যে পদার্থকে ভাঙলে সেই পদার্থ ছাড়া অন্য কোনাে পদার্থ পাওয়া যায় না তাকে মৌলিক পদার্থ বা মৌল বলে। যেমন- নাইট্রোজেন, ফসফরাস, কার্বন, অক্সিজেন, হিলিয়াম, ক্যালসিয়াম, আর্গন, ম্যাগনেসিয়াম, সালফার ইত্যাদি।

আরও কিছু প্রশ্ন ও উত্তরঃ–
১। কৃত্রিম মৌল কাকে বলে?
উত্তর : যেসকল মৌলকে গবেষণাগারে তৈরি করা হয় তাদেরকে কৃত্রিম মৌল বলে। কৃত্রিম মৌলের সংখ্যা ২০টি।

২। এ পর্যন্ত মোট কতটি মৌল আবিষ্কৃত হয়েছে ?
উত্তর : এ পর্যন্ত 118টি মৌল আবিষ্কৃত হয়েছে। এগুলাের মধ্যে 98টি মৌল প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। বাকি মৌলগুলাে গবেষণাগারে তৈরি করা হয়েছে।

৩। আমাদের শরীরে মােট কতটি মৌল আছে? (How many metals in the human body?)
উত্তর : আমাদের শরীরে মােট 26 ধরনের ভিন্ন ভিন্ন মৌল আছে।

৪। মৌলের অণু কাকে বলে?
উত্তর : একই মৌলের একাধিক পরমাণু পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়ে যে অণু গঠন করে তাকে মৌলের অণু বলে। যেমন- দুটি অক্সিজেন পরমাণু (O) পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিজেন অণু (O2) গঠন করে।

৫। মৌলসমূহের ধর্ম থেকে যৌগের ধর্ম সম্পূর্ণ আলাদা- ব্যাখ্যা করো।
উত্তর : মৌলসমূহের ধর্ম থেকে যৌগের ধর্ম সম্পূর্ণ আলাদা। যেমন— হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন মৌলিক পদার্থ। সাধারণ তাপমাত্রায় এরা উভয়ই গ্যাসীয় কিন্তু এদের থেকে উৎপন্ন যৌগ পানি সাধারণ তাপমাত্রায় তরল।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x