হাইকিং শব্দের অর্থ উদ্দেশ্যমূলক ভ্রমণ। নির্দিষ্ট পথ নির্দেশিকা অনুসরণ করে ভ্রমণ করাকে হাইকিং বলে। সাধারণত একাকী, দুইজন অথবা একটি উপদল হাইকিং-এ অংশগ্রহণ করতে পারে। হাইকিং-এ দিনরাত্রি বা একাধিক রাত্রি যাপন করতে হতে পারে।

নিচে হাইকিংয়ের কর্মসূচি প্রণয়নের ধাপগুলো বর্ণনা করা হল :

১. চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেয়ার আগে কর্মসূচিকে যাচাই করে সংযোজন বা বিয়োজন করা আবশ্যক।
২. স্থান নির্বাচনের ক্ষেত্রে ইউনিট লিডারকে দূরত্ব, সুগম পথ, গোসল ও খাওয়ার পানির সুব্যবস্থা, জায়গার অবস্থা, ডাক্তারখানা, প্রাকৃতিক পরিবেশ, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার বিকল্প আশ্রয়স্থল ইত্যাদি সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।
৩. ইউনিট লিডারকে ট্রেনিং সিডিউল তৈরি করে প্রশিক্ষণের সরঞ্জাম সংগ্রহ করতে হবে।
৪. নির্বাচিত স্থানের মালিক বা প্রতিষ্ঠান প্রধানের অনুমতি নিতে হবে।

৫. স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে দুর্বলদের বাদ দিতে হবে।
৬. কখন শুরু হবে, কত দিন থাকতে হবে এবং কখন শেষ হবে পূর্বেই তা নির্ধারণ করতে হবে।
৭. কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য একটি বাজেট তৈরি করতে হবে। এক্ষেত্রে অবশ্যই মিতব্যয়িতার নীতি অবলম্বন করতে হবে।
৮. প্রয়োজনীয় সংখ্যক প্রশিক্ষক, কোয়ার্টার মাস্টার, প্রাথমিক প্রতিবিধানকারী নিয়োগ করতে হবে।

৯. শুকনো জ্বালানি কাঠ ও সুষম খাদ্য বাজেট অনুপাতে কিনতে হবে।
১০. পূর্বেই স্যানিটেশন ব্যবস্থা করে রাখতে হবে।
১১. পথ সংকেত, কম্পাস রিডিং, মানচিত্র অংকন ও গঠন, তাবু খাটানোর কৌশল, রান্না করা, সাঁতার, প্রাথমিক প্রতিবিধান, উদ্ধারকাজ, রাস্তায় চলার নিয়ম ইত্যাদি সম্বন্ধে ধারণা দিতে হবে।
১২. সোজা হয়ে স্কাউট কদমে (২০ কদম হাঁটা ও ২০ কদম দৌড়ানো) হাঁটতে হবে। প্রতি দুই মাইলে ৫ মিনিট বিশ্রাম করতে হবে।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x