দ্রুত প্রক্রিয়াকরণের জন্য গণনার ক্ষেত্রে অস্থায়ী মেমোরি হিসেবে রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। এগুলো সিপিইউ এর মধ্যে থাকে। ফিল্প ফ্লপ বা অস্থায়ী মেমোরিই হচ্ছে রেজিস্টার। প্রসেসিং করার সময় অস্থায়ী ডেটাকে অল্পক্ষণ সংরক্ষণের জন্য রেজিস্টার দরকার হয়। প্রথম উদ্ভাবিত পারসোনাল কম্পিউটারে ১৬ বিট রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়েছিল। এরপর আছে ৩২ বিট রেজিস্টার। রেজিস্টারের সাইজকে সাধারনত ‘ওয়ার্ড সাইজ’ বলা হয়ে থাকে। রেজিস্টারের সাইজ যত বড় হয় একেবারে তত বেশিসংখ্যাক ডেটা একবারে প্রসেস করা সম্ভব হয়। তাই রেজিস্টারের সাইজ যত বড় হয় কম্পিউটারের কাজ করার গতিও তত বেশি হয়। বর্তমানে ৬৪ বিট প্রসেসর এর কম্পিউটার ব্যবহার করা হচ্ছে যা ৩২ বিটের চেয়েও বেশি ধারণক্ষমতাসম্পন্ন। একটি রেজিস্টারে যতসংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ থাকবে সেই রেজিস্টার তত সংখ্যক বিট ধারণ করতে পারবে। অনেকগুলো বিট একসাথে থাকলে তাকে রেজিস্টার ফাইল বলা হয়। রেজিস্টারের সাইজ বড় হলে কম্পিউটারের প্রসেস করার গতিও বেড়ে যায়।

Rate this post

By Mithu Khan

I am a blogger and educator with a passion for sharing knowledge and insights with others. I am currently studying for my honors degree in mathematics at Govt. Edward College, Pabna.