আমাদের জীবনে অনেক ক্ষেত্রেই স্বাক্ষর প্রদান করতে হয়। ব্যবসা, চাকুরি, ব্যাংকিং নানা ক্ষেত্রে একটি স্বাক্ষর একজন ব্যক্তিকে সনাক্ত করতে সহায়তা করে। এ স্বাক্ষর কোন লিখিত ডকুমেন্টে সাধারণত কলমের সাহায্যে লিখে একজন প্রকাশ করে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে ইলেকট্রনিক স্বাক্ষর এর প্রচলন শুরু হয়েছে যা ডিজিটাল কোন ডকুমেন্ট স্বাক্ষরকারীর সঠিক উপস্থিতির প্রমাণ। ডিজিটাল স্বাক্ষরে অটোমেটিকভাবে তারিখ, সময় সংযোজিত হয়ে যায়। ডিজিটাল স্বাক্ষরে দুই ধরনের Key থাকে। ১. Private Key ও ২. Public Key.

ডিজিটাল স্বাক্ষরের গুরুত্ব :

১. ই-কমার্সকে গতিপ্রাপ্ত করছে।

২. স্বাক্ষরকারীর স্বাক্ষরটির মাধ্যমে আইনগত নিশ্চয়তা নিশ্চিত করে।

৩. অর্থ ও সময়ের অপচয় কমিয়ে দিচ্ছে।

৪. কাগজের অপচয় বন্ধ করে পরিবেশ উন্নয়নে সাহায্য করছে।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x