পদার্থ বিজ্ঞান
1 min read

তাপমাত্রা কাকে বলে? | তাপ ও তাপমাত্রার মধ্যে পার্থক্য | তাপমাত্রা পরিমাপের স্কেল

Updated On :

তাপমাত্রা কাকে বলে?

  • তাপমাত্রা হচ্ছে কোনো বস্তুর তাপীয় অবস্থা যা নির্ধারণ করে ঐ বস্তুটি অন্য বস্তুর সংস্পর্শে এলে তাপ হারাবে না গ্রহণ করবে।
  • তাপমাত্রা বা উষ্ণতা হচ্ছে কোনো বস্তু কতটা গরম (উষ্ণ) বা ঠান্ডা (শীতল), তার পরিমাপ এবং তাপশক্তি পরিবহণ দ্বারা সবসময় উষ্ণতর বস্তু থেকে শীতলতর বস্তুতে প্রবাহিত হয়। উষ্ণতা কোনো বস্তুর মোট তাপের পরিমাপ নয়, তাপের “মাত্রা”র পরিমাপ।
  • তাপমাত্রা বস্তুর তাপীয় অবস্থা যা ঐ বস্তু হতে অন্য বস্তুতে তাপ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। অন্য ভাবে বলা যায়, কোনো বস্তু কতটুকু ঠান্ডা বা কতটুকু গরম তাপমাত্রা দিয়ে তা বুঝা যায়।

 

তাপমাত্রা হল কোনো বস্তুর তাপীয় অবস্থা যা নির্ধারন করে, কোনো বস্তুর সংস্পর্শে এলে তাপ গ্রহণ করবে নাকি তাপ বর্জন করবে ।

তাপমাত্রা এই শব্দটি শুনেই বুঝতে পারছেন যে এটি হল তাপের মাত্রা । অর্থাৎ কোনো বস্তুর মধ্যে কি পরিমাণ তাপ আছে একেই তাপমাত্রা বা উষ্ণতা বলা হয়।

ধরুন, ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার একটুকরো বরফ এবং ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার একগ্লাস পানি । দুটো বস্তুর মধ্যের তাপমাত্রা ঐ বস্তুর মধ্যের তাপের মাত্রা বা তীব্রতা নির্দেশ করে ।

উদাহরণ

তাপমাত্রা বা উষ্ণতা হচ্ছে কোনো বস্তু কতটা গরম (উষ্ণ) বা ঠান্ডা (শীতল), তার পরিমাপ।

১ গ্লাস পানিকে যদি তাপ দেওয়া হয় তাহলে ঐ পানির মধ্যে তাপের মাত্রা বৃদ্ধি পাবে । অর্থাৎ কোনো বস্তুকে তাপ দিলে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে ।

ধরুন, ২ টি লোহার দন্ড আছে । ১ টি লোহার তাপমাত্রা হল ৫০°C এবং অপরটির তাপমাত্রা হল ২৫°C ।

এখন যদি ঐ দুটি লোহাকে একসঙ্গে রেখে দেওয়া হয় তাহলে ৫০°C তাপমাত্রার লোহাটি তাপ বর্জন করবে ২৫°C লোহার দিকে । এবং ২৫ °C লোহাটি তাপ গ্রহণ করবে ৫০°C তাপমাত্রার লোহার থেকে । এই কারণেই সংজ্ঞাতে বলা হয়েছে । তাপমাত্রা হল বস্তুর তাপীয় অবস্থা যা নির্ধারন করে ঐ বস্তু অন্য বস্তুর সংস্পর্শে এলে তাপ গ্রহণ করবে নাকি তাপ বর্জন করবে ।

তাপমাত্রা কিভাবে উৎপন্ন হয়

তাপ হলো পদার্থের অণুগুলোর কম্পন ও গতির কারণে সৃষ্ট শক্তি। অর্থাৎ, তাপ পদার্থের অণুগুলোর এলোমেলো গতির ফল। পদার্থের অণুগুলো সবসময় গতিশীল অবস্থায় থাকে। কোনো​ পদার্থের মোট তাপের পরিমাণ এর মধ্যস্থিত অণুগুলোর মোট গতিশক্তির সমানুপাতিক। কোনো​ বস্তুতে তাপ প্রদান করা হলে এর অণুগুলোর ছোটাছুটি বৃদ্ধি পায়, ফলে এর গতিশক্তিও বেড়ে যায়। সুতরাং তাপ পদার্থের আণবিক গতির সাথে সম্পর্কিত এক প্রকার শক্তি যা ঠান্ডা বা গরমের অনুভূতি জাগায়।

তাপমাত্রা স্কেল, তাপমাত্রার বিভিন্ন স্কেলের মধ্যে সম্পর্ক

থার্মোমিটার পরিমাপের সু-সংজ্ঞায়িত স্কেল অনুযায়ী তাপমাত্রা পরিমাপ করে।

তিনটি সবচেয়ে সাধারণ তাপমাত্রা স্কেল হল:

  • সেলসিয়াস স্কেল (°C): সেলসিয়াস স্কেলে পানির হিমাঙ্ক 0ºC এবং পানির স্ফুটনাঙ্ক 100ºC। এক ডিগ্রি সেলসিয়াসের তাপমাত্রার পার্থক্য এক ডিগ্রি ফারেনহাইটের তাপমাত্রার পার্থক্যের চেয়ে বেশি। সেলসিয়াস স্কেলে এক ডিগ্রি ফারেনহাইট স্কেলে 180/100=9/5 এক ডিগ্রির চেয়ে 1.8 গুণ বড়।
  • ফারেনহাইট স্কেল (°F): ফারেনহাইট স্কেলে, পানির হিমাঙ্ক 32ºF এবং স্ফুটনাঙ্ক 212ºF-এ।
  • কেলভিন স্কেল (K): এটি একটি নিখুঁত তাপমাত্রা স্কেল যা সর্বনিম্ন সম্ভাব্য তাপমাত্রায় 0 কে, যাকে পরম শূন্য বলা হয়। এই স্কেলে জলের হিমাঙ্ক এবং স্ফুটনাঙ্ক যথাক্রমে 273.15 K এবং 373.15 K। অন্যান্য তাপমাত্রার স্কেল থেকে ভিন্ন, কেলভিন স্কেল একটি পরম স্কেল। এটি বৈজ্ঞানিক কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

এছাড়াও Rankine (R) স্কেল এখনও ইঞ্জিনিয়ারিং সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়। Rankine (R) একটি পরম-তাপমাত্রার স্কেলের সাথে সম্পর্কিত যেখানে পরিমাপের একক। যার উপর জলের হিমাঙ্ক 491.67° এবং স্ফুটনাঙ্ক 671.67° ।

তাপ ও তাপমাত্রা কাকে বলে

তাপ কাকে বলে

বাহ্যিক যে প্রভাবে কোন বস্তু গরম হয় বা গরম বস্তি ঠান্ডা হয় সেটি হচ্ছে তাপ। তাপ এক প্রকার শক্তি যা গ্রহণ করলে বস্তু উত্তপ্ত হয় এবং বর্জন করলে কোন বস্তু ঠান্ডা হয়ে যায়।

তাপের সংজ্ঞা : তাপ হলো এক প্রকার শক্তি যা গ্রহণ করলে বস্তু উত্তপ্ত হয় এবং বর্জন করলে বস্তু শীতল হয়।

তাপ একক : সিজিএস পদ্ধতিতে তাপের একক হল ক্যালরি। এস আই পদ্ধতিতে তাপের একক জুল। তাপের প্রচলিত একক গুলোর মধ্যে ক্যালোরি এবং জুল সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।

তাপমাত্রা বা উষ্ণতা কাকে বলে

প্রত্যেক বস্তুর মধ্যেই কিছু না কিছু তাপ নিহিত থাকে। একটি বস্তু গরম হোক কিংবা ঠান্ডা, তার মধ্যে কিছু তাপ থাকবেই।

তাপমাত্রা সংজ্ঞা : উষ্ণতা হল বস্তুর এমন এক তাপীয় অবস্থা, যা স্থির করে যে, ঐ বস্তুটি অন্য কোনো বস্তুতে তাপ দেবে, না অন্য বস্তু থেকে তাপ গ্রহণ করবে।

এই বিষয়টি একটি উদাহরণের মাধ্যমে সবচেয়ে ভালো বুঝা যাবে।

ধরি পাশাপাশি দুইটি বালটি তে গরম পানি রাখা আছে। পানিতে স্পর্শ করার পর দেখা গেল প্রথম বালতির পানি বেশি গরম এবং দ্বিতীয় বালতির পানি তুলনামূলক কম গরম। অর্থাৎ বলা যায় দ্বিতীয় বালতির তুলনায় প্রথম ভারতের পানির তাপমাত্রা বেশি। কোন বস্তুর মধ্যে নিহিত তাপের ইন্দ্রিয় গ্রাহ্য এই বহিঃপ্রকাশ টি হল বস্তুর তাপমাত্রা বা উষ্ণতা। অর্থাৎ, তাপমাত্রা হলো কোন পদার্থের মধ্যে তাপের একটি বিশেষ অবস্থা।

তাপমাত্রা একক : CGS এবং SI পদ্ধতিতে উষ্ণতার একক যথাক্রমে ডিগ্রি সেলসিয়াস (°C) এবং কেলভিন (K)।

তাপ ও তাপমাত্রার মধ্যেকার সম্পর্ক

তাপমাত্রা হচ্ছে কোন বস্তুর তাপীয় অবস্থা।

আর তাপ হচ্ছে তাপমাত্রার কারন।

যেমন এক খণ্ড কাঠের তক্তা আর লোহার পাতে সমান পরিমান তাপ দিলেন।কিছুক্ষণ পর দেখবেন লোহার পাতটি হাতে ধরা যাচ্ছে না,আবার ওইদিকে কাঠের তক্তাটি সহজেই ধরা যাচ্ছে।দুইটি পদার্থের তাপমাত্রা ভিন্ন হবার কারনেই আপনি সেটি হাতে নিতে পারছেন/পারছেন না।অথচ তাপ কিন্তু সম পরিমানই দেয়া হয়েছিল।

তাপ ও তাপমাত্রার মধ্যে পার্থক্য

তাপ তাপমাত্রা
তাপ একক প্রকার শক্তি, যা ঠাণ্ডা বা গরমের অনুভূতি জাগায়। তাপমাত্রা হচ্ছে বস্তুর তাপীয় অবস্থা, যা অন্য বস্তুর তাপীয় সংস্পর্শে নিয়ে এলে তাপ দেবে-না নেবে তা নির্ধারণ করে।
তাপ হলো তাপমাত্রার কারণ। তাপমাত্রা হল তাপের ফল।
দুটি বস্তুর তাপের পরিমাণ এক হওয়া সত্ত্বেও তাদের তাপমাত্রা আলাদা হতে পারে। দুটি বস্তুর তাপমাত্রা এক হলেও তাদের তাপের পরিমাণ আলাদা হতে পারে।
দুটি বস্তুর মধ্যে তাপের আদান প্রদান তাদের তাপের পরিমাণের ওপর নির্ভর করে না। দুটি বস্তুর মধ্যে তাপের আদান প্রদান বস্তু দুটি তাপমাত্রা পার্থক্যের ওপর নির্ভর করে।
বস্তু দ্বারা গৃহিত বা বর্জিত তাপের পরিমাণ ক্যালরি মিটার যন্ত্রের সাহায্যে মাপা হয়। থার্মোমিটারের সাহায্যে বস্তুর তাপমাত্রা মাপা হয়।
CGS পদ্ধতিতে তাপের একক ক্যালরি এবং SI পদ্ধতিতে তাপের একক জুল। CGS পদ্ধতিতে তাপমাত্রা একক ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং SI পদ্ধতিতে তাপমাত্রা একক কেলভিন।
তাপ বস্তুস্থিত অণুর শক্তির সমানুপাতিক। তাপমাত্রা বস্তুস্থিত গড় শক্তির সমানুপাতিক।
তাপ ও তাপমাত্রার মধ্যে পার্থক্য

পরম শূন্য তাপমাত্রা কাকে বলে

পরম তাপমাত্রা বলতে বুঝানো হয় এমন এক তাপমাত্রা, যার চাইতে ঠান্ডা কোনো কিছু হতে পারে না। এই তাপমাত্রায় যেকোনো গ্যাসের আয়তন গাণিতিকভাবে শূন্য হয়। এর মান শূন্য কেলভিন, -২৭৩.১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস অথবা -৪৫৯.৬৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট ।

তাত্ত্বিকভাবে, পরম শূন্যের নিচে কোনো তাপমাত্রা থাকা সম্ভব নয়। এটা এমন একটা তাপমাত্রা, যেখানে পরমাণু নিজের গতি হারিয়ে ফেলে একেবারেই নিশ্চল হয়ে যায়। আর তাই পরম শূন্য তাপমাত্রায় আসে চরম স্থিতি, অর্থাৎ এনট্রপি হয় সর্বনিম্ন। তবে গবেষকরা সম্প্রতি এই ধারণাকে ভেঙে দিতে সক্ষম হয়েছেন।

পরম শূন্য তাপমাত্রা কত

যে তাপমাত্রায় সকল গ্যাসের আয়তন শূন্য হয়ে যায় তাকে পরম শূন্য তাপমাত্রা বলে। (তাত্ত্বিকভাবে)

এর মান: —273. 15⁰C or 0K

কিন্তু বাস্তবতা আলাদা, দেখা যায় যে ঐ তাপমাত্রায় পৌঁছানোর পূর্বেই অনেক গ্যাসের আয়তন শূন্য হয়ে যায়।

আরেকভাবে, যে তাপমাত্রায় কোনো থার্মোডায়নামিক সিস্টেমে সর্বাপেক্ষা কম শক্তি থাকে।

মানুষের শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা কত

মানবদেহের স্বাভাবিক গড় তাপমাত্রা ৯৮.৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা 37 ° সেন্টিগ্রেড । তবে দিনের বিভিন্ন সময়ে মানবদেহের তাপমাত্রা খানিকটা উঠা নামা করতে পারে। নবজাতক শিশুর ক্ষেত্রে তাপমাত্রা কিছুটা বেশি লক্ষ্য করা যায়।

শরীরের তাপমাত্রা কত হলে জ্বর ধরা হয়

সাধারণত ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট ওপরে তাপমাত্রাকে জ্বর হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ সময় শরীরে দুর্বলতা ও অন্যান্য উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

শরীরে প্রোস্টারগ্ল্যানডিং নামক লোকাল হরমোনের নিঃসরণ বেড়ে গেলে শরীরের তাপমাত্রা বাড়তে পারে। প্রোস্টারগ্ল্যানডিং হরমোন শরীরের সব কোষের মেমব্রেনেই থাকে। এতে শরীরে জ্বর জ্বর অনুভূতি হতে পারে। সাধারণত ১০১ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রাকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করতে হবে।’

তাপমাত্রা মাপার যন্ত্রের নাম কি

তাপমাত্রা পরিমাপের যন্ত্রের নাম থার্মোমিটার।

  • থার্মোমিটার : যে যন্ত্রের সাহায্যে কোনো বস্তুর উষ্ণতা সঠিকভাবে পরিমাপ করা যায়, তাকে থার্মোমিটার বলে।
  • পারদ থার্মোমিটার : যে থার্মোমিটারে উষ্ণতামাপক পদার্থ হিসেবে পারদ ব্যবহৃত হয়, তাকে পারদ থার্মোমিটার বলে।
  • অংশাঙ্কন : পারদ থার্মোমিটারে গায়ে বিভিন্ন উষ্ণতা-নির্দেশক দাগ কাটা থাকে। একে অংশাঙ্কন বলে।

কেলভিন স্কেলে প্রমাণ তাপমাত্রার মান কত

কেলভিন স্কেলে প্রমাণ তাপমাত্রার মান 273 K।

সংকট তাপমাত্রা কাকে বলে

প্রত্যেকটি গ্যাসীয় পদার্থের একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রা আছে, যে তাপমাত্রার উপরে গ্যাসটি থাকলে যত চাপই প্রয়োগ করা হোক না কেন গ্যাসটিকে তরলে রুপান্তর করা যায় না। এই তাপমাত্রাকে উক্ত গ্যাসের ক্রান্তিক বা সংকট তাপমাত্রা বলে।

উদাহরণস্বরূপ, কার্বন ডাই অক্সাইডের সংকট তাপমাত্রা 304.2 কেলভিন, যার অর্থ হল কোনোভাবেই 304.2 কেলভিনের অধিক তাপমাত্রায় কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাসকে তরলে পরিবর্তন করা অসম্ভব।

FAQ | তাপমাত্রা

Q1. তাপমাত্রা কি

Ans – তাপমাত্রা বস্তুর তাপীয় অবস্থা যা ঐ বস্তু হতে অন্য বস্তুতে তাপ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। অন্য ভাবে বলা যায়, কোনো বস্তু কতটুকু ঠান্ডা বা কতটুকু গরম তাপমাত্রা দিয়ে তা বুঝা যায়।

Q2. কোন গ্রহের তাপমাত্রা তুলনামূলকভাবে অধিক

Ans – শুক্র গ্রহ সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে সৌরজগতের দ্বিতীয় গ্রহ, শুক্র গ্রহ এটি সৌরজগতের সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহ। গ্রহটির তাপমাত্রা ৪৬৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হতে পারে। এই উচ্চ তাপমাত্রার কারণ হচ্ছে, গ্রহটির বায়ুমন্ডল খুবই ঘন।

Q3. সূর্যের তাপমাত্রা কত

Ans – সূর্যের কেন্দ্রের তাপমাত্রা হচ্ছে ১৫.৭ মিলিয়ন কেলভিন।

Q4. পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা কত

Ans – পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ১৩.৯° সে । পৃথিবীর তাপমাত্রা গত ১০০ বছরে বেড়েছে প্রায় ০.৭৪ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড । বিজ্ঞানীদের ধারণা, আগামী ১৫ বছরেই পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়বে ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ৷

Q5. কোন তাপমাত্রায় সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেল সমান

Ans – –40°C বা, –40°F তাপমাত্রায় সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেল সমান ।
মনে করি, x° উষ্ণতায় সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেল পাঠ পরস্পর সমান হবে।
প্রশ্নানুসারে, x/5 = (x-32)/9 বা, 9x = 5x – 160 বা, 4x = -160
সুতরাং, x = – 40
সুতরাং, নির্ণেয় উষ্ণতা –40°C বা, –40°F ।

তাপমাত্রা পরিমাপের স্কেল

তাপমাত্রার তিনটি স্কেল ব্যবহার হয়ে থাকে। সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় সেলসিয়াস স্কেল। কিন্তু অনেকসময় ফারেনহাইট স্কেলও ব্যবহৃত হয়। আর পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নে বেশি ব্যবহৃত হয় কেলভিন স্কেল।

 

শেষ কথা:

আশা করি আপনাদের এই আর্টিকেলটি পছন্দ হয়েছে। আমি সর্বদা চেষ্টা করি যেন আপনারা সঠিক তথ্যটি খুজে পান। যদি আপনাদের এই “তাপমাত্রা কাকে বলে? | তাপমাত্রা পরিমাপের স্কেল” আর্টিকেলটি পছন্দ হয়ে থাকলে, অবশ্যই ৫ স্টার রেটিং দিবেন।

 

5/5 - (38 votes)