ঝুঁকি আছে জেনেও লাভের প্রত্যাশায় কষ্টসাধ্য কাজে হাত দেয়াকে উদ্যোগ বলে। আর যিনি এ উদ্যোগ গ্রহণ করেন তিনিই উদ্যোক্তা। অন্য কথায়, ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা উৎপাদনের বিভিন্ন উপাদান একত্র করে যিনি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান স্থাপনের প্রাথমিক উদ্যোগ গ্রহণ করেন তাকে ব্যবসায় উদ্যোক্তা বলে।

উদ্যোক্তার বৈশিষ্ট্য

উত্তরঃ উদ্যোক্তার বৈশিষ্ট্য প্রধানত চারটি। যথা–
১. মনস্তাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য
২. অর্থনৈতিক বৈশিষ্ট্য
৩. সামাজিক বৈশিষ্ট্য এবং
৪. ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্য।

উদ্যোক্তার প্রকারভেদ
উদ্যোক্তার বৈশিষ্ট্য ও গুণাগুণের ভিত্তিতে উদ্যোক্তাকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা–

  • কারিগরি দক্ষতাসম্পন্ন উদ্যোক্তা
  • সুযোগসন্ধানী উদ্যোক্তা
  • উদ্ভাবনী ক্ষমতাসম্পন্ন উদ্যোক্তা
  • অনুকরণপ্রিয় উদ্যোক্তা এবং
  • উদ্যমী, সাহসী ও পরিশ্রমী উদ্যোক্তা

কারবারের প্রকৃতি অনুসারে উদ্যোক্তাকে তিন শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা–

  • শিল্পোদ্যোক্তা
  • বাণিজ্যিক উদ্যোক্তা
  • সেবা প্রদানকারী উদ্যোক্তা

 

উদ্যোক্তাকে কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী বলা হয় কেন?
উদ্যোক্তা নিজের কর্মসংস্থান তৈরির সাথে অন্যেরও কাজের সুযোগ করে দেন।

তিনি তার উদ্ভাবনী শক্তির মাধ্যমে নতুন শিল্প কারখানা প্রতিষ্ঠা করেন। এতে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়। ফলে এসব ক্ষেত্রে কর্মী নিয়োগের মাধ্যমে দেশের বেকারত্ব কমানো যায়। আর, উদ্যোক্তা ব্যবসায়ের নতুন ক্ষেত্র তৈরি না করলে বেকার সমস্যার সমাধান হতো না।
তাই উদ্যোক্তাকে কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী বলা হয়।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x