশ্ন-৩। মানবদেহের কঙ্কালতন্ত্র মোট কয়টি অস্থি নিয়ে গঠিত?

উত্তরঃ মানবদেহের কঙ্কালতন্ত্র মোট ২০৬টি অস্থি নিয়ে গঠিত।

প্রশ্ন-৪। বক্ষপিঞ্জর কী?

উত্তরঃ মানবদেহে পর্শুকাগুলো মিলে যে খাঁচার মতো আকৃতি সৃষ্টি করে তার নাম বক্ষপিঞ্জর।

প্রশ্ন-৫। অস্থি ও তরুণাস্থি কী?

উত্তরঃ অস্থি ও তরুণাস্থি হচ্ছে এক বিশেষ ধরনের যোজক টিস্যু যাদের মাতৃকা বিভিন্ন জৈব ও অজৈব পদার্থে গঠিত হওয়ায় কঠিন আকার ধারণ করে।

প্রশ্ন-৬। মানুষের পায়ের অস্থি কয়টি?

উত্তরঃ ৬০টি।

প্রশ্ন-৭। লিভার এর অংশগুলো কী কী?

উত্তরঃ লিভারের চারটি অংশ– লিভারবাহু, পিভট, প্রচেষ্টা ও ভার।

প্রশ্ন-৮। পেশিতন্তু কাকে বলে?

উত্তরঃ মায়োব্লাল্ট নামক আদিকোষ রূপান্তরিত হয়ে তন্তুর মতো লম্বা পেশিকোষ গঠন করে বলে এদের পেশিতন্তু বলে।

প্রশ্ন-৯। মেরুদণ্ড কাকে বলে?

উত্তরঃ সষুম্নাকাণ্ডকে ঘিরে অবস্থিত একসারি কশেরুকা নিয়ে গঠিত ও দেহের অক্ষকে অবলম্বনকারী অস্থিময় ও নমনীয় গঠনকে মেরুদণ্ড বলে। ২৬টি অনিয়ত আকৃতির অস্থি খণ্ড নিয়ে মেরুদণ্ড গঠিত।

প্রশ্ন-১০। মেরুদণ্ডের কাজ কী?

উত্তরঃ কর্ডাটা পর্বের প্রাণীদের মধ্য পৃষ্ঠরেখা বরাবর উপস্থিত নিরেট দণ্ডাকৃতির মেরুদণ্ড থাকে। এটি দেহকাণ্ডের সুষ্ঠু সঞ্চালনে মজবুত ও নমনীয় অবলম্বন হিসেবে কাজ করে। সুষুম্নাকাণ্ড ও সুষুম্না বায়ুমূলকে বেষ্টন ও রক্ষা করে। মাথাকে অবলম্বন দেয় এবং পিভট-এর মতো কাজ করে। পর্শুকা সংযোগের ক্ষেত্র সৃষ্টি করে দেহের অক্ষরূপে কাজ করে। দেহের ভঙ্গি দানে ও চলাফেরায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

প্রশ্ন-১১। হৃৎপেশি কাকে বলে?

উত্তরঃ কেবলমাত্র হৃৎপিণ্ডের প্রাচীরে অবস্থিত পেশিগুলোকে হৃৎপেশি বলে। এরা গঠনের দিক থেকে রৈখিক কিন্তু কাজের দিক থেকে অনৈচ্ছিক।

প্রশ্ন-১২। অস্থিভঙ্গ কত ধরনের হতে পারে?

উত্তরঃ অস্থিভঙ্গ তিন ধরনের হতে পারে- সাধারণ, যৌগিক ও জটিল।

প্রশ্ন-১৩। ভার্টিব্রাল ফোরামেন কাকে বলে?

উত্তরঃ কশেরুকায় অবস্থিত যে বড় ছিদ্রটির সম্মুখে দেহ, পশ্চাতে আর্চ ও পাশে পেশিকলা নির্মিত তাকেই ভার্টিব্রাল ফোরামেন বলে।

প্রশ্ন-১৪। ইলিয়াক ঝুঁটি কী?

উত্তরঃ ইলিয়ামের ডানার কিনারাই ইলিয়াক ঝুঁটি।

প্রশ্ন-১৫। পেশি কাকে বলে?

উত্তরঃ মেসোডার্ম থেকে উদ্ভূত যে টিস্যু সংকোচন-প্রসারণক্ষম ও অসংখ্য তন্তুর সমন্বয়ে গঠিত তাকে পেশি বলে।

প্রশ্ন-১৬। পিভট কী?

উত্তরঃ যে অস্থি সন্ধিকে কেন্দ্র করে লিভারের কার্যক্রম পরিচালিত হয় তাই হলো পিভট।

প্রশ্ন-১৭। ঐচ্ছিক পেশি ও হৃদপেশির মধ্যে পার্থক্য লেখো।

উত্তরঃ ঐচ্ছিক পেশি ও হৃদপেশির মধ্যে বেশ কিছু পার্থক্য লক্ষ করা যায়। ঐচ্ছিক পেশি প্রাণীর ইচ্ছানুযায়ী সংকুচিত বা প্রসারিত হয়, কিন্তু হৃদপেশির সংকোচন-প্রসারণ প্রাণীর ইচ্ছানুসারে হয় না। ঐচ্ছিক পেশির কোষগুলো শাখাবিহীন, অপরদিকে হৃদপেশির কোষগুলো শাখান্বিত। ঐচ্ছিক পেশিতে সাধারণত একাধিক নিউক্লিয়াস থাকলেও হৃদপেশিতে মাত্র একটি নিউক্লিয়াস থাকে।

প্রশ্ন-১৮। ভঙ্গিমা প্রতিবর্ত ক্রিয়া বলতে কী বোঝায়?

উত্তরঃ দণ্ডায়মান অবস্থায় পায়ের নিম্নাংশের অ্যান্টি-গ্রাভিটি পেশি হাইপারটনিক অবস্থায় থাকে কিন্তু যদি কোনো মানুষ এক পায়ের ওপর দণ্ডায়মান এবং অপর পা উত্তোলিত রাখে তবে ঐ সময় অ্যান্টিগ্রাভিটি বা এক্সটেনসর শ্লথ অবস্থায় থাকে, কিন্তু ফ্লেক্সর হাইপারটনিক অবস্থায় থাকে অর্থাৎ পেশিটানের বিস্তৃতি নির্দিষ্ট ভঙ্গিমা প্রকাশ করে। পেশিটানের অনুরূপ বিস্তৃতি নির্দিষ্ট প্রতিবর্ত ক্রিয়ার ওপর নির্ভরশীল। এই প্রক্রিয়াই ভঙ্গিমা প্রতিবর্ত ক্রিয়া নামে পরিচিত।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x