কিবলামুখী হয়ে নিয়ত করে দুই হাত কাঁধ পর্যন্ত তুলে ‘আল্লাহু আকবার’ বলে নাভির নিচে হাত বাঁধব। তবে নারীগণ হাত বাঁধবে বুকের উপর। নিয়ত মনে মনে করলেই চলবে।

তবে মুখে উচ্চারণ করা উত্তম। এরপর ‘সানা’ পড়ব। এরপর আউযু বিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম, বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম বলে সূরা ফাতিহা পড়ব। ফাতিহা পড়ে মনে মনে ‘আমিন’ বলব। এরপর অন্য কোনো সূরার কমপক্ষে বড় এক আয়াত অথবা ছােট তিন আয়াত কিংবা একটি সূরা পড়ব। তারপর ‘আল্লাহু আকবার’ বলে রুকু করব।

রুকুতে কমপক্ষে তিনবার ‘সুবহানা রাব্বিয়াল আযিম’ বলব। তারপর ‘সামি আল্লাহুলিমান হামিদাহ’ বলে সোজা হয়ে দাঁড়াব। দাঁড়ানো অবস্থায় ‘রাব্বানা লাকাল হাদ’ বলব। তারপর ‘আল্লাহু আকবার’ বলে সিজদাহ করব। সিজদায় অন্তত তিনবার ‘সুবহানা রাব্বিয়াল আ’লা’ বলব। তারপর ‘আল্লাহু আকবার’ বলে সোজা হয়ে বসব। আবার ‘আল্লাহু আকবার’ বলে দ্বিতীয় সিজদাহ করব।

এবারও সিজদায় কমপক্ষে তিনবার ‘সুবহানা রাব্বিয়াল আ’লা’ বলব। এরপর ‘আল্লাহু আকবার’ বলে সোজা হয়ে দাঁড়াব। এভাবে প্রথম রাকআত শেষ হবে। এখন দ্বিতীয় রাকআত শুরু হলো। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম বলে সূরা ফাতিহা পড়ব। তারপর পূর্বের মতো সূরা মিলাব। তারপর প্রথম রাকাআতের মতো রুকু ও সিজদাহ করে সোজা হয়ে বসব। তাশাহহুদ, দরূদ ও দোয়া মাসূরা পড়ে ডানে ও বামে মুখ ফিরিয়ে ‘আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ’ বলব। এইভাবে দুই রাকআত বিশিষ্ট নামায শেষ হবে।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x