কম্পিউটার নেটওয়ার্কে কম্পিউটারসমূহ একটি অন্যটির সাথে সংযুক্ত থাকার পদ্ধতিকে নেটওয়ার্ক টপোলজি (Network Topology) বলে। নিম্নলিখিত টপােলজি অনুযায়ী নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারসমূহকে সংযুক্ত করা যায়।

  • বাস টপােলজি
  • স্টার টপােলজি
  • রিং টপােলজি
  • ট্রি টপােলজি
  • মেশ বা পরস্পর সংযুক্ত টপােলজি
  • হাইব্রিড টপােলজি

হাইব্রিড টপােলজিঃ বিভিন্ন টপােলজি অর্থাৎ স্টার, রিং, বাস ইত্যাদি নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয় তাকে হাইব্রিড নেটওয়ার্ক বলে। ইন্টারনেট একটি হাইব্রিড নেটওয়ার্ক, কেননা এতে প্রায় সব ধরনের নেটওয়ার্কই সংযুক্ত আছে। হাইব্রিড নেটওয়ার্কের সুবিধা ও অসুবিধা নির্ভর করছে ঐ নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত টপােলজিগুলাের ওপর।

হাইব্রিড টপােলজির সুবিধা

  • এই টপােলজিতে প্রয়ােজন অনুযায়ি নেটওয়ার্ক বৃদ্ধি করার সুযােগ রয়েছে।
  • কোনাে সমস্যা দেখা দিলে তা সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব হয়।
  • কোনাে এক অংশ নষ্ট হয়ে গেলে সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক নষ্ট না হয়ে অংশবিশেষ নষ্ট হয়।

হাইব্রিড টপােলজির অসুবিধা

  • এই টপােলজিতে ব্যবহুত হাবসমই সর্বদা সচল রাখতে হয়।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x