ডকুমেন্টকে বিভিন্ন আঙ্গিকে সাজানোর পদ্ধতিকে ডকুমেন্ট ফরমেটিং (Document formatting) বলে। কাজের উপর ভিত্তি করে ফরমেটিং তিন ধরনের হতে পারে। যথা–
১. অক্ষর ফরমেটিং: একটি ডকুমেন্টের লেখার আকার, আকৃতি, রং, ফন্ট স্টাইল, সুপার স্ক্রিপ্ট, সাবস্ক্রিপ্ট ইত্যাদি কেমন হবে তা অক্ষর ফরমেটিং এর মাধ্যমে নিরূপণ হয়।
২. প্যারাগ্রাফ বা অনুচ্ছেদ ফরমেটিং: প্যারা সাজানোকে প্যারাগ্রাফ ফরমেটিং বলে। অন্যভাবে বলা যায় প্যারা বিভিন্নভাবে বৈশিষ্ট্যমন্ডিত করাকে প্যারাগ্রাফ ফরমেটিং বলে। প্যারাগ্রাফ ফরমেটিং এর মাধ্যমে যে সকল কাজ করা হয় তা নিচে দেওয়া হলো:

  • লাইন স্পেসিং
  • প্যারাগ্রাফ স্পেসিং
  • ইনডেক্স
  • বিন্যাস (Alignment) ইত্যাদি।

৩. পেজ ফরমেটিং: পেজ ফরমেটিং এর মধ্যে রয়েছে কাগজের আকার, মার্জিন, হেডার বা শীর্ষচরণ, ফুটার বা পাদচরণ, ফুটনোট বা পাদটিকা, পৃষ্ঠা নম্বর সংযোজন ইত্যাদি।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x