b

এনটিটি রিলেশনশীপ মডেল (E-R Model) হলো একটি এনটিটি সেটের বিভিন্ন এনটিটিগুলোর মধ্যে সম্পর্ক প্রকাশের পদ্ধতি। ডেটাবেজ ডিজাইনে এনটিটি মডেল ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ১৯৭০ সালে E.F. Codd প্রথম প্রাথমিক কী ব্যবহার করে দুটি ডেটাবেজের মাঝে সম্পর্ক তৈরির পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন। তার ধারণা অনুযায়ী বৃহৎ ডেটাবেজকে ভেঙ্গে আলাদা আলাদা ডেটা টেবিল তৈরি করে নিতে হবে, পরে কোন কমন (Common) ফিল্ডের ভিত্তিতে টেবিলসমূহের মধ্যে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা যাবে।

ধরা যাক, কোন একটি কোম্পানিতে কর্মচারীদের তথ্যভিত্তিক একটি ফাইল রয়েছে, যাতে ফিল্ড হিসেবে আছে কর্মচারী-কোড, নাম, ঠিকানা ইত্যাদি। অপর একটি ফাইলে ফিল্ড আছে কর্মচারী-কোড, ডিপার্টমেন্ট, পদবি ইত্যাদি। এবং অন্য আরেকটি ফাইল আছে কর্মচারীদের বেতনাদি সংক্রান্ত তথ্য। এতে ফিল্ড আছে মূল বেতন, বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা, বােনাস, কর্মচারী কোড ইত্যাদি।

তিনটি টেবিলেই কর্মচারী কোডটি বিদ্যমান। প্রত্যেক কর্মচারীকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করার জন্য এখানে একটি Unique নম্বর থাকবে। এ ফিল্ডটি হচ্ছে কমন ফিল্ড বা প্রাইমারি কী। এ প্রাইমারি কী ব্যবহার করে এ তিনটি ফাইলের মধ্যে রিলেশনশীপ বা সম্পর্ক তৈরি করা যাবে।

ধরা যাক, ছাত্র এবং কোর্স নামে দুটি এনটিটি সেট রয়েছে। ছাত্র এনটিটি সেটে ছাত্র-আইডি, ভর্তির তারিখ, বয়স ও ঠিকানা এ চারটি এট্রিবিউট আছে। কোর্স এনটিটি সেটের আওতায় কোর্সের নাম, কোর্স ফি, ছাত্র-আইডি এবং বছর এ চারটি এট্রিবিউট আছে। এখন এট্রিবিউটসমূহের উপর ভিত্তি করে একটি এনটিটি রিলেশনশীপ ছক তৈরি করা যায়।

এনটিটি রিলেশনশীপ মডেল (E-R Model) কি?

 

উভয় এনটিটি সেটের মধ্যে ছাত্র-আইডি একটি কমন এট্রিবিউট। এ কমন এট্রিবিউটির উপর ভিত্তি করে এনটিটি সেটদ্বয়ের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x