গুগলে কিওয়ার্ড বা মুখে উচ্চারণ করা শব্দ ব্যবহার করে সার্চ করার সময় সার্চবারে মাইক্রোফোনের মতো একটি আইকন দেখা যায়। এতে ক্লিক করে কোনো শব্দ বা কিওয়ার্ড উচ্চারণ করলে সার্চ ইঞ্জিন গুগল সে শব্দ বা কিওয়ার্ড অনুযায়ী বিভিন্ন ওয়েবসাইটের আর্টিকল পাঠকের সামনে তুলে ধরে। ভয়েস ব্যবহার করে পাঠকের প্রয়োজন অনুযায়ী তথ্য বের করার এ ধরনের প্রক্রিয়াটি হচ্ছে ভয়েস সার্চ।

ভয়েস সার্চ সাধারণত সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন হিসেবে তৈরি একটি সার্ভিস। ভিঙ্গো, গুগল মোবাইল অ্যাপ ভয়েসের এগুলো মূলত ‘স্পিচ রিকগনিশন প্রোগ্রাম অনুযায়ী কাজ করে। ভয়েস সার্চ স্পিচ রিকগনিশন প্রযুক্তি, যা প্রধানত সার্চ অ্যালগরিদমের সময় সার্চ অপশনে টেক্সটের ব্যবহারের পরিবর্তে উচ্চারণের ওপর নির্ভর করে আর্টিকল বের করতে সহায়তা করে পাঠকদের। ওয়েব এনাবলড ডিভাইসে এ সেবা ব্যবহারকারীরা পেতে পারেন।

ডাটা অ্যানালাইসিস প্রতিষ্ঠান ‘কমস্কোর’ মতে, ২০২০ সালের মধ্যে শতকরা ৫০ ভাগ ওয়েব সার্চ সম্পন্ন হবে ভয়েস সার্চ ব্যবহার করে। “রিচ রিলেভেন্সের” সাম্প্রতিক এক জরিপে জানা যায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শতকরা ৭০ ভাগ অনলাইন ক্রেতা এখনো প্রোডাক্টের তথ্য খুঁজে বের করতে ‘ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট ব্যবহার করেননি, যদিও ২০০০ সালের মাঝামাঝি সময় ভার্চুয়াল পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্টের কল্যাণে ভয়েস সার্চের সাথে মানুষ প্রথম পরিচিত হয়। ২০১৭ সালের জানুয়ারিতেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৩ কোটি ৯০ লাখ মানুষের কাছে স্মার্ট স্পিকার ছিল, যা এখন শতকরা ১২৮ ভাগের বেশি মানুষ ব্যবহার করেন। সিরি এবং অ্যালেক্সা এখন ডিজিটাল প্রযুক্তিতে বিচরণ করছে। এজন্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও) নিয়ে যারা কাজ করেন, তাদের আরও সমৃদ্ধময় কনটেন্ট ও কিওয়ার্ডের যথোপযোগী সমন্বয় করে তাদের ওয়েবসাইট ভয়েস সার্চের জন্য উপযুক্ত করে তুলতে হবে।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x