মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমসমূহ কি কি?

মাল্টিমিডিয়ার প্রধান মাধ্যমসমূহ নিচে তুলে ধরা হলো-
১. বর্ণ বা টেক্সট: বিশ্বজুড়ে টেক্সটের যত সব কাজ এখন কম্পিউটারে হয়ে থাকে। একসময় টাইপরাইটার দিয়ে এসব কাজ করা হতাে, এখন অফিস আদালত থেকে শুরু করে পেশাদারি মুদ্রণ পর্যন্ত সব জায়গায় কম্পিউটার ব্যবহার হচ্ছে।

২. চিত্র বা গ্রাফিক্স: বিশ্বের সব জায়গায় গ্রাফিক্স তৈরি , এডিটিং ইত্যাদি সব ধরনের কাজ কম্পিউটার ব্যবহার করেই করা হয়। আমাদের দেশে গ্রাফিক্স ডিজাইন, পেইন্টিং, ড্রইং বা কমার্শিয়াল গ্রাফিক্স নামক চারুকলার যে অংশটি রয়েছে তাতে কম্পিউটারের ব্যবহার অত্যন্ত সীমিত। তবে প্রিন্ট ও প্রকাশনায় এটি বেশি ব্যবহৃত হয়। মুদ্রণ প্রকাশনায় গ্রাফিক্স ডিজাইনের ক্ষেত্রে কম্পিউটারের ব্যবহার শুরু হয় নব্বই দশকে। প্রথমে ফটোশপ দিয়ে স্ক্যান করা ছবি সম্পাদনা দিয়ে এর সূচনা হয়। দিন দিন ডিজাইন এবং গ্রাফিক্সে কম্পিউটার জায়গা করে নিতে থাকে।

  • ভিডিও: ভিডিও প্রয়োজনীয় এক ধরনের গ্রাফিক্স। একে চলমান গ্রাফিক্স বলা হয়। বিশ্বজুড়ে ভিডিও একটি সুপ্রতিষ্ঠিত মিডিয়া। টিভি, হােম ভিডিও, মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যার, ওয়েব ইত্যাদি সকল ক্ষেত্রেই ভিডিওর ব্যবহার অনেক ।
  • এনিমেশন: এনিমেশনও এক ধরনের গ্রাফিক্স বা চিত্র, তবে সেটি চলমান বা স্থির হতে পারে, এটি দ্বিমাত্রিক বা ত্রিমাত্রিক হতে পারে, আমাদের দেশে এনিমেশনের ব্যবহারও দিন দিন বেড়ে চলছে। বিশেষ করে বিজ্ঞাপন চিত্রে এনিমেশন একটি প্রিয় বিষয়, তবে এনিমেশনে কাজ করার লােকের অভাব রয়েছে। আসলে এনিমেশন কখনােই কেবল একক মিডিয়া হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। এর সাথে অডিও, ভিডিও, টেক্সট, গ্রাফিক্স ইত্যাদির সম্পর্ক রয়েছে।

৩. শব্দ বা অডিও: বর্তমানে শব্দ বা অডিও রেকর্ড, এডিটিং ইত্যাদি কম্পিউটারের ওপর নির্ভর করে। সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং-এ এনালগ পদ্ধতি এখন কার্যত সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়েছে। কম্পিউটার দিয়ে উন্নতমানের সাউন্ড রেকর্ডিং করা যায়।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x