গুগোল আমার বিয়ে হবে কবে ।  আপনার বিয়ে কার সঙ্গে হবে

আসসালামু আলাইকুম আজকে আলোচনা করব গুগল আমার বিয়ে হবে কবে আপনার বিয়ে কার সঙ্গে হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা  সারা বিশ্বজুড়ে অনেক লোক রয়েছেন যাদের সময়মতো বিয়ে হয় না।

অনেক দেরিতে বিয়ে হয় তাদের মনে এসব প্রশ্ন আসে যে আমার কবে বিয়ে হবে। বিয়ে কার সঙ্গে হবে। এসব জানার জন্য তারা একটি কাজ করে থাকেন সেটা হচ্ছে গুগোল এর সঙ্গে কথা বলে। যাদের সময় মতো বিয়ে হয় না তারা গুগলকে বলে গুগোল আমার বিয়ে হবে কবে আপনার বিয়ে কার সঙ্গে হবে এরকম সার্চ করে থাকেন আজকে তাদের জন্য আমাদের এই আলোচনা। 

তারা গুগলের সার্চ করে জানতে চায় আমার বিয়ে হবে কবে আপনার বিয়ে কার সঙ্গে হবে এসব। গুগোল আমার বিয়ে হবে কবে আপনার বিয়ে কার সঙ্গে হবে এগুলো  সার্চ করে থাকেন গুগলের। তাই জেনে নিন বিয়ে না হওয়ার কারণগুলো, বিয়ে না হলে কি করা উচিত, বিয়ে কেন হচ্ছেনা ইত্যাদি এসব প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব।

নিচে উল্লেখিত বিষয়গুলোতে চলুন জেনে নেই আমার বিয়ে হবে কবে, আমার বিয়ে কার সঙ্গে হবে, আমার বিয়ে কেন হচ্ছে না, আমার বিয়ে না হওয়ার কারণ কি, বিয়ের  না হলে কি করা উচিত, 40 দিনের মধ্যে বিয়ে হওয়ার আমল জেনে নিন, সাত দিনের মধ্যে বিয়ে হওয়ার আমল জেনে নিন, এবং ছেলেদের খুব তাড়াতাড়ি বিয়ে হওয়ার জন্য আমল জেনে নিন।

মেয়েদের তাড়াতাড়ি বিয়ে হওয়ার জন্য আমল জেনে নিন, তিন দিনের মধ্যে বিয়ে হওয়ার আমল জেনে নিন ইত্যাদি। গুগোল আমার বিয়ে হবে কবে এবং আমার বিয়ে কার সঙ্গে হবে উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলো ইতিমধ্যে অনেক কিছু আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করেছি সকলের মনোযোগ দিয়ে দেখে নিন।

 সূচিপত্রঃ গুগোল আমার বিয়ে হবে কবে ।  আমার বিয়ে কার সঙ্গে হবে।

  • মেয়েদের খুব তাড়াতাড়ি বিয়ে হওয়ার আমল জেনে নিন
  • ছেলেদের খুব তাড়াতাড়ি বিয়ে হওয়ার আমল জেনে নিন
  • বিয়ে না হলে কি করা দরকার জেনে নিন
  • গুগোল আমার বিয়ে হবে কবে
  • সাত দিনের মধ্যে বিয়ে হওয়ার আমল জেনে নিন
  • 40 দিনের মধ্যে বিয়ে হওয়ার আমল জেনে নিন
  • তিন দিনের মধ্যে বিয়ে হওয়ার আমল জেনে নিন
  • শেষ কথাঃ গুগোল আমার বিয়ে হবে কবে /  আমার বিয়ে কার সঙ্গে হবে

গুগোল আমার বিয়ে হবে কবে/ আমার বিয়ে কার সঙ্গে হবে/ আমার কেন হচ্ছে নাঃ

প্রত্যেকটি মানুষের বিয়ে হচ্ছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বৈধ কাজ। মহান আল্লাহতালা নারী-পুরুষদের বিয়ে ফরজ করেছেন। আপনার বিয়ে কবে হবে কখন হবে কোথায় হবে এই ঘোষণা শুধু মহান আল্লাহতালা সঠিকভাবে জানে। আপনার বিয়ে কখন হবে কোথায় হবে কিভাবে হবে মহান আল্লাহ তাআলা ছাড়া আর অন্য কেউ জানে না।

আপনার বিয়ের যখন হুকুম হবে মহান আল্লাহতালা আপনার বিয়ের হুকুম যখন করবে তখনই আপনার বিয়ে হবে। বিয়ে যেহেতু ফরজ কাজ তাই অবশ্যই মেয়েদের 18 বছর হলে এবং ছেলেদের 21 বছর হলে বিয়ে হওয়া খুবই জরুরী। তাই এই বয়সে সময় কখনো অবিবাহিত ভাবে থাকবেন না। খুব শীঘ্রই বিয়ে করতে হবে।

আমরা সকলেই একটি কথা বলে থাকি যে কথাটা হচ্ছে জন্ম-মৃত্যু বিয়ে   সব মহান আল্লাহতালার হাতে। জন্ম-মৃত্যু-বিয়ে সব কিছু সিদ্ধান্ত মহান আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন।

গুগোল আমার বিয়ে হবে কবে ।  বিয়ে না হলে কি করা দরকারঃ

বিয়ের উপযুক্ত যদি কোন মেয়ে থাকে । সেক্ষেত্রে আপনার যদি কোন কারণে বিয়ে না হয়। এত বিয়ের ঘর আসার পরেও বিয়ে ভেঙে যায়। এরকম সমস্যা অনেক ফ্যামিলিতে হয়ে থাকে। বিয়ের ঘর আসছে কিন্তু বিয়ে হচ্ছে না এগুলো দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আপনি অবশ্যই সঠিক সময়ে নিয়মমতো আমলগুলো করার চেষ্টা করুন। দেখবেন আপনার আর বিয়ে ভেঙে যাবে না।

কোনো মেয়ের যদি বিয়ে না হয় সে মেয়ের বাবা-মা যেকোনো একজনকে মেয়ের বিয়ের নিয়ত করে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়তে হবে।

মেয়ে ছেলে উভয়ই এই দোয়া পড়তে হবে ইয়া লাতিফু 5০০ প্রতিদিন পাঠ করতে থাকুন। আপনার সন্তানের আর বিয়ে ভাঙবে না।

গুগোল আমার বিয়ে হবে কবে । 40 দিনের মধ্যে বিয়ে হওয়ার আমল জেনে নিনঃ

সমাজে এমন কিছু লোক রয়েছেন যাদের বিয়ের বয়স হয়েছে কিন্তু বিয়ে হচ্ছে না। বিয়ের বয়স পার হয়ে যায় বিয়ে হয় না। পাত্রপক্ষ বা পাত্রীপক্ষ এসে ফিরে যায় বিয়ে হয় না ইত্যাদি এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আপনি প্রত্যেক ফজরের নামাজের পর সূর্যোদয়ের আগে 40 বার করে 40 দিন পর্যন্ত ছেলেরা ডান হাত দিয়ে বাম হাতের কুনি চেপে ধরে ওমেরা বাম হাত দিয়ে ডান হাতের কব্জিতে ধরে

গুগোল আমার বিয়ে হবে কবে । তিন দিনের মধ্যে বিয়ে হওয়ার আমল জেনে নিনঃ

সমাজে এমন কিছু ছেলে মেয়ে রয়েছে যাদের বয়স পেরিয়ে যায় বিয়ে হয় না। তাদের আমি খুব দ্রুত বিয়ে হওয়ার জন্য কিছু আমল পালন করুন। যা করলে মহান আল্লাহ পাক চাইলে তিন দিনের মধ্যে আপনার বিয়ে হওয়ার সম্ভাবনা হবে। ফরজ নামাজের পর এই আমলটি করতে হবে।

ফজরের নামাজের পর দুরুদে ইব্রাহীম ও অন্য যে দুরুদ শরীফ আপনি জানেন সেই দুরুদ শরীফ পড়ুন তিনবার সাত  বার  11 বার পাঠ করলে আপনার বিয়ে হবে।  সূরা ইয়াসীন 41 বার ও শেষে আবার 3, ৭ 11 বার দুরুদ শরীফ পাঠ করতে হবে।  একদিনে সূরা ইয়াসীন 41 বার পড়তে না পারলে তাহলে তিন দিনে ভাগ করে আপনি এই আমলটি করতে পারেন। এজন্য আপনাকে 15 বার, দ্বিতীয় দিন 15 বার তৃতীয় দিন 11 বার সুরা ইয়াসিন পাঠ করতে হবে। সূরা ইয়াসিন পড়ার আগে অবশ্যই দুরুদ শরীফ পাঠ করতে হবে।

মেয়েদের তাড়াতাড়ি বিয়ে হওয়ার আমল জেনে নিন /  ছেলেদের তাড়াতাড়ি বিয়ে হওয়ার আমল জেনে নিনঃ

ছেলে মেয়ে বিয়ের  আমল । ছেলে-মেয়েদের খুব তাড়াতাড়ি বিয়ে হওয়ার আমল উভয়ের বিয়ে করার আমল  একই। মেয়েদের তাড়াতাড়ি বিয়ে হওয়ার আমল ও ছেলেদের খুব তাড়াতাড়ি বিয়ে হওয়ার আমল যেহেতু একই তাই উভয়ের তিনদিনের সাতদিনের ও চল্লিশ দিনের মধ্যে যেকোনো একটি আমল করতে হবে। আপনি যদি এই আমল গুলো করতে পারেন খুব দ্রুত বিয়ে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

গুগোল আমার বিয়ে হবে কবে । সাত দিনের মধ্যে বিয়ে হওয়ার আমল জেনে নিনঃ

আমরা সবাই জানি জন্ম-মৃত্যু সব মহান আল্লাহর হাতে। মহান আল্লাহতালা যখন চাইবে তখন তার বিয়ে হবে। বাংলায় একটি অনুবাদ রয়েছে, বিয়ের ফুল ফুটলে বিয়ে হবে। অনেক মেয়ে ছেলে আছে যাদের খুব দ্রুত বিয়ের বয়স হওয়ার সাথে সাথে বিয়ে হয়ে যায়।

আবার অনেক লোক রয়েছেন যাদের এত বিয়ের ঘর আসে বিয়ে হতে চায় না বিয়ে ভেঙে যায়। শত চেষ্টা করার পরও তাদের বিয়ে হচ্ছে না তারা এই আমল গুলো করতে পারেন। বিয়ে নিয়ে যাদের এই রকম সমস্যা রয়েছে তারা এই আমল গুলো করতে পারেন খুব দ্রুত বিয়ে হয়ে যাবে।  7 দিনে মধ্যে যেকোনো একটি আমল করলে ইনশাল্লাহ আপনার বিয়ে খুব দ্রুত হবে।

 আমল গুলো জেনে নিনঃ

বেশি বেশি করে এস্তেগফার করুনঃ যে মানুষ বেশি বেশি জাবানে এতেকাফ জারি রাখে সে মোস্তাহাব যোগ হয়ে যায়। যার ফিরিয়ে দিতে পারেন না।

দোয়া-১:*  أَستَغْفِرُ اللهَ  উচ্চারণঃ আস্তাগফিরুল্লা-হ।  অনুবাদঃ আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি।  প্রতি ওয়াক্তের ফরয সালাতে সালাম ফিরানোর পর রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এই দোয়া ৩ বার পড়তেন। [মিশকাত-৯৬১]  এছাড়াও সারাক্ষণ টয়লেট বাথরুম ছাড়া এই ইস্তেগফার টি পড়ে জিহবা ভিজিয়ে রাখুন এর ফজিলত অনেক বেশি।

দোয়া-২:* মূল আরবীঃ أَسْتَغْفِرُ اللهَ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ উচ্চারণঃ আস্তাগফিরুল্লা-হা ওয়া আতূবু ইলাইহি। অনুবাদঃ আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি ও তাঁর দিকে ফিরে আসছি। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) প্রতিদিন ৭০ বারের অধিক তাওবা ও ইসতিগফার করতেন। [বুখারী-৬৩০৭] 

দোয়া-৩:* মূল আরবীঃ أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الَّذِي لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الْحَىُّ الْقَيُّومُ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ 

উচ্চারণঃ আস্‌তাগফিরুল্লা-হাল্লাযী লা- ইলা-হা ইল্লা- হুওয়াল হাইয়্যুল কইয়্যূম ওয়া আতূবু ইলায়হি। অনুবাদঃ আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই, তিনি ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন মা‘বূদ নেই, তিনি চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী এবং তাঁর কাছে তাওবাহ্ করি। এই দোয়া পড়লে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিবেন-যদিও সে যুদ্ধক্ষেত্র হতে পলায়নকারী হয়। [আবু দাউদ-১৫১৭, তিরমিযী-৩৫৭৭, মিশকাত-২৩৫৩] দোয়া-

৪:*মূল আরবীঃ رَبِّ اغْفِرْ لِيْ وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ (أنْتَ) التَّوَّابُ الرَّحِيْمُ / الغَفُوْرُ 

উচ্চারণঃ রাব্বিগ্ ফিরলী, ওয়া তুব ‘আলাইয়্যা, ইন্নাকা আনতাত তাওয়া-বুর রাহীম। দ্বিতীয় বর্ণনয় “রাহীম”-এর বদলে: ‘গাফূর’। 

অনুবাদঃ হে আমার প্রভু, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার তাওবা কবুল করুন। নিশ্চয় আপনি মহান তাওবা কবুলকারী করুণাময়। দ্বিতীয় বর্ণনায়: তাওবা কবুলকারী ও ক্ষমাকারী। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) মসজিদে বসে এক বৈঠকেই এই দোয়া ১০০ বার পড়েছেন। [আবূ দাঊদ-১৫১৬, ইবনু মাজাহ-৩৮১৪, তিরমিযী-৩৪৩৪, মিশকাত-২৩৫২] দোয়া-৫: (সাইয়েদুল ইস্তিগফার-বা আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাওয়ার শ্রেষ্ঠ দুআ:* সায়্যিদুল ইস্তেগফার সব চেয়ে শ্রেষ্ট ইস্তেগফার। এবং এটি সকাল সন্ধ্যার জিকির। 

মূল আরবীঃ اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ وَأَبُوءُ لَكَ بِذَنْبِي فَاغْفِرْ لِي فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ

উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা আনতা রব্বী লা-ইলাহা ইল্লা আনতা খালাক্কতানী ওয়া আনা আ’বদুকা ওয়া আনা আ’লা আহ্দিকা ওয়া ও’য়াদিকা মাসতাত’তু আ’উযুবিকা মিন শার্রি মা ছা’নাতু আবূউলাকা বিনি’মাতিকা আ’লাইয়্যা ওয়া আবূউলাকা বিযানবী ফাগ্ফির্লী ফাইন্নাহু লা-ইয়াগফিরুয্যুনূবা ইল্লা আনতা অনুবাদঃ হে আল্লাহ তুমিই আমার প্রতিপালক। তুমি ছাড়া কোন ইলাহ নেই।

তুমিই আমাকে সৃষ্টি করেছ। আমি তোমারই গোলাম। আমি যথাসাধ্য তোমার সঙ্গে প্রতিজ্ঞা ও অঙ্গীকারের উপর আছি। আমি আমার সব কৃতকর্মের কুফল থেকে তোমার কাছে পানাহ চাচ্ছি। তুমি আমার প্রতি তোমার যে নিয়ামত দিয়েছ তা স্বীকার করছি। আর আমার কৃত গুনাহের কথাও স্বীকার করছি। তুমি আমাকে মাফ করে দাও। কারন তুমি ছাড়া কেউ গুনাহ ক্ষমা করতে পারবে না। এই দোয়া সকালে পড়ে রাতের আগে মারা গেলে অথবা রাতে পড়ে সকালের আগে মারা গেলে সে জান্নাতে যাবে। [বুখারী-৬৩০৬]

শেষ কথাঃ

গুগোল আমার বিয়ে হবে কবে | আমার বিয়ে কার সঙ্গে হবেঃ

উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলোতে ইতিমধ্যে আলোচনা করা হয়েছে যাদের বয়স হয়ে গেছে বিয়ে হচ্ছে না তাদের জন্য, বিয়ের ঘর আসে বিয়ে হয় না বিয়ের বয়স পেরিয়ে যায় বিয়ে হয় না এরকম বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দূর করার জন্য আপনি এই আমগুলো করতে পারেন।

গুগোল আমার বিয়ে হবে কবে আমার বিয়ে কার সঙ্গে হবে আমার বিয়ে হচ্ছে না কেন বিয়ে না হলে কি করা দরকার 40 দিনের মধ্যে বিয়ে করার আমল 7 দিনের মধ্যে বিয়ে করার আমল তিন দিনের মধ্যে বিয়ে করার আমল মেয়েদের খুব তাড়াতাড়ি বিয়ে হওয়ার আমল ছেলেদের খুব তাড়াতাড়ি বিয়ে হওয়ার আমল ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে সকলের মনোযোগ দিয়ে পড়েন।

Rate this post

By Mithu Khan

I am a blogger and educator with a passion for sharing knowledge and insights with others. I am currently studying for my honors degree in mathematics at Govt. Edward College, Pabna.