সভ্যতার ইংরেজি শব্দ Civilization। এ শব্দটি ল্যাটিন শব্দ ‘Civis’ বা ‘Civitas’ থেকে এসেছে, যার অর্থ ‘নগর’ বা ‘নাগরিক’। ফরাসি দার্শনিক ভলতেয়ার সর্বপ্রথম Civilization শব্দটি ব্যবহার করেন।

সাধারণভাবে কোনো বিশেষ মানবগোষ্ঠী তাদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড দ্বারা কোনো বিশেষ ধরনের জীবন প্রবাহ বা জীবনধারণের মানোন্নয়ন করলে বিশেষ সময়কালের পরিপ্রেক্ষিতে তখন তা ‘সভ্যতা’ নামে অভিহিত হয়। ব্যাপক অর্থে, কোন অঞ্চল বা অঞ্চলসমূহে যখন একটি জনগোষ্ঠী নগর তৈরি করে এক উন্নত জীবন ব্যবস্থা গড়ে তোলে তখন তার অগ্রগতির সহায়ক নিয়ামক হিসাবে উদ্ভাবিত হয় লিখন পদ্ধতি, আইন, সরকার ব্যবস্থা, বাণিজ্য, নবপ্রযুক্তি, শিক্ষা ও সুস্পষ্ট ধর্মীয় দর্শন, তখন তাকে সভ্যতা বলা হয়।

সভ্যতার সংজ্ঞা দিতে গিয়ে সমাজবিজ্ঞানী, প্রত্নতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিকসহ বিভিন্ন পণ্ডিত ও চিন্তাবিদরা বিভিন্ন মত প্রকাশ করেছেন। মন্টেস্কু ও হান্টিংটন বলেন, সভ্যতা হচ্ছে ভৌগোলিক তথা প্রাকৃতিক পরিবেশের আর্শীবাদপুষ্ট এক ফসল। মার্কিন সমাজবিজ্ঞানী লুইস এইচ. মর্গান তার Ancient Society গ্রন্থে বলেন, সভ্যতা হচ্ছে বিবর্তন নামক সিঁড়ির শীর্ষ ধাপ।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x