Blog

Cloud mining থেকে কি ভাবে ইনকাম করবেন

1 min read

আজ আমরা জানবো ক্লাউড মাইনিং কি , ক্লাউড মাইনিং কি ভাবে কাজ করে , বিন্যান্সে কি ভাবে ক্লাউড মাইনিং এর মাধ্যমে প্যাসিভ ইনকাম সোর্স তৈরী করবেন. এছাড়া ক্লাউড  মাইনিং এর বিভিন্ন সুবিধা ও অসুবিধা এবং কি ভাবে আপনি ক্লাউড মাইনিং স্ক্যাম চিন্হিত করবেন সেই সম্পর্কে বিস্তারিত এখানে জানতে পারবেন.

What is cloud mining | ক্লাউড মাইনিং কি ?

Cloud mining  হল ক্রিপ্টো কারেন্সী মাইনিং করার একটি পদ্ধতি. ক্লাউড মাইনিং এ আপনি তৃতীয় পার্টির কম্পিউটিং পাওয়ারকে অর্থাৎ মাইনিং রিসোর্স ভাড়া করে থাকেন. এখানে আপনাকে সরাসরি দামি দামি মাইনিং হার্ডওয়্যার এবং এর সঙ্গে জড়িত সফটওয়্যার ইনস্টল করতে হয় না. ক্লাউড মাইনিং এ আপনি কোনো রকম মাইনিং হার্ডওয়্যার ছাড়াই বিটকয়েন সহ যে কোনো ক্রিপ্টো কারেন্সী মাইনিং করতে পারবেন.

How does cloud mining work | ক্লাউড মাইনিং কি ভাবে কাজ করে ?

ক্লাউড মাইনিং কি ভাবে কাজ করে তা জানার আগে প্রথমে আপনাকে জানতে হবে ক্লাউড  মাইনিং কত প্রকার ও কি কি. তাহলে ক্লাউড মাইনিং কি ভাবে কাজ করে তা জানতে আপনার সুবিধা হবে.
ক্লাউড মাইনিং সাধারণত দুই রকমের হয়ে থাকে.
* প্রথমটি হল , “হোস্ট মাইনিং”
* অন্যটি হল ” লিজিং হ্যাশ পাওয়ার মাইনিং”.
হোস্ট মাইনিং ( Host Mining ) – হোস্ট মাইনিং এ আপনি ক্লাউড মাইনিং ফার্মের একটি সম্পূর্ণ রিগ ভাড়া হিসাবে নেন. এর জন্য আপনাকে কি পরিমান ভাড়া দিতে হবে তা রিগ এর হ্যাশিং পাওয়ারের উপর নির্ভর করে থাকে. এই পাওয়ার সাধারণত গিগা হ্যাশ পাওয়ার পার সেকেন্ড বা টেরা হ্যাশ পাওয়ার পার সেকেন্ড এককে দেওয়া থাকে. হোস্টিং মাইনিং এ আপনাকে রিগ সেট আপ এবং মেইনটেনেন্স করার জন্য ফী দিতে হয়. মাইনিং রিগ কিনে সেটিকে সেট আপ করে মাইনিং করার থেকে ক্লাউড মাইনিং এর মাধ্যমে মাইনিং করার খরচ অনেক কম হয়ে থাকে. প্রয়োজনে আপনি হ্যাশ পাওয়ার বাড়িয়ে রিগ এর মাইনিং করার ক্ষমতা বাড়াতে পারবেন. মাইনিং পাওয়ার বাড়ানোর জন্য আপনাকে ক্লাউড মাইনিং সার্ভিস প্রোভাইডারকে কন্টাক্ট করে বাড়ানোর জন্য অনুরোধ করতে হবে. হোস্ট মাইনিং এ সব থেকে বড় সুবিধা হল হোস্ট মাইনিং এ প্রাপ্ত রিওয়ার্ড পুরোটাই আপনার হবে.
হ্যাশ পাওয়ার লিজিং (Hash Power Leasing) : এটাও অনেকটা হোস্ট মাইনিং এর মতো কাজ করে থাকে কিন্তু এখানে আপনি একটি রিগ এর পরিবর্তে মাইনিং ফার্মের হ্যাশ পাওয়ারের একটি ক্ষুদ্র অংশ ভাড়া হিসাবে নিয়ে থাকেন. যেহেতু এখানে একটি সম্পূর্ণ রিগ এর কোনো গল্প নেই সেই জন্য আপনাকে সম্পূর্ণ রিগ সেট আপ করার জন্য এবং মেইনটেনেন্স করার জন্য কোনো রকম ফী দিতে হয় না. পরিবর্তে এখানে আপনাকে সাবস্ক্রিপশন ফী দিতে হয়. আপনি ক্লাউড মাইনিং করে যে রিওয়ার্ড পান তার একটি ক্ষুদ্র অংশ আপনাকে এই সাবস্ক্রিপশন ফী হিসেবে দিতে হয়. এই পদ্ধতিতে কি পরিমান  মাইনিং রিওয়ার্ড পাবেন তা আপনার ভাড়া করা হ্যাশ পাওয়ারের উপর নির্ভর করে থাকে.

ক্লাউড মাইনিং এবং হার্ডওয়্যার মাইনিং এর মধ্যে পার্থক্য কি ?

ক্লাউড মাইনিং এ ক্লাউড মাইনিং কোম্পানি ক্লাউড মাইনিং ফার্ম তৈরী করে সেটিকে পরিচালনা করে থাকে. এখানে ক্লাউড মাইনাররা বিনিয়োগকারী হিসাবে নির্দিষ্ট পরিমান টাকা দিয়ে ফার্মের হ্যাশিং পাওয়ারের শেয়ারের কিছু অংশ নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ভাড়া হিসাবে নিতে পারে বা কিনতে পারে. ক্লাউড মাইনিং এ মাইনিং কোম্পানিকে দামি দামি মাইনিং হার্ডওয়্যার কিনতে হয়. কোম্পানি  ঠান্ডা আবহাওয়া এবং সস্তা বৈদ্যুতিক সম্পন্ন এলাকাতে মাইনিং ফার্ম তৈরী করতে হয় যাতে মেইনটেনেন্স খরচা কম হয় এবং ফার্মের আউটপুট বেশি হয় . এক্ষেত্রে মাইনিং কোম্পানিকে বিপুল পরিমান অর্থ বিনিয়োগ করতে হয়. এই সম্পূর্ণ প্রসেসে মাইনারদের কিছুই করতে হয় না, পুরোটাই কোম্পানি দেখাশোনা করে থাকে. মাইনাররা শুধুমাত্র বিনিয়োগ করে এবং ফার্ম মাইনিং করে যে লাভ করে তার একটি অংশ মাইনাররা তাদের ভাড়া করা শেয়ারের অনুপাতে পায় .
হার্ডওয়্যার মাইনিং এ , মাইনাররা মাইনিং রিগ কিনে নিজেদেরকেই সেট আপ করতে হয়. এখানে মাইনাররা চাইলে একক ভাবে মাইনিং করতে পারে, না হলে কোনো মাইনিং পুলে যুক্ত হয়ে হ্যাশিং পাওয়ার শেয়ারের মাধ্যমে মাইনিং করতে পারে. এখানে মাইনারদের মাইনিং রিগ মেইনটেনেন্স থেকে শুরু করে হার্ডওয়্যার আপ  গ্রেডের সমস্ত খরচা নিজেদেরকেই করতে হয়. এবং মাইনিং রিগ চালানোর জন্য কোনো ডাউন টাইম ছাড়াই সব সময় ইন্টারনেট সাপ্লাই দিতে হয়.

কি ভাবে ক্লাউড মাইনিং শুরু করবেন ?

আপনি যদি ক্লাউড মাইনিং করার জন্য সিদ্ধান্ত নেন , তাহলে ক্লাউড মাইনিং শুরু করার আগে বেশ কয়েকটি জিনিস আপনার থাকতে হবে. জিনিস গুলি সম্পর্কে জানা যাক ,
* প্রথমে আপনার একটি কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট কানেকশন থাকতে হবে যার মাধ্যমে আপনি আপনার ক্লাউড মাইনিং একাউন্ট ব্যবহার করতে পারবেন. আপনার যদি কম্পিউটার না থাকে তাহলে আপনি মোবাইলের মাধ্যমেও করতে পারবেন.
* দ্বিতীয় , আপনার একটি ক্লাউড মাইনিং একাউন্ট থাকতে হবে. সব সময় বিশ্বস্ত ক্লাউড মাইনিং সার্ভিস প্রোভাইডার এ একাউন্ট খুলবেন.
* তৃতীয়, আপনার কাছে পর্যাপ্ত পরিমান বিটকয়েন বা অন্যান্য ক্রিপ্টো কারেন্সী থাকতে হবে যা দিয়ে আপনি ক্লাউড মাইনিং এর fee  দেবেন.
* অবশেষে আপনার একটি ক্রিপ্টো ওয়ালেট থাকতে হবে যেখানে আপনি আপনার মাইনিং করা ক্রিপ্টোকারেন্সী সঞ্চয় বা স্টোর করে রাখবেন. সব সময় বিশ্বস্ত কোম্পানির ক্রিপ্টো ওয়ালেট ব্যবহার করবেন এবং যে কয়েন মাইনিং করবেন সেই কয়েন যেন ঐ ওয়ালেট সাপোর্ট করে.
ওপরের সব গুলি যদি আপনার কাছে থাকে তাহলে আপনি এখন ক্লাউড মাইনিং শুরু করতে পারবেন.

বিন্যান্সে কি ভাবে ক্লাউড মাইনিং করবেন ?

বিন্যান্সে কি ভাবে ক্লাউড  মাইনিং করবেন ?
প্রথমে আপনাকে বিন্যান্স মোবাইল এপস এ  আপনার বিন্যান্স একাউন্টটি লগ ইন করতে হবে.
এর পর হোম পেজে আপনি উপরের দিকে ডিপোজিট ,
আর্ন ( Earn ),
রেফারেল ,
ট্রেডিং বট এবং
মোর ( More )
অপসনগুলি দেখতে পাবেন.
What is cloud mining
ওপরের অপসন গুলি থেকে আপনাকে মোর অপসনে যেতে হবে.
মোর অপসনে ক্লিক করলে আপনি নতুন
একটি পেজে
কমন ফাঙ্কশন,
গিফট এন্ড ক্যাম্পেইন,
ট্রেড,
আর্ন,
ফিনান্স,
ইনফরমেশন,
হেল্প এন্ড সাপোর্ট এবং
আধারস.
অপসন গুলি দেখতে পাবেন.
What is cloud mining
উপরের অপসন গুলি থেকে আপনি আর্ন অপসনে যাবেন.
আর্ন অপসনে আপনি
ইথার স্টেকিং,
আর্ন,
লিকুইডিটি ফার্মিং ,
অটো ইনভেস্ট,
সিম্পল আর্ন,
ডেফি স্টেকিং,
পুল,
ডুয়েল ইনভেস্টমেন্ট,
বি এন বি ভল্ট,
লঞ্চ প্যাড এবং
পলকাডট অকশান দেখতে পাবেন .
উপর থেকে আপনি পুল অপসনটি সিলেক্ট করবেন.
পুল অপসনে আপনি
একাউন্ট ওভারভিউ,
ওয়াচার মোড,
রেফারেল,
পুল সেভিংস,
একাউন্ট সেটিংস  এবং
ক্লাউড মাইনিং
অপসন গুলি দেখতে পাবেন.
What is cloud mining
উপরের অপসন গুলি থেকে আপনি ক্লাউড  মাইনিং অপসনটি সিলেক্ট করবেন.
What is cloud mining
ক্লাউড মাইনিং এর আগে ক্লাউড মাইনিং সম্পর্কিত কিছু গুরুত্ব পূর্ণ পয়েন্ট যা আপনার জানা জরুরি.
* এক বার আপনার অর্ডার কন্ফার্ম হলে আপনি এটিকে এডিট বা ক্যানসেল করতে পারবেন না. সে জন্য নিশ্চিত হয়েই তবেই  অর্ডার কন্ফার্ম করবেন.
* টোটাল পেমেন্ট মূল্যের মধ্যেই ইলেকট্রিসিটি ফী এবং হ্যাশ রেট ফী সংযুক্ত থাকে. সে জন্য আপনাকে আলাদা ভাবে এখানে কোনো ফী দিতে হবে না.
* সাবস্ক্রিপশন শেষ হয়ে যাওয়ার পর আপনি কিন্তু আপনার ডিপোজিট করা ফান্ড ফেরত পাবেন না.

ক্লাউড মাইনিং এর সুবিধাগুলি

* ক্লাউড মাইনিং এ আপনাকে দামি দামি মাইনিং হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার কিনতে হয় না পরিবর্তে আপনি তৃতীয় পার্টির মাইনিং রিসোর্সেস ভাড়া করেন.
*  ক্লাউড মাইনিং এর সব থেকে বড় সুবিধা হল ক্লাউড মাইনিং করার জন্য আপনাকে সফটওয়্যার বা টেকনিকাল এক্সপার্ট হওয়ার দরকার হয় না. আপনার ক্রিপ্টো কারেন্সী সম্পর্কে সাধারণ ধারণা থাকলেই আপনি ক্লাউড মাইনিং করতে পারবেন. এর জন্য প্রথমে আপনাকে একটি ক্লাউড মাইনিং সার্ভিস প্রোভাইডার কোম্পানির ওয়েবসাইটে গিয়ে মাইনিং একাউন্ট খুলতে হবে এবং আপনি যে পরিমান হ্যাশিং পাওয়ার কিনে মাইনিং করতে চান সেই অনুযায়ী ফী দিয়ে মাইনিং শুরু করতে পারবেন এবং প্রাপ্ত রিওয়ার্ড সরাসরি আপনার ওয়ালেট একাউন্টে ডিপোজিট হবে.
*  আপনি খুব কম পরিমান টাকা দিয়ে ক্লাউড মাইনিং শুরু করতে পারবেন. আপনি ক্লাউড মাইনিং এ  প্রথমের দিকে যে পরিমান অর্থ  লাভ করবেন সেই অর্থ পুনরায় বিনিয়োগ করে ধীরে ধীরে আপনার লাভের পরিমান বাড়াতে পারবেন.
* আপনি বিভিন্ন ক্রিপ্টো কারেন্সী বিভিন্ন ক্লাউড মাইনিং প্লাটফর্মে মাইনিং এর মাধ্যমে আপনার ক্রিপ্টো ইনভেস্টমেন্ট পোর্টফোলিও ডাইভার্সিফিকেশন করতে পারবেন. এর ফলে আপনার ক্রিপ্টো বিনিয়োগের ঝুঁকি অনেক কম হবে এবং হাই রিটার্ন পাবেন.
* ক্লাউড মাইনিং এর মাধ্যমে আপনি আপনার পছন্দমতো যে কোনো ক্রিপ্টোকারেন্সী মাইনিং করতে পারবেন.
* ক্লাউড মাইনিং এর সঙ্গে জড়িত সমস্ত রকমের মাইনিং অসুবিধা যেমন বৈদ্যুতিক  থেকে শুরু করে ফার্মের যান্ত্রিক ত্রুটি পুরোটাই  মাইনিং ফার্ম রক্ষনাবেক্ষন করে থাকে. আপনার মাইনিং ফার্ম রক্ষনাবেক্ষন করতে হয় না.
* সাধারণ মাইনিং এ একটি রিগ কিনে সেটি সেট আপ করে মাইনিং করা এবং তা মেইনটেইন করার তুলনায় ক্লাউড মাইনিং এ খরচ অনেক কম হয়ে থাকে. এক কোথায় ক্লাউড মাইনিং এ আপনার সময়, টাকা এবং এনার্জি অনেক বেঁচে যায়.

ক্লাউড মাইনিং এর অসুবিধা গুলি

* ক্লাউড মাইনিং এ অনেক কোম্পানি নকল ওয়েবসাইট বানিয়ে ক্লাউড মাইনিং এর নাম করে স্ক্যাম বা জালিয়াতি করে থাকে. সে জন্য ক্লাউড মাইনিং এর সময় সব সময় প্রসিদ্ধ  ক্লাউড মাইনিং কোম্পানি বা প্লাটফর্ম সিলেক্ট করবেন.
* ক্রিপ্টোকারেন্সীর মূল্য ভোলাটাইল হওয়ায় অর্থাৎ ক্রিপ্টো কারেন্সীর মূল্য খুব কম সময়ের মধ্যে অনেক বেশি ওঠা নামা করে থাকে. সে জন্য ক্লাউড মাইনিং সব সময় লাভজনক হয় না. ক্লাউড মাইনিং করার আগে অবশ্যই ক্লাউড মাইনিং এর বিভিন্ন রিস্ক সম্পর্কে আপনার ভালো ভাবে জানা উচিত.
* লিমিটেড কন্ট্রোল – ক্লাউড মাইনিং এ যেহেতু আপনি তৃতীয় পক্ষের মাইনিং রিসোর্সেস ভাড়া করেন. সে জন্য মাইনিং রিসোর্সেস যন্ত্রপাতির
উপর আপনার কোনো রকম নিয়ন্ত্রণ থাকে না. মাইনিং প্লাটফর্ম বিশ্বস্ত না হলে আপনার ক্লাউড মাইনিং ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে.
* ক্লাউড মাইনিং এ হার্ডওয়্যার মাইনিং এর তুলনায় লাভ কম হয়ে থাকে.
* ক্লাউড মাইনিং এর পিরামিড স্কিম : অনেক নকল ওয়েবসাইট ক্লাউড মাইনিং এর নাম করে  পিরামিড স্কিম তৈরী করে থাকে. এখানে প্রথম পর্যায়ের বিনিয়োগকারীরা নতুন বিনিয়োগকারীদের ডিপোজিট করা টাকা থেকে লাভ করে থাকে. এই সব নকল ওয়েবসাইটে  নতুন বিনিয়োগকারীরা অনেক সময় বিনিয়োগ করে ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে থাকে.
* অনেক সময় মাইনাররা মাইনিং এর জন্য  বিশ্বস্ত ক্লাউড মাইনিং কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করে এবং ওই চুক্তি অনুসারে মাইনিং কোম্পানি  একই হ্যাশ রেট এবং একই সার্ভিস দিয়ে থাকে. তার পরেও ১০০ শতাংশ কোনো নিশ্চয়তা থাকে না যে মাইনাররা অবশ্যই লাভবান হবেন.
* মাইনাররা ক্লাউড মাইনিং শর্ত অনুসারে  ক্লাউড মাইনিং দাতাদের অগ্রিম টাকা দিয়ে থাকে এবং বিনিময়ে তারা কোনো রকম রিটার্ন পান না. অনেক মাইনার রিটার্ন পেলেও মাইনিং এর শর্ত অনুসারে সেই পরিমান রিটার্ন পান না.
* অনেক নকল ক্লাউড মাইনিং দাতা মাইনিং ফার্মের ভুয়ো তথ্য প্রকাশ দিয়ে থাকে. ফার্মের কোনো প্রকৃত ফটো বা ফার্মের এড্রেস, ওনারশিপ ইত্যাদি যাচাই করার কোনো   অপশন থাকে না. এই সব ওয়েবসাইট স্ক্যাম করে থাকে. প্রকৃত ক্লাউড মাইনিং কোম্পানি গুলি নিজেদের বিভিন্ন গুরুত্ব পূর্ণ তথ্য, ওনারশিপ, ডেটা সেন্টারের প্রকৃত ফটো প্রকাশ করে থাকে. এমনকি তারা ইলেকট্রিক বিলের প্রমান পর্যন্ত প্রকাশ করে থাকে.

কি ভাবে ক্লাউড  মাইনিং স্ক্যাম বা জালিয়াতি  চিন্হিত আইডেন্টিফাই করবেন ?

ক্লাউড মাইনিং এর সব থেকে বড় রিস্ক হল ক্লাউড মাইনিং স্ক্যাম বা জালিয়াতি. অনেক মাইনাররা এই জালিয়াতির শিকার হয়ে থাকেন. ক্লাউড মাইনিং এ মাইনিং এর জন্য তারা অগ্রিম ভাবে টাকা দিয়ে থাকেন কিন্তু কোনো রিওয়ার্ড পান না. আবার রিওয়ার্ড পেলেও মাইনিং কন্ট্রাক্ট অনুযায়ী যে পরিমান রিওয়ার্ড পাওয়ার কথা সেই পরিমান রিওয়ার্ড পান না. আবার অনেক ওয়েবসাইট মাইনারদের আকর্ষণ করার জন্য নকল  মাইনিং রিগ এর বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে. সে জন্য কি ভাবে এই সব ক্লাউড মাইনিং স্ক্যাম থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখবেন তা ধাপে ধাপে জেনে নেওয়া যাক.
১. যে সব মাইনিং সার্ভিস দাতা বা মাইনিং পুল খুব কম পরিমান টাকা বিনিয়োগে উচ্চমানের লাভের আশ্বাস দিয়ে থাকে, সেই সব ওয়েবসাইট বা প্লাটফর্মকে এড়িয়ে চলা উচিত . কারণ কোনো রকম এফোর্ড ছাড়াই যারা এই রকম আশ্বাস দিয়ে থাকে সেই সব কোম্পানি  সাধারণত স্ক্যাম করে থাকে.
২. ক্লাউড মাইনিং কন্ট্রাক্ট এ কন্ট্রাক্ট কন্ফার্ম করার আগে অবশ্যই মাইনিং সেট আপ এবং মেইনটেনেন্স ফী সহ কত টাকা আপনাকে দিতে হবে ভালো ভাবে ক্যালকুলেট জেনে নেবেন না হলে অযথা আপনাকে অতিরিক্ত টাকা দিতে হতে পারে যার ফলে আপনার লাভের পরিমান কমে যাবে.
৩. যে সব ক্লাউড মাইনিং দাতা তাদের লোকেশন, ফার্মের মালিকানা, ফার্মের প্রকৃত  ফটো সহ বিস্তারিত প্রকাশ করে না, সেই সব ক্লাউড মাইনিং দাতাদের এড়িয়ে চলা উচিত কারণ প্রকৃত ক্লাউড মাইনিং ফার্ম গুলি তাদের লোকেশন, ফার্মের মালিকানা, ফার্মের ফটো সহ বিস্তারিত প্রকাশ করে থাকে. এমনকি তারা ইলেকট্রিক বিলের হিসাবও প্রকাশ করে থাকে.
ক্লাউড মাইনিং সার্ভিস নেওয়ার আগে অবশ্যই ভালো ভাবে নিজস্ব রিসার্চ এবং বিভিন্ন ফার্ম সম্পর্কে বিস্তারিত রিভিউ গুলি পড়ে তবেই বিনিয়োগ করবেন.
5/5 - (15 votes)
Mithu Khan

I am a blogger and educator with a passion for sharing knowledge and insights with others. I am currently studying for my honors degree in mathematics at Govt. Edward College, Pabna.