মাদার তেরেসা সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর : মাদার তেরেসা ছিলেন একজন অসাধারণ মানবসেবী। বাংলাদেশ থেকে শুরু করে পৃথিবীজুড়েই তাঁর সেবা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। যেখানে দুঃখ, দারিদ্র্য, অসহায়তা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, সেখানেই সেবার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন মাদার তেরেসা। সেবার ব্রত নিয়েই তিনি সারাজীবন ব্যস্ত থেকেছেন বাংলার মানুষের জন্য তাঁর বিশেষ দরদ ছিল।

তাই বহু প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে তিনি বাঙালির জীবনকে শান্তিতে ভরে তুলতে চেষ্টা করেছেন। শান্তির এই সাধককে শ্রদ্ধা জানিয়েছে সারা পৃথিবী। নোবেল পুরস্কারের মতো বড় পুরস্কারও তিনি অর্জন করেছেন। জীবনের যত পুরস্কার তিনি পেয়েছেন, তার সব অর্থই খরচ করেছেন মানবসেবার কাজে।

মাদার তেরেসা সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর

সৃজনশীল প্রশ্ন ১ : আবদুল মজিদ মাস্টারের অর্থসম্পদ তেমন নেই। কিন্তু অন্যের উপকার করে তিনি খুব আনন্দ পান। এলাকার গরিবদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য মজিদ মাস্টার নিজে কিছু টাকা দিয়ে এবং অন্যদের সহযোগিতায় একটি ফান্ড গঠন করেন। এতে হত দরিদ্র পরিবারের ছেলেমেয়েদের বিয়ে থেকে শুরু করে পড়াশোনার খরচ ও দাফন-কাফনের কাজও চলতে থাকে।

ক. শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য মাদার তেরেসা কর্তৃক স্থাপিত প্রতিষ্ঠানটির নাম কী?
খ. ‘ভালোবাসা দিয়ে দুনিয়া জয় করা সম্ভব’— ‘মাদার তেরেসা’ প্রবন্ধের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকের আবদুল মজিদ মাস্টারের মধ্যে মাদার তেরেসার কাজের যে দিকটি ফুটে উঠেছে, তার ব্যাখ্যা দাও ।
ঘ. ‘আবদুল মজিদ মাস্টার ও মাদার তেরেসার দৃষ্টান্ত অনুসরণ করলে মানবজীবন শান্তিময় হয়ে উঠবে,। – এ বাক্যের – তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

ক. শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য মাদার তেরেসা কর্তৃক স্থাপিত প্রতিষ্ঠানটির নাম ‘নবজীবন আবাস’।

খ. ভালোবাসা ও মমতা দিয়েই মাদার তেরেসা সারা বিশ্বের মানুষের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছিলেন।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা ও ধ্বংস দেখে মাদার তেরেসা মানবসেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেন। নিজের জীবন তিনি অবহেলিত বস্তির শিশু, শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী, অনাথ শিশুদের সেবায় ব্যয় করেন।

এমনকি দুর্গন্ধময় কুষ্ঠরোগীকে সবাই পরিত্যাগ করলেও তিনি নিজ হাতে তাদের সেবা করতেন। মানবসেবার স্বীকৃতিস্বরূপ নোবেল পুরস্কার লাভ করলেও সেই অর্থ তিনি গরিব-দুঃখীদের দান করেন। তিনি দেখিয়েছেন ভালোবাসা দিয়ে দুনিয়া জয় করা সম্ভব। সারা পৃথিবীর মানুষ আজও তাঁকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে।

গ. উদ্দীপকের আবদুল মজিদ মাস্টারের মধ্যে মাদার তেরেসার মানবসেবার দিকটি ফুটে উঠেছে। ‘মাদার তেরেসা’ রচনায় মাদার তেরেসা নোবেল পুরস্কারের অর্থমূল্য পেলেও তা নিজের কাজে ব্যয় করেননি। এমনকি নোবেল কমিটি যে ভোজসভার আয়োজন করে, তিনি তাতে অসম্মতি প্রকাশ করে বলেন সেই টাকাগুলো ক্ষুধার্ত মানুষদের মাঝে বিলিয়ে দেওয়ার জন্য।

মানুষের দুঃখ-দুর্দশায় উদ্দীপকের আবদুল মজিদ মাস্টার এগিয়ে আসেন। তিনিও গরিবদের জন্য অন্যের সহায়তায় একটি ফান্ড গঠন করেন, যা ‘মাদার তেরেসা’ রচনার সাথে মিল রয়েছে। উদ্দীপকের মজিদ সাহেব আর্থিকভাবে সচ্ছল না হলেও, মানুষকে সাহায্য করার মানসিকতা নিয়ে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। মাদার তেরেসার এই দিকটিই উদ্দীপকের আবদুল মজিদ মাস্টারের মধ্যে ফুটে উঠেছে।

ঘ. ‘আবদুল মজিদ মাস্টার ও মাদার তেরেসার দৃষ্টান্ত অনুসরণ করলে মানবজীবন শান্তিময় হয়ে উঠবে।’- উক্তিটি যথার্থ।
যারা সেবাব্রতী মনে মানুষের পাশে থাকেন, তাঁরা নিজের জীবন মানুষের কল্যাণেই নিবেদন করেন। তাদের জীবন হয়ে ওঠে শান্তিময়।

উদ্দীপকের আবদুল মজিদ মাস্টারের অর্থসম্পদ তেমন নেই। তবু তিনি পরের উপকারে আনন্দ পান এবং সে উদ্দেশ্যে নিজ ও পরের সাহায্যে একটি ফান্ড গঠন করেছেন।

‘মাদার তেরেসা’ প্রবন্ধের মাদার তেরেসা একজন মহীয়সী নারী। যেখানে রোগ, দুঃখ, দারিদ্র্য, অসহায়তা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ সেখানেই তিনি সেবার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। উদ্দীপকের মজিদ মাস্টার ও পাঠ্য প্রবন্ধের মাদার তেরেসা দুঃখী, অসুস্থ ও বিপদগ্রস্ত মানুষকে সেবার মাধ্যমে সুখ খুঁজে পেয়েছেন। এ কারণেই বলা হয়েছে, মাদার তেরেসা ও মজিদ মাস্টারের দৃষ্টান্ত অনুসরণ করলে মানবজীবন শান্তিময় হয়ে উঠবে।

নিজে অনুশীলন করো

সৃজনশীল প্রশ্ন ২ : আমাদের দেশের সামাজিক প্রতিবন্ধকতার জায়গা অনেক। এই প্রতিবন্ধকতা দূর করতে কাজ করছে সমাজের বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যক্তি। যেখানে উদ্দেশ্য থাকে শুধু মানুষের পাশে দাঁড়ানো। দরিদ্র পরিবারের এতিম, প্রতিবন্ধী ও নানা কারণে বিয়ে না হওয়া শতাধিক মেয়েকে নিজ খরচে বিয়ে দিয়ে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন নোয়াখালীর সন্তান আতাউর রহমান। তিনি নানাভাবে মানুষের সেবা করার পাশাপাশি ধর্মীয় ক্ষেত্রেও অবদান রেখে যাচ্ছেন। তারই অংশ হিসেবে তিনি জামে মসজিদ নির্মাণ করেছেন। এ ছাড়া আরও কয়েকটি সেবামূলক সংগঠন তৈরি করেছেন, যার উদ্দেশ্য সর্বদা মানুষের পাশে দাঁড়ানো।

ক. মাদার তেরেসার পারিবারিক নাম কী?
খ. ‘মিশনারিজ অব চ্যারিটি’ কীভাবে গড়ে ওঠে?
গ. মাদার তেরেসার সঙ্গে উদ্দীপকের আতাউর রহমানের সাদৃশ্য তুলে ধরো।
ঘ. “মানবসেবাই উদ্দীপক ও ‘মাদার তেরেসা’ রচনার মূল প্রতিপাদ্য” – উক্তিটির সপক্ষে যুক্তি দেখাও।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৩ : রাজু গাঁয়ের নিরক্ষর এক কিশোর। কারো উঁচু গাছের নারকেল পাড়া দরকার। ডাকো রাজুকে। কারো টিউবওয়েলে পানি ওঠে না। ডাক পড়ে রাজুর। কারো ছাগলটা দুদিন ধরে বাড়ি ফেরেনি। ডাকো রাজুকে। কারো বা কাঁসার থালাটি পুকুরে ডুবে গেছে— রাজু ছাড়া আর কাকে ডাকবে। এসব কাজে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান বাছবিচার করে না রাজু। তার কাছে কারো উপকার করতে পারাটা বড়ই আনন্দের ব্যাপার।

ক. সন্‌জীদা খাতুন কত সালে জন্মগ্রহণ করেন ?
মাদার তেরেসা মানুষের মনে চিরকাল বেঁচে থাকবেন কেন?
গ. মাদার তেরেসার সাথে রাজু চরিত্রের সাদৃশ্যগত দিকটি ব্যাখ্যা করো।
ঘ. মানবতার মূলমন্ত্রই মানবসেবা। আর সেই চেতনাই মাদার তেরেসা ও রাজুর জীবনধর্ম।’— বিশ্লেষণ করো।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৪ : মানুষ ও মানবতা সব ধর্মের ওপরে, তাই মানবতায় নিজেকে নিয়োজিত করতে হবে। মানবসেবা হচ্ছে পরম ধর্ম, সুখে-দুঃখে, বিপদে-আপদে একে অপরের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। মানুষকে ঘৃণা বা অবহেলা
করা চরম অন্যায়। কেননা, মানুষের মাঝেই সৃষ্টিকর্তা আছেন।

ক. মাদার তেরেসার শ্রেষ্ঠ সম্মাননা কোনটি?
খ. ‘অ্যাগনেস গোনজা বোজাঝিউ’র নাম মাদার তেরেসা হলো কেন?
গ. তুমি বড় হয়ে কীভাবে মানুষের সেবা করবে, তা উদ্দীপক ও ‘মাদার তেরেসা’ রচনার আলোকে বর্ণনা করো।
ঘ. ‘মানুষ ও মানবতা সব ধর্মের ওপরে।’ উদ্দীপক ও ‘মাদার তেরেসা’ প্রবন্ধের আলোকে উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৫ : আমাদের ঢাকা শহরে প্রায় দেড় কোটি মানুষের বসবাস। শহরটিতে অনেক বস্তি রয়েছে। বস্তির ছোট ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার তেমন কোনো ব্যবস্থা নাই। মামুন সাহেব সেনাবাহিনীর একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। তিনি সেবার জন্য ঢাকার এক বস্তিতে একটি স্কুল খুললেন। মামুন সাহেবের উদ্যোগ দেখে অনেকেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন। তার কাজের পরিধি ক্রমাগত বেড়ে চলল। পাশাপাশি গরিব অধিবাসীদের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য তিনি একটি চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করলেন।

ক. মাদার তেরেসা কোন দেশের নাগরিক ছিলেন?
খ. মাদার তেরেসা মানবসেবায় ব্রতী হয়েছিলেন কেন?
গ. উদ্দীপকের মামুন সাহেবের প্রথম উদ্যোগের সঙ্গে ‘মাদার তেরেসা’ প্রবন্ধের মিল ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকের ‘মাদার তেরেসা’ প্রবন্ধের সম্পূর্ণ প্রতিফলন ঘটেছে কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৬ : ডায়রিয়া কালঘড়া গ্রামের উত্তরপাড়ায় মহামারি আকার ধারণ করেছে। এক দিন, দুই দিন পরপর একজন মারা যাচ্ছে। একজন-দুই জন করে পাড়া ছাড়ছে অধিবাসীরা। ইতোমধ্যেই আক্রান্ত হলেন মান্নান মিয়া। পরিবারের সবাই আতঙ্কিত হয়ে রোগীকে একা রেখেই অন্যত্র চলে যাওয়ার চিন্তা করছে। এ যেন বর্বর যুগের অতি পরিচিত এক উদাহরণ। এ অবস্থায় এগিয়ে এলেন প্রতিবেশী নুরুল হক। হান্নানের পরিবারের সদস্যদের অভয় দিয়ে নিজেই নেমে পড়লেন তার সেবাশুশ্ৰূষায় এবং যথাযথ চিকিৎসাদানে। স্থানীয় ডাক্তারের পরামর্শ ও সহযোগিতায় হান্নানকে প্রায় সারিয়ে তুললেন নুরুল হক। তিনি মানবসেবার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন। পরিবারের সদস্যরা নুরুল হকের নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন।

ক. মাদার তেরেসা কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
খ. মিশনারিজ অব চ্যারিটি কীভাবে গড়ে ওঠে?
গ. উদ্দীপকের নুরূল হকের মধ্যে মাদার তেরেসার যে দিকটি ফুটে উঠেছে তার ব্যাখ্যা দাও।
ঘ. মাদার তেরেসা এবং নুরুল হক মানবসেবার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।— উদ্দীপক ও ‘মাদার তেরেসা’ প্রবন্ধের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৭ : “আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে
আসে নাই কেহ অবনি পরে
সকলের তরে সকলে আমরা
প্রত্যেক মোরা পরের তরে

ক. মাদার তেরেসা কাদের জন্য ‘নবজীবন আবাস’ প্রতিষ্ঠা করেন?
খ. মাদার তেরেসা ‘নবজীবন আবাস’ স্থাপন করেন কেন?
গ. উদ্দীপকের প্রথম দুই চরণের মূলভাব মাদার তেরেসার জীবনে কতটুকু প্রতিফলিত? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. “উদ্দীপকের মর্মবাণী এবং মাদার তেরেসার জীবনাদর্শ অনুসরণ করলেই মানবজীবনকে সার্থক করে তোলা সম্ভব’— বিশ্লেষণ করো।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৮ : আমেরিকার কাছ দিয়ে সমুদ্রপথে একটি যাত্রীবাহী জাহাজে এক ইংরেজ পরিবার যাচ্ছিলেন। ছেলেমেয়েদের মধ্যে বড় মেয়েটির বয়স আঠারো বছর। দূরে একটি জাহাজের বিপদসংকেত শুনে জাহাজটি সেদিকে গেল। জাহাজটি প্রায় জনমানবশূন্য। জাহাজটিতে কালাজ্বরে সবাই মারা গেছে। যারা বেঁচে আছে তারা মৃতপ্রায়। তাদের দেখার কেউ নেই, কালাজ্বরের ভয়ে কেউ যেতে চাইল না। কিন্তু আঠারো বছরের মেয়েটি মা-বাবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে জাহাজে উঠল। মেয়েটি তার সেবা ও ভালোবাসা দিয়ে বিপন্ন জাহাজের যাত্রীদের ভালো করে তুলল। মেয়েটি মানবসেবায় এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করল।

ক. কোন প্রতিষ্ঠানের দ্বারা কুষ্ঠরোগীর সেবা করা হতো?
খ. মাদার তেরেসা ভোজসভা বাতিল করেছিলেন কেন?
গ. উদ্দীপকের আঠারো বছরের মেয়েটির সাথে পাঠ্যবইয়ের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে- বর্ণনা কর।
ঘ. ‘মেয়েটি মানবসেবায় এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে’ উদ্দীপক ও ‘মাদার তেরেসা’ প্রবন্ধের আলোকে উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৯ : ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল ছিলেন মানবতার সেবায় নিবেদিত একজন ইংরেজি নার্স। তার জন্ম ইতালির ফ্লোরেন্স শহরে। তিনি অভিভাবকের আপত্তির মুখে অবিবাহিত থেকে আর্তপীড়িতদের সেবায় জীবন কাটানোর সিদ্ধান্ত নেন। ১৮৫৩ সালে ক্রিমিয়ার যুদ্ধ শুরু হলে যুদ্ধাহত সেনাদের সুচিকিৎসা ও শুশ্রƒষার কাজে তিনি এগিয়ে যান। ৩৮ জন নার্স নিয়ে স্কুটারি হাসপাতালে সেবাকাজে যোগ দেন। দৈনিক প্রায় ২০ ঘণ্টা পরিশ্রম করে সেবার হাত বাড়িয়ে দিয়ে ‘আলো হাতে মহিলা’ নামে পরিচিত হন।

ক. ‘মিশনারিজ অব চ্যারিটি’ কী?
খ. বাংলাদেশের মানুষের জন্য মাদার তেরেসার সেবামূলক কাজের ব্যাখ্যা দাও।
গ. উদ্দীপকটি ‘মাদার তেরেসা’ প্রবন্ধের সাথে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ?
ঘ. ‘উদ্দীপকের ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল এবং ‘মাদার তেরেসা’ প্রবন্ধের মাদার তেরেসা দুজনই মানবতার সেবায় নিবেদিতপ্রাণ।’ মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

সৃজনশীল প্রশ্ন ১০ : হেনরি ডুনান্টের আহ্বানে সাড়া দিয়ে জেনেভায় পাবলিক ওয়েলফেয়ার সোসাইটি পাঁচজন সদস্য নিয়ে গঠন করে কমিটি অব ফাইভ। এর পর পরই বিশ্বের ১৬টি দেশের প্রতিনিধি নিয়ে জেনেভায় আন্তর্জাতিক সম্মেলন বসে ১৮৬৩ সালের ২৬শে অক্টোবর। এ সম্মেলনেই প্রতিষ্ঠা লাভ করে বিশ্বের আর্তমানুষের সেবায় নিবেদিত সংস্থা রেডক্রস। বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে রেডক্রসের সেবা কার্যক্রম।

ক. মাদার তেরেসা ‘নির্মল হৃদয়’ ভবন প্রতিষ্ঠা করেন কোথায়?
খ. “মরণাপন্ন এসব মানুষকে বুকে তুলে নেন মাদার তেরেসা।” ব্যাখ্যা কর।
গ. হেনরি ডুনান্টের ‘রেডক্রস’ সেবা প্রতিষ্ঠানটির মধ্যে মাদার তেরেসার কোন প্রতিষ্ঠানের চিত্র ফুটে ওঠে- ব্যাখ্যা কর।
ঘ. উদ্দীপকের ‘রেডক্রস’ ও ‘মিশনারিজ অব চ্যারিটি’ মূলত একই ধরনের উদ্দেশ্য নিয়ে গঠিত। মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

সৃজনশীল প্রশ্ন ১১ : ব্লু বার্ড স্কুল এন্ড কলেজের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীরা সপ্তাহে একদিন টিফিনের টাকা দিয়ে অসহায় শিশুদের সাহায্য করে। বস্তি ও রাস্তার পাশে থাকা শিশুদের খাবার পোশাক, বই, খাতা কিনে দিয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। তাদের এই মহৎ কাজে অনুপ্রাণিত হয় অন্য বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা।

ক. মাদার তেরেসার পুরো নাম কী?
খ. মাদার তেরেসা বাংলাদেশে ছুটে আসেন কেন?
গ. বস্তিবাসীদের জন্য তোমার পঠিত প্রবন্ধের ‘মাদার তেরেসা’ ও উদ্দীপকের ছাত্রদের কাজের সাদৃশ্য তুলে ধর।
ঘ. অনাথ শিশুদের তিনি ছিলেন আশ্রয়দাতা-উদ্দীপক ও তোমার পঠিত ‘মাদার তেরেসা’ রচনার আলোকে বিচার কর।

সৃজনশীল প্রশ্ন ১২ : এরফান আলী যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত । প্রচণ্ড কাশি হয়, সঙ্গে আবার রক্তও পড়ে। এসব দেখে পরিবার এবং আত্মীয়স্বজন সবাই তাকে পরিত্যাগ করেছে। যক্ষ্মা রোগটি ছোঁয়াচে ভেবে সবাই তাকে একঘরে করে রেখেছে। কিন্তু স্কুল শিক্ষক ফজলুল হক তার এ শোচনীয় অবস্থা দেখে কষ্ট পান। তিনি এরফান আলীকে ‘যক্ষ্মা নিরাময় কেন্দ্রে’ নিয়ে যান এবং ঠিকমতো ওষুধ ও সেবা দিয়ে তাকে সুস্থ করে তোলেন।

ক. যুদ্ধে অসংখ্য মানুষের মৃত্যু কার কোমল মনে খুব আঘাত করেছিল?
খ. মাদার তেরেসা পুরস্কারের অর্থ নিজের জন্য রাখেননি কেন?
গ. উদ্দীপকের ফজলুল হক মাদার তেরেসার কোন গুণটি ধারণ করে আছেন- ব্যাখ্যা কর।
ঘ. “সাদৃশ্য থাকলেও ফজলুল হক পুরোপুরি মাদার তেরেসা হয়ে উঠতে পারেননি” মন্তব্যটির যৌক্তিকতা বিচার কর।

সৃজনশীল প্রশ্ন ১৩ : খালেদা আক্তার একজন জনদরদি মানুষ। যেখানেই তিনি মানুষকে অসহায় অবস্থায় দেখেন সেখানে তিনি ছুটে যান। তিনি অসহায় ব্যক্তিদের পাশে দাঁড়ান। তাঁর কাছ থেকে কেউ কষ্ট পাননি। তিনি তাঁর সাধ্যমতো চেষ্টা করেন মানুষকে সেবাযতœ করার জন্য। তিনি গ্রামের মহিলাদের শিক্ষিত করার জন্য একটি নৈশবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে নিজে সেখানে বয়স্ক নারীদের শিক্ষা দিয়ে থাকেন। শুধু তাই নয়, অসুস্থ ও দুস্থ ব্যক্তির সেবায়ও তিনি এগিয়ে আসেন।

ক. মাদার তেরেসা কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
খ. মাদার তেরেসা খ্রিষ্টান মিশনারিতে যোগ দিলেন কেন?
গ. উদ্দীপকের খালেদা আক্তার ‘মাদার তেরেসা’ প্রবন্ধের কার প্রতিচ্ছবি? নিরূপণ কর।
ঘ. ‘কিছু সাদৃশ্য থাকলেও উদ্দীপকের খালেদা আক্তার পুরোপুরি মাদার তেরেসা নয়’ বিশ্লেষণ কর।

সৃজনশীল প্রশ্ন ১৪ : রহিমা খাতুন নিজের বাসগৃহে প্রতিবেশী নিরক্ষর মহিলাদের অক্ষর জ্ঞান দিতে শুরু করেন। বেতন ছাড়াই তিনি এ কাজ করেন। ঈদের কেনাকাটা থেকে কিছু টাকা বাঁচিয়ে রহিমা সবচেয়ে গরিব ও লেখাপড়ায় আগ্রহী মহিলাকে পুরস্কার দেন। এতে উৎসাহী হয়ে শিক্ষার্থী বাড়তে থাকে। নিজের ছোট গণ্ডির মধ্যে দায়িত্ববোধ ও মানবসেবার লক্ষ্যে তিনি এই মহৎ কাজ চালিয়ে যান।

ক. সেবাকাজের জন্য মাদার তেরেসার প্রাপ্ত শ্রেষ্ঠ সম্মাননা কোনটি?
খ. মাদার তেরেসা গাউন ছেড়ে শাড়ি পরেছিলেন কেন?
গ. উদ্দীপকের রহিমা খাতুনের টাকা বাঁচানোর কাজটিতে মাদার তেরেসার কোন ঘটনার প্রতিফলন ঘটেছে- বর্ণনা করো।
ঘ. উদ্দীপকের ‘রহিমা খাতুনের চেয়ে মাদাম তেরেসার সেবামূলক কাজের পরিধি ছিল ব্যাপক; কিন্তু তাঁদের লক্ষ্য ছিল অভিন্ন’- কথাটির সত্যতা যাচাই করো।

সৃজনশীল প্রশ্ন ১৫ : বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন বাংলাদেশের নারী আন্দোলনের পথিকৃৎ। নারীদের মুক্তির জন্য তিনি শিক্ষার কথা বলতেন। নারীর যোগ্য মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় তিনি সক্রিয় ছিলেন। এছাড়াও সমাজের সাধারণ ও দুস্থ নারীদের স্বাবলম্বী করে তোলার জন্য তিনি ‘আঞ্জুমান খাওয়াতিনে ইসলাম’ নামে একটি মহিলা সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন।

ক. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ কত সালে শুরু হয়?
খ. মানুষের মনে মাদার তেরেসা চিরকাল বেঁচে থাকবেন কেন?
গ. উদ্দীপকের বেগম রোকেয়ার কাজের সঙ্গে মাদার তেরেসার কাজের বৈসাদৃশ্য নিরূপণ কর।
ঘ. ‘বেগম রোকেয়া ও মাদার তেরেসার সেবার ধরন আলাদা হলেও দুজনই সেবাব্রতী’ বিশ্লেষণ কর।

ANSWER SHEET

উপরে ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করে এই প্রশ্নের উত্তরগুলো ডাউনলোড করে নাও।

Rate this post

By Mithu Khan

I am a blogger and educator with a passion for sharing knowledge and insights with others. I am currently studying for my honors degree in mathematics at Govt. Edward College, Pabna.